ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১

ইস’রাইলের বিরুদ্ধে ওআইসিতে বাংলাদেশের নিন্দা,

প্রকাশ: ২০১৯-০৭-১৮ ১৫:০৪:১৯ || আপডেট: ২০১৯-০৭-১৮ ১৫:০৪:১৯

জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে ইস’রাইলি দখলদারি বাহিনী ফিলিস্তিনিদের ওপর বর্বরোচিত হামলা ও অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে ইসরাইলি বসতি সম্প্র’সারণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ।

ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) নির্বাহী কমিটির এক জরুরি সভায় বুধবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এ নিন্দা জানান।

রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, সৌদি আরবের জেদ্দায় বুধবার ওআইসির এক জরুরি সভায় আরও যোগ দেন রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ, রিয়াদ দূতাবাসের মিশন উপপ্রধান ড. নজরুল ইসলামসহ অন্য কর্মকর্তারা।

সভার শুরুতে ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. রিয়াদ আল মালিকি আল-কুদসে ইসরাইলি আগ্রাসনের সর্বশেষ পরিস্থিতি অবহিত করেন।

সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইব্রাহিম আবদুল আজিজ আল আসাফ সভায় সভাপতিত্ব করেন। ওআইসির মহাসচিব ড. ইউসুফ বিন আহমেদ আল ওথাইমিন ছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন ওআইসির নির্বাহী কমিটির সদস্য বিভিন্ন দেশের মন্ত্রীরা।

সভায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, এ ধরনের কার্যক্রম শুধু মানবিক সংকট বাড়ায় এবং দুটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কার্যকর আলোচনার পথ বন্ধ করে দেয়।

তিনি জেরুজালেমকে রাজধানী করে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।

শাহরিয়ার আলম বলেন, ফিলিস্তিনে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও ইসরাইলি দখলদারিত্ব দূর করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিষয়টি নিয়ে জাতিসংঘের মহাসচিব, সাধারণ পরিষদের সভাপতি, নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির কাছে ওআইসির সদস্যদের উদ্বেগ জানাতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফিলিস্তিনের মানুষের পাশে বাংলাদেশ সরকারের সমর্থন ও সহানুভূতি রয়েছে এবং এ ব্যাপারে বাংলাদেশের সংবিধানে বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিকতা ও সহানুভূতি প্রদর্শন করে সীমিত সম্পদ সত্ত্বেও বাংলাদেশে ১২ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়েছেন।

ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহানুভূতির কারণে এ পরিস্থিতিতেও জাতিসংঘের ফিলিস্তিনবিষয়ক ত্রাণ সহায়তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বছর ৫০ হাজার মার্কিন ডলার সহায়তা দেন।

আরো সংবাদ

এরদোগানকে ‘ডক্টরেট’ ডিগ্রি প্রদান করলো কির্গিজস্তানের মানাস বিশ্ববিদ্যালয়!

কির্গিজস্তানে সফররত তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়িব এরদোগানকে ‘ডক্টরেট’ ডিগ্রি প্রদান করেছে সেদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রেসিডেন্ট এরদোগানের সাথে কিরগিজস্তানের প্রেসিডেন্ট সুরুনবাঈ জেনবিকোভকেও সম্মানসূচক এই ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

প্রেসিডেন্ট এরদোগান ও সুরুনবাঈ জেনবিকোভের একাডেমিক শিক্ষা বিস্তারে অবদানের জন্য উভয়কেই এই গৌরবময় ডিগ্রি প্রদান করে ‘মানাস বিশ্ববিদ্যালয়’। রাজধানী বিশকেকে অবস্থিত মানাস বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি নতুন বিভাগ ও অনুষদ উদ্বোধনকালে প্রতিষ্ঠানটির সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদেরকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেন, নিশ্চয় তুর্কি-কির্গিজ মানাস বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তরে উন্নীত হয়েছে। আর এরকম বড় একটি প্রতিষ্ঠান আমাকে এরূপ একটি গৌরবময় সম্মান প্রদান করায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। উল্লেখ্য, তুরস্ক কির্গিজস্তান-যৌথ অর্থায়নে নির্মিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি মধ্য এশিয়ার বন্ধু রাষ্ট্রসমূহকে একাডেমিক শিক্ষা সহায়তা প্রদান করার উপর ভিত্তি করে ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২৩ বছর অতিবাহিত করা এই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা প্রযুক্তি এবং আধুনিক মানোন্নয়ন এর দিক দিয়ে স্বতন্ত্র একটি স্থান অর্জন করে নিয়েছে।