ঢাকা, আজ মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২১

২০৭০ সাল থেকে পুরো বিশ্ব দখলে নেবে মুসলমানরা : রিসার্চ সমীক্ষা

প্রকাশ: ২০১৯-০৭-১৬ ২১:০৪:৪৪ || আপডেট: ২০১৯-০৭-১৬ ২১:০৪:৪৪

২০৭০ সাল থেকে পুরো বিশ্ব দখলে নেবে মুসলমানরা! আগামী ৫০ বছর পর বিশ্বে ইসলাম ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা অন্যান্য ধর্মাবলম্বীর থেকে অনেক বেশি হবে। বিশ্বখ্যাত সমীক্ষা সংস্থা পিউ রিসার্চ সেন্টারের এক সমীক্ষায় এমনই তথ্য উঠে এসেছে।

পিউ রিসার্চ সেন্টারের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে খ্রিস্টধর্ম বিশ্বের বৃহত্তম ধর্ম হলেও ২০৭০ সালের মধ্যে ইসলামই হবে বৃহত্তম ধর্ম। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০১০ সালে বিশ্বে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা ছিল ২২০ কোটি। এটা তখনকার মোট জনসংখ্যা ৬৯০ কোটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।

এ সময় মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ১৬০ কোটি, যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২৩ ভাগ। মুসলমানদের মধ্যে জন্মহার বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সালে খ্রিস্টান ও মুসলমান জনসংখ্যা হবে প্রায় সমান সমান। এরপর ২০৭০ সালে খ্রিস্টানদের ছাড়িয়ে যাবে মুসলমানদের সংখ্যা।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইউরোপসহ বিশ্বের বহু অঞ্চলে আগামী বছরগুলোতে দ্রুত ইসলাম ধর্মের অনুসারীর লোকের সংখ্যা বাড়তে থাকবে।

পিউ রিসার্চ সেন্টারের দেওয়া তথ্য বলছে, ২০১০ থেকে ২০৫ এই ৩০ বছরের মধ্যে মুসলমান জনসংখ্যা বাড়বে ৭৩ শতাংশ, যা ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন থেকে বেড়ে হবে ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন। অন্য দিকে, খ্রিষ্টান জনসংখ্যা বাড়বে ৩৫ শতাংশ। একই সময়ে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীর জনসংখ্যা অল্প হলেও বাড়বে।

রোজাই আমার উন্নতির চাবি: ক্রিকেটার হাশিম আমলা

চলছে পবিত্র মাহে রমজান। সারাবিশ্বের মুসলিমরা এসময় আল্লাহ্‌ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য রোজা রাখছেন। প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান আমলাও রোজা রাখেন এবং রোজা অবস্থাতেই তিনি ব্যাট হাতে মাঠে নামেন।এই রোজা রাখাকেই নাকি উন্নতির পথ দেখছেন হাশিম আমলা।

প্রোটিয়া এই ওপেনার তার ক্যারিয়ারে উন্নতির পেছনে এই রোজা রাখাকেই মূল কারণ বলে মনে করছেন। বৃষ্টি বিঘ্নিত দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচ শেষে ৩৬ বছর বয়সী আমলা তার ক্যারিয়ারের স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে এসব কথা বলেন। হাশিম আমলার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্টে ৩১১ রান, যা তিনি এই পবিত্র মাসেই করেন।

রোজায় তার পারফরমেন্সের উন্নতি সম্পর্কে আমলা বলেন, “এটি আসলেই আমার উপর খুব প্রভাব ফেলে। আমি সবসময় রোজা রাখার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকি। রমজান মাসই বছরের শ্রেষ্ঠ মাস। আমার কাছে এটা মানসিক ও আধ্যাত্মিক ব্যায়ামের মতো।

যখন রমজান মাস আসে, আমি আলাদা প্রশান্তি অনুভব করি। ফলে আমার পারফরমেন্স আরো ভালো হয়”। দক্ষিণ আফ্রিকার মূল একাদশে জায়গা পাওয়ার ক্ষেত্রে আমলার ওপর বড় ইনিংস খেলার চাপ ছিল। দুটি প্রস্তুতি ম্যাচের দুটিতেই হাফ সেঞ্চুরির মাধ্যমে দলে নিজের জায়গা মোটামুটি পাকা করে ফেলেছেন।

তার এমন ধারাবাহিকতার পেছনে রোজা রাখাকেই চাবি হিসেবে কাজ করেছে বলে দাবী করেন হাশিম আমলা। রমজান মাস চলাকালীন দক্ষিণ আফ্রিকার ইংল্যান্ড ও বাংলাদেশের সঙ্গে দুটি ম্যাচ রয়েছে। হাশিম আমলাকে আটকাতে বাংলাদেশ প্রস্তুত তো?