ঢাকা, আজ বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১

সব বিতর্ক ছুঁড়ে ফেলে তিনি ছুটছেন শান্তির খোঁজে! এবার অভিনয় সংক্রান্ত সব পোষ্ট ডিলিট করলেন জায়রা

প্রকাশ: ২০১৯-০৭-২১ ০৮:৩৩:০৬ || আপডেট: ২০১৯-০৭-২১ ০৮:৩৩:০৬

সমস্ত বিতর্ক ছুঁড়ে ফেলে তিনি ছুটছেন শান্তির খোঁজে! স‍্যোশাল মিডিয়ায় অভিনয় সম্পর্কিত সব পোষ্ট ডিলিট করলেন জায়রা ‘দঙ্গল’ কন্যা জায়রা ওয়াসিম। অল্প সময়ের মধ্যেও তাঁর অসামান্য অভিনয়ের জন‍্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন জায়রা। কিন্তু বিবেকের দংশনে তিনি ছটফট করছেন।তাই রবিবার সকালে তিনি ঘোষণা করেছেন অভিনয় জগৎ থেকে বিদায় নেওয়ার কথা। তার পরেই তিনি সিনেমা সংক্রান্ত সব ছবি নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে ডিলিট করে দিয়েছেন। ট্যুইটার এবং ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে তাঁর সঙ্গে সিনেমা জগতের সম্পর্কিত কোনও ছবি নেই।

তবে পাঁচ বছর হল অভিনয় জগতে পা দেওয়া। কিন্তু এর মধ্যেই আচমকা এমন সিদ্ধান্তে চমকে গিয়েছেন অনেকে। কেউ কেউ বলছেন, সামাজিক চাপেই জাইরা সিনেমা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। কেউ আবার বলছেন, কারণ যাই হোক না কেন জাইরা ওয়াসিমের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানো উচিত।এদিন তিনি লিখেছিলেন, ‘বলিউড আমায় খ্যাতি-অর্থ-প্রতিপত্তি-ভালোবাসা সব দিয়েছে। বদলে কেড়ে নিয়েছে আমার বিশ্বাস, আমার ধর্ম, আল্লাহ-র করুণা। বিশ্বাস করুন, এই জীবন আমি চাইনি। তাই এই পরিণতি মন থেকে একেবারেই মেনে নিতে পারছি না। মনের সঙ্গে সারাক্ষণ যুদ্ধ করতে করতে আমি ক্লান্ত। পাঁচ বছরে বুঝলাম, বলিউড আমার জন্য নয়।’

অভিনেত্রী আরও লিখেছেন, ‘বলিউড আমার ধর্ম নিয়ে, আমার বিশ্বাস নিয়ে, আমার আদর্শ নিয়ে, আল্লাহ-র প্রতি আনুগত্য নিয়ে, আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বারবার কৌতূহল প্রকাশ করেছে, গোপনে রক্তাক্ত হয়েছি। তারপরেও নিজের বিরুদ্ধে গিয়ে সবার বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। আর প্রতি মুহূর্তে বুঝেছি, আমি এই জীবন নিয়ে খুশি নই।’

ফেসবুকে লেখা এই দীর্ঘ পোস্টে জাইরা আরও জানিয়েছেন, মাত্র পাঁচ বছরেই তিনি যেন বেঁচে থাকার মানে হারিয়ে ফেলেছেন। পাঁচ বছর ধরে নিজের সঙ্গে ছলনা করে এসেছেন। এই মিথ্যে অভিনয় আর বয়ে বেড়াতে পারছেন না তিনি। জাইরার মতে, কোরাণে যে শান্তির কথা বলা হয়েছে তা থেকে তিনি যেন বঞ্চিত।

আরো পড়ুন

আলোড়ন ‍সৃষ্টি করলো ডেনমার্কের স্কুলে নামাজ শিক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সম্প্রতি ডেনমার্কের একটি স্কুলে নামাজ পড়া শেখানো নিয়ে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওটিতে দেখা যায় জোব্বা টুপি পরিহিত আফ্রিকান বংশোদ্ভূত একটি বাচ্চা সামনে দাড়িয়ে কিভাবে নামাজ পড়তে হয় তা দেখাচ্ছে আর পেছনে একজন মহিলা শিক্ষক দাড়িয়ে বাকি বাচ্চাদের যাদের বেশিরভাগ জাতিগতভাবে ড্যানিশ, আদেশ দিচ্ছেন তাকে অনুসরণ করার জন্য। স্পুটনিকনিউজভিডিওটি সারা ডেনমার্কে রাজনৈতিক থেকে সাধারণ ড্যানিশ সকলের মাঝে এক বিশাল বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। প্রাথমিকভাবে তারিখ জানা না গেলেও ড্যানিশ টিভি২ নামের একটি চ্যানেল একে ২০১৮ সালের নভেম্বরে করা সাউদার্ন জুটল্যান্ডের ভেলজে পৌরসভার থিয়েরগড স্কুলের একটি ক্লাসের ভিডিও বলে প্রকাশ করে।ক্লাসের ভিডিও করার নিষেধাজ্ঞা সত্তে¡ও এক সুদানি বংশোদ্ভুত বাচ্চার অভিভাবক এটি ভিডিও করেন এবং ইন্টারনেটে আপলোড করেন বলে টিভি২ জানান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গ্রেট হগার্ড ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি প্রকাশিত হওয়ার পর এটি নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করা শুরু হয়। স্কুলের সকল শিক্ষকদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়ার কথাও বলেন অনেকে।কেউ স্কুলটিকে কোরান স্কুল বলেন তো কেউ সম্পুর্ণ স্কুলটিকেই বন্ধ করে দেয়ার কথা বলেন। অভিযোগ করেন এটি ড্যানিশ বাচ্চাদের মৌলবাদী শিক্ষা দিচ্ছে। রাজনৈতিকভাবেও নানা ধরণের আলোচনা সমালোচনা হয়েছে এ বিষয়ে।

স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায় বিভিন্ন ধরণের জীবনপদ্ধতি সম্পর্কে বাচ্চাদের পরিচিত করতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল এবং স্কুলের সকল শিক্ষক ও কর্মচারীর কাজের উপর তাদের সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তবে ভবিষ্যতে ভিডিও ধারণের ব্যাপারে আরো সতর্কতা অবলম্বন করা হবে।
উল্লেখ্য ইসলাম ডেনমার্কের প্রধান সংখ্যালঘু ধর্ম। ২০১৮এ হওয়া একটি ধারণা অনুযায়ী ডেনমার্কে ৩ লক্ষের বেশী মুসলমান আছেন যা মোট জনসংখ্যার ৫.৩ শতাংশ।