ঢাকা, আজ শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১

জিজ্ঞাসাবাদের নামে থানায় নিয়ে গর্ভবতীসহ ৩ নারীকে ন`গ্ন করে পে’টাল পুলিশ

প্রকাশ: ২০১৯-০৯-১৯ ০৭:০১:২৭ || আপডেট: ২০১৯-০৯-১৯ ০৭:০১:২৭

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডেকে তিন নারীকে ন`গ্ন করে পি`টিয়েছে পুলিশ। ভাইয়ের বিরুদ্ধে এক মেয়েকে নিয়ে পালানোর অভিযোগের জিজ্ঞসাবাদে তিন বোনকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এরপর সেখানেই তাদের ওপর এ নি`র্মম নি`র্যাতন চালানো হয়। ঘটনার শি’কার নারীদের একজন গর্ভবতী ছিলেন। কিন্তু পুলিশের নি`র্যাতনে তার গর্ভপাত ঘটে। গত ৮ সেপ্টম্বর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের দারাং জেলার বুরহায় চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঘটে। গণমাধ্যমে এ খবর প্রচার হওয়ার পর এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মাহিন্দ্র শর্মা নামে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক ও বিনিতা বোরো নামে এক নারী কন্সটেবলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ সম্পর্কে আসাম পুলিশের ডেপুটি জেনারেল কুলাধার সাইকিয়া জানান, এ ঘটনার সঠিক তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছ। নি’র্যাতনের শি’কার নারীরা অভিযোগ করেছেন, তাদের ওপর এই পাশবিক নি`র্যাতনের ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো বিচারের উদ্যোগ না নেয়ায় ঘটনার ১০ দিন পর অবশেষে তারা সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ

হয়েছেন। আরও পড়ুনঃএবার পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য ৪টি আবাসিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনঃ বাংলাদেশ সরকারের (জিওবি) অর্থায়নে ‘গাবতলী সিটি পল্লীতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ক্লিনারদের জন্য বহুতল বিশিষ্ট আবাসিক ভবন নির্মাণ প্রকল্পের’ আওতায়, এ নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম। বুধবার গাবতলীতে চারটি ১৫ তলা আবাসিক ভবন এবং একটি চারতলা স্কুল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে মেয়র বলেন, শপথ বাক্য পাঠ করানোর পরপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য একটি সুন্দর বাসস্থান গড়ার নির্দেশ দেন। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে ৭৮৪ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর জন্য আবাসনের ব্যবস্থা হবে। মেয়র পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সুন্দরভাবে সম্পন্ন করে জনগণকে সেবা প্রদানের জন্য পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রকল্পের কাজের মান বজায় রেখে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করার জন্য ঠিকাদারদের নির্দেশ দেন। ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটির সর্বমোট ব্যয় ২২১ কোটি ৪৯ লাখ টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। ২০২১ সালের জুনে প্রকল্পটির কাজ

বাস্তবায়ন শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় ১৫ তলা বিশিষ্ট চারটি আবাসিক ভবন নির্মাণের মাধ্যমে মোট ৭৮৪টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৫৬২ বর্গফুট। প্রতিটি ফ্ল্যাটে দুটি বেডরুম, একটি কিচেন, একটি টয়লেট, একটি বাথরুম ও একটি বারান্দা থাকবে। আবাসিক ভবনগুলোতে ১৪টি প্যাসেঞ্জার লিফট এবং ৭টি সার্ভিস লিফট থাকবে। প্রতিটি ফ্ল্যাটে আসবাবপত্রে সুসজ্জিত করে দেয়া হবে। এছাড়া এ আবাসিক ভবনগুলোর জন্য পৃথক সুয়ারেজ ট্রিটমেন্টের ব্যবস্থা রাখা হবে।ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে অন্যান্যের মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য আসলামুল হক, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাই, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদ আহমেদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক শরীফ উদ্দিন, ওয়ার্ড কাউন্সিলর মুজিব সারোয়ার মাসুম, মোবাশ্বের চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।