ঢাকা, আজ রোববার, ১১ এপ্রিল ২০২১

পবিত্র কাবা সুরক্ষায় সেনা পাঠাতে প্রস্তুত আছি : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ২০১৯-০৭-১৩ ০২:২১:১৩ || আপডেট: ২০১৯-০৭-১৩ ০২:২১:৪৪

পবিত্র কাবা সুরক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দিয়ে সহযোগিতা করতে বাংলাদেশ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। (৮ জুন, ২০১৬)বুধবার বিকেলে এক জনাকীর্ণ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি সন্ত্রাসবাদ ও উগ্র জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় সৌদি আরবের গৃহীত এই উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী পদক্ষেপ এবং বাংলাদেশ এই জোড়া দানব মোকাবেলার আহ্বানে তাৎক্ষণিক সাড়া দিয়েছে।’

সৌদি নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাস ও জঙ্গি উগ্রবাদ বিরোধী ইসলামিক জোট গঠনকে সময়োপযোগী উদ্যোগ আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বলেছেন, সৌদি আরবের দু’টি পবিত্র মসজিদের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ সকল প্রকার সহযোগিতা, এমনকি সামরিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সম্প্রতি তার বুলগেরিয়া, জাপান ও সৌদি আরব সফরের ফলাফল সম্পর্কে ব্রিফ করতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর দ্বিপক্ষীয় আনুষ্ঠানিক বৈঠককালে তিনি (সৌদি) বাদশাহকে বলেন, বাংলাদেশ সর্বদা সন্ত্রাসবাদ ও উগ্র জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় সহায়তা দেবে। তিনি বলেন, ‘সৌদি আরবের দু’টি পবিত্র মসজিদের নিরাপত্তার জন্য আমরা সকল প্রকার এমনকি সামরিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান জানান দিতে এ পর্যন্ত প্রায় ৪০টি দেশ সৌদি নেতৃত্বাধীন ইসলামিক জোটে যোগদান করেছে।

তিনি বলেন, বিষয়টি মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের যে কোন দেশের যে কোন বিষয়ে সহায়তা করতে পারে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের মুসলমানেরা সৌদি আরবকে ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখেন। সৌদি আরবে মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা.) এর পবিত্র রওজা মোবারকের পাশাপাশি দুটি পবিত্র মসজিদও রয়েছে।

সৌদি আরবে জনশক্তি পাঠানোর বিষয়ে কোন সুসংবাদ আছে কিনা, এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ-সৌদি আরবের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। সৌদি আরব এখন শুধু বাংলাদেশ থেকে জনশক্তিই নেবে না, দেশটি এখন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতেও আগ্রহী। আমি তাদেরকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার আহবান জানিয়েছি এবং তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে ইনশায়াল্লাহ। তারা যেখানে শিল্প স্থাপন করতে চায়, তাদেরকে সেখানেই সুযোগ দেয়া হবে। বিশেষ অর্থনৈতিক জোনে তাদেরকে এই সুযোগ দেয়া হবে, যাতে তারা তাদের উৎপাদিত পণ্য বিশ্বের যে কোন দেশে রফতানি করতে পারে।

শেখ হাসিনা বলেন, এখন বাংলাদেশ শুধু দক্ষ শ্রমিকই পাঠাতে সক্ষম হবে না, চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, টেকনিশিয়ান ও নাসের্র মতো বিভিন্ন সেক্টর থেকে জনশক্তি পাঠানো হবে। শ্রমিকরা এখন চাইলে তাদের স্বামী অথবা পিতাকে সৌদি আরবে নিতেও সহায়তা পাবে।