ঢাকা, আজ শনিবার, ৬ মার্চ ২০২১

গোয়েন্দাদের নজরদারিতে কে এই গোলাম রাব্বানীর বান্ধবী?

প্রকাশ: ২০১৯-০৯-১৬ ০৭:৪৭:৫৫ || আপডেট: ২০১৯-০৯-১৬ ০৭:৪৭:৫৫

ঢাকা : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর এক বান্ধবী টেন্ডার নিয়ে তাকে ফোন দিয়েছিলেন।

এরপর থেকে সর্বত্রই আলোচনা কে এই গোলাম রাব্বানীর বান্ধবী? গোয়েন্দাদের নজরদারিতে রয়েছে সেই মেয়ে। এরই মধ্যে সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা রাব্বানীর এই বান্ধবীর ব্যাপারে খোঁজ খবর নিতে শুরু করেছে।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাব্বানীর এই বান্ধবী রাজধানীর হলি ফ্যামিলি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী। এই শিক্ষার্থী রাব্বানীর নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত। অনেক টেন্ডারে রাব্বানীও তার সহযোগী। বাংলাদেশ প্রতিদিন

‘মেয়েরা ছোট পোশাক না পরে গা ঢাকা পোশাক পরলে ভালো ঘরে বিয়ে হয়’
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পোশাকে বিধি নিষেধ। কলেজ চত্বরে নিষিদ্ধ ছোট স্কার্ট, জিনস। পরতে হবে লম্বা কুর্তি। কুর্তির দৈর্ঘ্য যেন হাঁটু ছাড়িয়ে যায়। এমনই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারতের হায়দরাবাদের সেন্ট ফ্রান্সিস কলেজ কর্তৃপক্ষ।

মেয়েদের এই কলেজে গত ১ আগস্ট থেকে এই নিয়ম চলছে। নিয়মের বিরোধিতা করে যেসব ছাত্রীরা তাদের পছন্দ মতো জামাকাপড় পড়ে আসছেন, তাদের কাউকেই ক্লাসে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। এমনকি কলেজ চত্বরেও থাকতে দেওয়া হচ্ছে।

এই নির্দেশিকা জারি করার সময় কলেজ কর্তৃপক্ষ ক্লাসে ক্লাসে গিয়ে প্রচার করে এসেছে, ‘‌লম্বা লম্বা কুর্তি পরলে বিয়ের জন্য ভাল ভাল প্রস্তাব আসে।’‌ একথাই জানিয়ে ওই কলেজের এক ছাত্রী ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন।

তাতে জানোবিয়া টুম্বি নামে ওই ছাত্রী লিখেছেন, ‘‌যেখানে গোটা দেশে মানুষ নারী স্বাধীনতার কথা বলছে, সেখানে কলেজ কর্তৃপক্ষের এই বিধিনিষেধ নারী স্বাধীনতাকে খাটো করছে। একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্তৃপক্ষের এই আচরণ একেবারেই কাম্য নয়। যদি কোনও ছাত্রী ছোট কুর্তি পরে আসে, তাকেই ধরে ধরে অপমান করা হচ্ছে।

এই বিধিনিষেধ ঠিকভাবে মেনে চলা হচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য একজন মহিলা রক্ষী রাখা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের নির্দেশ না মানলে রীতিমতো হেনস্থা করা হচ্ছে ছাত্রীদের।’ নতুন ড্রেস কোডের বিরুদ্ধে সোমবার গোটা কলেজ চত্বর জুড়ে প্রতিবাদের ডাক দিয়েছেন ছাত্রীরা।‌ ‌