ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১

‘আবারো ভারতের মাটিতে কালিমার পতাকা উড্ডীন হবে’

প্রকাশ: ২০১৯-০৭-১৭ ০৯:৪৩:৩৪ || আপডেট: ২০১৯-০৭-১৭ ০৯:৪৩:৩৪

শনিবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগরের যৌথ উদ্যোগ ভারতে মুসলমানদের হ’ত্যা, নি’র্যাতন ও হয়রানী, দেশের গ্যাসে মূল্যবৃদ্ধি, খু’ন, ধ’র্ষণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ নগর সভাপতি মুফতি মাছুম বিল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ প্রচার সম্পাদক মুফতি দেলাওয়ার হোসাইন সাকী। বক্তব্য রাখেন জেলা সেক্রেটারি মাওলানা শাহ আলম কাচপুরী, নগর সেক্রেটারি সুলতান মাহমুদসহ জেলা মহানগর আন্দোলন ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুফতি দেলাওয়ার হোসাইন সাকী বলেন, তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র ভারতে নিরপরাধ মুসলমানদের যেভাবে হ’ত্যা করছে তাতে প্রমাণিত হয়েছে ভারত একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র।

মিস্টার নরেন্দ্র মোদিকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, তার পূর্বপুরুষ রাজা দাহির মুসলমানের উপর নি’র্যাতনের কারণে সাত শত চার খ্রিস্টাব্দে কালিমার পতাকা উড্ডীন হয়েছিল মুহাম্মদ ইবনে কাসিম এর মাধ্যমে।

ভারতে আবার কালিমার পতাকা উঠবে; মুহাম্মদ বিন কাসিমের উত্তরসূরীরা প্রস্তুতি নিচ্ছে! আগামী ৩০ তারিখ ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে স্মারকলিপি পেশের কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছেন মুহতারাম আমীর পীর সাহেব চরমোনাই।

অবিলম্বে মুসলিম নি’র্যাতন বন্ধ না হলে ভারত অভিমুখে লংমার্চ করা হবে।
প্রচণ্ড বৃষ্টি, হাঁটু পানি অতিক্রম করে নারায়ণগঞ্জ শহরের অলিতে গলিতে নারে তাকবির ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হয়!

এবার ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন ঘানার এমপি কেনেডি আগায়াপং

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানার (Ghana) সংসদ সদস্য (এমপি) কেনেডি আগায়াপং ইসলামধর্ম গ্রহণ করেছেন। ইসলামে দীক্ষিত হওয়ার পর নিজের নাম পরিবর্তন করে তিনি ‘শেইখ উসমান’ রেখেছেন।

ইসলামকে শান্তি-সুখের ধর্ম হিসেবে আবিষ্কারের পর তিনি ধর্ম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন। খবর ঘানা ওয়েবের। কিছুদিন তিনি পাকিস্তানে ছিলেন। সে সময় মুসলিম বন্ধুদের সঙ্গে বসবাস করে সম্পূর্ণরূপে বিশ্বাস করেছিলেন যে,

এই ধর্ম প্রকৃতপক্ষে শান্তির ধর্ম এবং মানবিক গুণাবলি বিকাশে উৎসাহিত করে। এই অভিজ্ঞতা তাকে কাজে দিয়েছে। সংবাদমাধ্যমকে সাবেক কেনেডি আগায়াপং জানান,

২০১২ সালে তাকে গ্রেফতারের পর মুসলমানদের প্রতি তার গভীর প্রেম বিকাশ পেয়েছিল। যখন কিছু মুসলিম যুবক দোয়া-প্রার্থনার মাধ্যমে তার মুক্তি কামনায় বিভিন্ন রকমের চেষ্টা করেছিলেন।

সে সময় কিছু মুসলিম যুবক এবং নারী-পুরুষ উভয়েই পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে কয়েক মিটার দূরে তার মুক্তির জন্য গুরুত্ব সহকারে ইবাদত-দোয়া করেছিলেন। তখন তিনি ইসলামের প্রতি আরো গভীরভাবে আকৃষ্ট হন।

ঘানা ওয়েবের নেট-২ টিভির একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যখন আমি সাঁজোয়া গাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসি, পুলিশ সদর দপ্তরের সামনে আমার মুক্তির জন্য অনেক মুসলিমকে ইবাদত-প্রার্থনা করতে দেখেছি। এতে আমি ইসলামের প্রতি প্রীত ও তাড়িত হই।