ঢাকা, আজ বুধবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২১

ইসকন নিষিদ্ধের দাবি জানালেন আল্লামা শফী !

প্রকাশ: ২০১৯-০৭-১৯ ২১:০৬:৪১ || আপডেট: ২০১৯-০৭-১৯ ২১:০৬:৪১

হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেছেন, হিন্দুত্ববাদীদের সংগঠন ইসকন মুসলিম শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করে মুসলিমদের ধর্মীয় চেতনাবোধে মারাত্মক আঘাত করেছে। মুসলমানদের ধর্মীয় বিশ্বাসে হিন্দুদের এসব মন্ত্র মুখে উচ্চারণ করার কোনো প্রকারের বৈধতা নেই।আজ এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী এধরণের কাজ ধর্মীয় অধিকার ও অনুভূতিতে হস্তক্ষেপের শামিল, যা সংবিধান পরিপন্থী ও সুস্পষ্ট সংবিধান লঙ্ঘন। হেফাজত আমীর আরও বলেন,মুসলিম অধ্যুষিত দেশে কোমলমতি মুসলিম শিক্ষার্থীদের হরে কৃষ্ণ হরে রাম, মাতাজি প্রসাদ কি জয় শব্দ উচ্চারণ করিয়ে সুক্ষ্মভাবে ঈমান হরণের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

এদেশে সকল ধর্মের মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করতে এমন ঘৃণ্য কর্মকান্ডে জড়িতদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করে উগ্রবাদী সংগঠন “ইসকন” এর সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ করুন। আল্লামা শফী বলেন, মূলত ইসকন তাদের হীনকর্মকান্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশে সম্প্রীতি বিনষ্টে উস্কানি দিচ্ছে।

ভারতের মতো এদেশেও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে এ উগ্র সংগঠনটি দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় উস্কানীসহ নানাভাবে উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে যাচ্ছে। আমি মনে করি সংগঠনটি বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য হুমকি।

তাই স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় ইসকনকে নিষিদ্ধ করে তাদের সকল কার্যক্রম বন্ধ করতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অন্যথায় এই উগ্র গোষ্টির এহেন কর্মকাণ্ডের জন্য সরকারকেই চরম মূল্য দিতে হবে। আল্লামা আহমদ শাহ শফী কঠোর হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, অনতিবিলম্বে এ ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত স্কুল কর্তৃপক্ষ ও ইসকনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তা নাহলে আমাদের ঈমান আকিদা রক্ষা ও দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুন্ন রাখার স্বার্থে ইসকনসহ এধরনের উগ্রবাদি সংগঠনের কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে হেফাজতে ইসলাম এ দেশের সর্বস্তরের তৌহিদী জনতাকে সাথে নিয়ে বৃহত্তর কর্মসূচী ঘোষনা করতে বাধ্য হবে।

এরদোগানকে ‘ডক্টরেট’ ডিগ্রি প্রদান করলো কির্গিজস্তানের মানাস বিশ্ববিদ্যালয়!কির্গিজস্তানে সফররত তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়িব এরদোগানকে ‘ডক্টরেট’ ডিগ্রি প্রদান করেছে সেদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রেসিডেন্ট এরদোগানের সাথে কিরগিজস্তানের প্রেসিডেন্ট সুরুনবাঈ জেনবিকোভকেও সম্মানসূচক এই ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

প্রেসিডেন্ট এরদোগান ও সুরুনবাঈ জেনবিকোভের একাডেমিক শিক্ষা বিস্তারে অবদানের জন্য উভয়কেই এই গৌরবময় ডিগ্রি প্রদান করে ‘মানাস বিশ্ববিদ্যালয়’। রাজধানী বিশকেকে অবস্থিত মানাস বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি নতুন বিভাগ ও অনুষদ উদ্বোধনকালে প্রতিষ্ঠানটির সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদেরকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়।অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেন, নিশ্চয় তুর্কি-কির্গিজ মানাস বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তরে উন্নীত হয়েছে। আর এরকম বড় একটি প্রতিষ্ঠান আমাকে এরূপ একটি গৌরবময় সম্মান প্রদান করায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। উল্লেখ্য, তুরস্ক কির্গিজস্তান-যৌথ অর্থায়নে নির্মিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি মধ্য এশিয়ার বন্ধু রাষ্ট্রসমূহকে একাডেমিক শিক্ষা সহায়তা প্রদান করার উপর ভিত্তি করে ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২৩ বছর অতিবাহিত করা এই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা প্রযুক্তি এবং আধুনিক মানোন্নয়ন এর দিক দিয়ে স্বতন্ত্র একটি স্থান অর্জন করে নিয়েছে।