ঢাকা, আজ রোববার, ১১ এপ্রিল ২০২১

তুমি কি সৃষ্টিকর্তাকে দেখেছো না দেখলে মানো কেন ? নাস্তিক শিক্ষকের প্রশ্নের উত্তরের ছাত্র যা বললেন

প্রকাশ: ২০১৯-০৭-১৩ ১৮:৫৫:২৫ || আপডেট: ২০১৯-০৭-১৩ ১৮:৫৫:২৫

নাস্তিক প্রফেসরক্লাসে ঢুকেই তার ছাত্রদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন,”পৃথিবীতে যা কিছু আছে সব কি সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন?”একজন ছাত্র বেশ আত্নবিশ্বাসের সাথেই উত্তর দিলো, জ্বী স্যার। সবকিছুই সৃষ্টিকর্তা তৈরি করেছেন।
“তাই নাকি! ছাত্র টির উত্তর শুনে মুচকি হাসেন প্রফেসর। সৃষ্টিকর্তা সত্যিই সবকিছু তৈরি করেছেন? তুমি ভেবে বলছো?”ছাত্র টি আগের মত আত্নবিশ্বাসের সাথে হ্যা বোধক উত্তর দিতেই প্রফেসর আবারও প্রশ্ন করেন, “সৃষ্টিকর্তাই যদি সবকিছু তৈরি করে থাকেন তাহলে উনি তো খারাপ কেও সৃষ্টি করেছেন। তোমার উত্তর অনুযায়ী যেহেতু খারাপের অস্তিত্ব আছে এবং আমরা কি সেটা আমাদের কাজের উপর নির্ভর করেই নির্ধারণ হয়, সেই যুক্তি অনুযায়ী তাহলে সৃষ্টিকর্তা নিজেই খারাপ। কারন আমাদের ভাল-মন্দ সব গুণ উনি তৈরি করেছেন।”

প্রফেসরের এমন কথা শুনে সব ছাত্র চুপ হয়ে গেলো। কেউ কিছু বলছেনা।ছাত্রদের চুপ হয়ে যাওয়া দেখে প্রফেসর নিজের উপর বেশ সন্তুষ্ট হলেন।কিছুক্ষণ পর আরেকজন ছাত্র উঠে দাড়ালো। প্রফেসর আমুদে ভঙ্গীতে জিজ্ঞাসা করেন, কিছু বলতে চাও? ছাত্র টি হাসি মুখে প্রফেসরের কাছে জানতে চায়, “আপনাকে একটা প্রশ্ন করতে পারি স্যার?”অবশ্যই করতে পারো। প্রফেসর অনুমতি দিতেই ছাত্র টি জিজ্ঞাসা করে- “স্যার, ঠান্ডা বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব আছে কি?”???প্রশ্ন শুনে প্রফেসরের চেহারায় বিরক্তি ফুটে ওঠে। “কি গাধার মত প্রশ্ন করো! ঠান্ডার অস্তিত্ব থাকবেনা কেন? অবশ্যই ঠান্ডার অস্তিত্ব আছে। তোমার কি কখনো ঠান্ডা লাগেনি?”এবার ছাত্র টি মুচকি হেসে উত্তর দেয়, সত্যি বলতে কি স্যার, ঠান্ডার কোনো অস্তিত্ব নেই। আমরা যেটাকে ঠান্ডা বলি, পদার্থ বিজ্ঞানের ভাষায় সেটা আসলে তাপের অনুপস্থিতি। আমরা এই “ঠান্ডা’ শব্দ টিকে জাস্ট কম তাপ কিংবা তাপেরঅনুপস্থিতি কে ব্যাখ্যা করার জন্য ব্যবহার করি।কিছুক্ষণ পর ছাত্র টি আবারো প্রশ্ন করে, “স্যার অন্ধকার বলে কিছু কি পৃথিবীতে আছে?”
প্রফেসর উত্তর দেন, কেন থাকবেনা! অবশ্যই অন্ধকারের অস্তিত্ব আছে।

ছাত্র টি সহাস্যে উত্তর দেয়, আপনার ধারণা ভুল স্যার। অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। আমরা আলো কে নিয়ে রিসার্চ করতে পারি, আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ মাপতে পারি, আলোর গতি বের করতে পারি। কিন্তু অন্ধকারের অস্তিত্ব নেই বলেই আমরা অন্ধকার নিয়ে কোনো কিছুই করতে পারিনা। সামান্য একটা আলোক রশ্নি অন্ধকার দূর করতে যথেষ্ঠ, কিন্তু অন্ধকার কখনো আলো কে গ্রাস করতে পারেনা। কারন অন্ধকার বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই, অন্ধকার হচ্ছে আলোর অনুপস্থিতি।ছাত্র টি আবারও প্রশ্ন করে বসে। “স্যার, এবার বলেন খারাপের কি অস্তিত্ব আছে?”প্রফেসর বেশ ক্রুদ্ধস্বরে উত্তর দেন, অবশ্যই আছে। প্রতিদিন কত মানুষ খুন হচ্ছে, অন্যায় হচ্ছে, এগুলো খারাপ না?”ছাত্র টি বেশ জোরের সাথে উত্তর দেয়, “না স্যার। খারাপের কোনো অস্তিত্ব নেই, এটা হচ্ছে ভালোর অনুপস্থিতি। এটা সেই ঠান্ডা এবং অন্ধকারের মতই, মানুষের অন্তরে সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভালবাসার অনুপস্থিতিই এই খারাপ বা মন্দের অবস্থা তৈরি করে।

প্রায় ৩২বছর আগে মারা গিয়েছিলো, যেমনি মারা গেছে তেমনি রয়ে গেছে

মজিলে দয়াল নবীজীর প্রেমে,, মাটি তোমায় খাবে না,, এই আশেকে রাসুলটি পাকিস্তানের, প্রায় ৩২বছর আগে মারা গিয়েছিলো, যেমনি মারা গেছে তেমনি রয়ে গেছে, বৃষ্টির কারণে কবরটা ভেঙ্গে গিয়েছে তাই দ্বিতীয় বারের মতন দাফন দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেদেহটাকে মাটি স্পর্শ করেনি কিন্তু কাফনের কাপড় গুলো মাটিতে নষ্ট হয়ে গেছে তাই নিচের অংশটুকু মাটি দিয়ে সতর ডাকা দিয়ে রেখেছে,, আল্লাহু আকবার
‘সারা জীবন এক পুরুষের সঙ্গে কাটানো কোনও নিয়ম হতে পারে না’

জীবনে এক পুরুষ নয় বরং বহু পুরুষের সহচার্য চান বলি নায়িকা। এক পুরুষের সঙ্গে জীবন কাটানো কোনও নিয়ম হতে পারে না। এটা কারও পছন্দ বিশেষ হতে পারে। কারণ তিনি নিজে বহু পুরুষের সঙ্গে জীবন কাটাতে ইচ্ছুক। মনের কথা গোপন করেননি তিনি। সোজাসাপটাই জানিয়ে দিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে। স্ক্রিনে রাধিকা বরাবরই বেশ সাহসী। এখন তো নেটফ্লিক্সে তার একের পর এক সিরিজ সুপারহিট। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানান যে অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিদিনই তার অনেক রকম পুরুষের সঙ্গে দেখা হয়। এক একজনের প্রতি তার এক একরকম অনুভূতি তৈরি হয়।

তিনি জানিয়েছেন, এতেই মেলে জীবনে ভাল থাকার রসদ। এমন না হলে তো জীবনের মজা হারিয়ে যাবে। নিজেকে এই আকর্ষণগুলো থেকে দূরে রাখা মানে নিজেকে শাস্তি দেওয়া। ‘এক পুরুষের সঙ্গে জীবন কাটানো কোনও নিয়ম হতে পারে না’ রাধিকা কিন্তু বিবাহিত। বিদেশী সঙ্গীতশিল্পী বেনেডিক্ট টেলর তার স্বামী। নায়িকা জানিয়েছেন যে বেনেডিক্টের মতো স্বামী পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। ইদানিং তিনি তুষার কাপুরের সঙ্গে প্রেম করছেন, এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে সেটা যে সত্যি নয়, জানিয়ে দিয়েছেন রাধিকা।

মৃত্যুর আগ মুহূর্তে মা ফাতিমাকে চুপে চুপে রাসূল (সাঃ) যা বলেছিলেন

ত্যেক ব্যক্তিই মৃত্যুর আগে তার আপনজনকে কিছু না কিছু বলে যান। কিংবা অসিয়ত করে যান। তেমনি আল্লাহর রাসূলও (সাঃ) মৃত্যুর আগ মুহূর্তে তাঁর মেয়ে ফাতিমা (রাঃ) ডেকে চুপে চুপে কিছু কথা বলেন যান। সে কথাগুলো কি ছিল? হাদীসে এসেছে- عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، قَالَتْ: دَعَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاطِمَةَ عَلَيْهَا السَّلاَمُ فِي شَكْوَاهُ الَّذِي قُبِضَ فِيهِ، فَسَارَّهَا بِشَيْءٍ فَبَكَتْ، ثُمَّ دَعَاهَا فَسَارَّهَا بِشَيْءٍ فَضَحِكَتْ، فَسَأَلْنَا عَنْ ذَلِكَ فَقَالَتْ: «سَارَّنِي النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ يُقْبَضُ فِي وَجَعِهِ الَّذِي تُوُفِّيَ فِيهِ فَبَكَيْتُ، ثُمَّ سَارَّنِي فَأَخْبَرَنِي أَنِّي أَوَّلُ أَهْلِهِ يَتْبَعُهُ فَضَحِكْتُ» হযরত আয়শা রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ মৃত্যু-রোগকালে হযরত ফাতিমা (রাঃ) কে ডেকে আনলেন এবং চুপে চুপে কিছু বললেন, তখন ফাতিমা (রাঃ) কেঁদে ফেললেন; এরপর রাসূল (সাঃ) পুনারায় তাঁকে ডেকে চুপে চুপে কিছু বললেন, তখন তিনি হাসলেন।পরে আমরা এ সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন, রাসূল (সাঃ) যে রোগে আক্রান্ত আছেন এ রোগেই তিনি ইন্তেকাল করবেন। এ কথাটিই তিনি আমাকে গোপনে বলেছেন।তখন আমি কাঁদলাম।আবার তিনি আমাকে চুপে চুপে বললেন, তাঁর পরিবার-পরিজনের মাঝে সর্বপ্রথম আমিই তাঁর সাথে মিলিত হব, তখন আমি হাসলাম। {সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৪৪৩৩, ৪১৭০}

সিজারে বাচ্চা নেওয়ার অপর নাম নীরব মৃ*ত্যু (হাতে সময় থাকলে দুজনেই পড়ুন)

এক নার্স (সেবীকা)হলি ক্রস মেডিক্যালএর চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন ! গত মাসে তার ফুটফুটে পুত্র সন্তান হয় । আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম সিজারে অনেক বাচ্চা ই তো পৃথিবীতে নিয়ে আসলি অপারেশন করে , এখন তোর সিজার কোন চিকিৎসক করবে ?

উত্তরে জানায় , নরমাল ডেলিভারি ‘র জন্য প্রিপারেসন নেওয়া হয়েছে । কারন ! সিজারে বাচ্চা হলে একজন নারী ২য় ,৩য় বার পুনরায় মা হতে গেলে ঝুকি থাকে ৯০.৭ % । অনেক সময়েই বাচ্চার শরীর ছুরি , কাচি লেগে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতি হয় যা আমাদের দেশের চিকিৎসক গন কাউকেই বলেন না ! অর্থের লোভে প্রত্যেক গর্ভবতী মা কে মেডিক্যাল চেকাপ এর আগে থেকে ই বলে রাখা হয় সিজারে বাচ্চা নিতে হবে অন্যথায় ! মৃ*ত্যু ঝুঁকির ভয় দেখানো হয় । জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিসয়ক সংস্থা WHO জানিয়েছে একটি দেশে ‘র ১৫% মেয়ে যদি একান্তে ই না পারে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া তে বাচ্চা নিতে , সে ক্ষেত্রে সিজার করাতে হবে ।

আমার দেশে বর্তমান সিজারে বাচ্চা হচ্ছে সে অনুপাতে ৯৭.৩% যা নারী স্বাস্থ্য’র জন্য ঝুঁকিপূর্ণ । এই সিজারে বাচ্চা নিতে গেলে যেমন মা মারা যায় বেশীরভাগ সময় তেমনি ক্ষতি হয় নব জন্ম নেওয়া শিশুটির । সিজারে হওয়া বাচ্চা অনেক বেশী অসুস্থ থাকে একটু খেয়াল করে দেখবেন, যা নরমালে হওয়া বাচ্চাদের হয় না খুব একটা । প্রতি বছর সিজারে বাচ্চা হতে গিয়ে মারা যায় আমাদের দেশে ২৭.৯% মা ,শিশু । এই ছারাও সিজার অপারেশনে রোগীর জন্য রক্ত চাওয়া হয় অনেক সময় ই ১০-১৫ ব্যাগ , যার মধ্যে বড় জোর ২ ব্যাগ রক্ত কাজে লাগিয়ে অন্যগুলো বিক্রি করা হয় । সামাজিক স্ট্যাটাস হয়ে গেছে এখন সিজারে বাচ্চা নেওয়া ! যা বর্তমান নারী দেহ কে ধ্বংস করে দিচ্ছে নীরবে,
চিকিৎসকরা সবই জানেন , বুঝেন কিন্তু হাঁসপাতালের মালিক দের খুশী রাখতে এবং নিজেদের অর্থনীতি কে শক্তিশালী করতে তারা করেন নারীর পেট কাঁটা বিজনেস ।

সুত্রঃ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ,পিজি হাঁসপাতালের গাইনি বিভাগের অধ্যাপক। ডাক্তার এবং হাসপাতাল মালিকদের এই ঘৃণ্য বিজনেস এর বিরুদ্ধে সঙ্গবদ্ধ সামাজিক আন্দোলন চাই। শেয়ার করে জানিয়ে দিতে পারেন !!! (কপি)