ঢাকা, আজ সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২১

চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রীকে ধ*র্ষণ চেষ্টা মামলায় গৃহশিক্ষক গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ২০১৯-০৭-১৩ ০১:৪২:২৫ || আপডেট: ২০১৯-০৭-১৩ ০১:৫৫:০১

দেওয়ান আবুল বাশার, স্টাফ রিপোর্টার: মানিকগঞ্জে চতুর্থ শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে ধ*র্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মো. রুবেল ওরফে রোমেল (৩০) নামের এক গৃহশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।দুপুরে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং মেয়েটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।গৃহশিক্ষক মো. রুবেল সদর উপজেলার বেতিলা ইউনিয়নের বাঙ্গরা গ্রামের মৃত তারা মিয়ার ছেলে। গৃহশিক্ষকতা ছাড়াও তিনি বেতিলা দুই নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী ও নৈশপ্রহরী হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।

সদর থানার এস আই হারেজ শিকদার জানান, রুবেল ওই ছাত্রীর গৃহশিক্ষক। প্রতিদিন সন্ধ্যায় তাকে বাড়িতে গিয়ে পড়ান। এই সুযোগে অনেক দিন ধরেই নানা ভাবে তাকে যৌন নিপীড়ন করে আসছিলো। গত ৬ জুলাই প্রাইভেট পড়ানোর সময় ওই ছাত্রীকে ধ*র্ষণের চেস্টা করে গৃহশিক্ষক। এসময় মেয়েটি ঘর থেকে দৌড়ে বের হয়ে যায়ঘটনা কাউকে না জানাতে ওই ছাত্রীকে ভয়-ভীতি দেখায় রুবেল। বুধবার প্যান্টে রক্ত দেখে ওই ছাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার খালা। পরে তার কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলে মেয়েটি। এরপরই তার মা-বাবাও বিষয়টি জানাতে পারেন। এঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পালিয়ে যাওয়ার সময় রুবেল ওরফে রোমেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

খাবারের লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধ*র্ষণ

চুয়াডাঙ্গায় প্রথম শ্রেণির শিশুকে ধ*র্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার ওই এলাকায় একটি শিশুকে খাবারের লোভ দেখিয়ে নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষ*ণ করে বখাটে আব্দুল মালেক। এতে অসুস্থ হয়ে পড়লে মেয়েটিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা। থানায় অভিযোগ দায়ের করে শিশুটির পরিবার। এ ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

নারীকে রাতভর গণধ*র্ষণ, থানা থেকে বের করে দিলেন ওসি!

মাগুরায় এক নারী রাতভর গণধ*র্ষণের শিকার হয়েছেন। এমন অভিযোগ নিয়ে ওই নারী শ্রীপুর থানায় মামলা করতে গেলে ওসি ভয় দেখিয়ে থানা থেকে বের করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গণধ*র্ষণের শিকার ওই নারী জানিয়েছেন, ২৮ জুন রাতে তার স্বামী পেশাগত কাজে প্রয়োজনে ফরিদপুর জেলায় গিয়েছিলেন। শিশু সন্তানকে নিয়ে তিনি ঘুমাচ্ছিলেন। এমন সময় একই গ্রামের দিপুল নামে পরিচিত এক যুবক দরজায় কড়া নাড়লে তিনি দরজা খুলে দেন। কিন্তু দিপুল একই গ্রামের মাজেদুল ও আশরাফুল নামে আরও দুই যুবককে নিয়ে ঘরে ঢুকে তাকে পালাক্রমে ধর্ষ*ণ করেন।

কোনো এক ব্যক্তির সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে এমন অভিযোগ তুলে ধ*র্ষণকারী ওই তিন যুবক লকার ভেঙে জমির কাগজপত্র, কানের দুল এবং ব্যাংকের দুটি ব্ল্যাঙ্ক চেকে অস্ত্রের মুখে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে যায়।

সকালে ওই গৃহবধূ এ ঘটনায় মামলা করতে শ্রীপুর থানায় যায়। থানার ওসি মাহবুবুর রহমান মামলা না নিয়ে তাকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বসিয়ে রাখেন। এমনকি ডাক্তারি পরীক্ষার অনুরোধ জানালেও তিনি সেই ব্যবস্থা না করে ভয় দেখিয়ে তাকে থানা থেকে বের করে দেন।

শ্রীপুর থানার ওসি মো. মাহবুবুর রহমান বলেছেন, তিন যুবক ঐ নারীকে ধ*র্ষণ করেনি। ওই নারীর সঙ্গে তার স্বামীর এক বন্ধুর সম্পর্ক আছে। যে ঘটনা জানতে পেরে ওই যুবকরা রাতে তার কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেছিল বলে জানা যায়। তবে ওই নারী ধ*র্ষণের অভিযোগ নিয়ে থানায় এলেও কোনো সত্যতা না পাওয়ায় মামলা নেওয়া হয়নি। কোনো ডাক্তারি পরীক্ষার প্রয়োজন হয়নি। ওই নারী তার স্বামীর সঙ্গে থাকেন। তিনি ধ*র্ষণের শিকারই হননি। তাই পরীক্ষা করারও কোনো দরকার ছিল না।

‘সারা জীবন এক পুরুষের সঙ্গে কাটানো কোনও নিয়ম হতে পারে না’

জীবনে এক পুরুষ নয় বরং বহু পুরুষের সহচার্য চান বলি নায়িকা। এক পুরুষের সঙ্গে জীবন কাটানো কোনও নিয়ম হতে পারে না। এটা কারও পছন্দ বিশেষ হতে পারে। কারণ তিনি নিজে বহু পুরুষের সঙ্গে জীবন কাটাতে ইচ্ছুক। মনের কথা গোপন করেননি তিনি। সোজাসাপটাই জানিয়ে দিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে। স্ক্রিনে রাধিকা বরাবরই বেশ সাহসী। এখন তো নেটফ্লিক্সে তার একের পর এক সিরিজ সুপারহিট। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানান যে অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিদিনই তার অনেক রকম পুরুষের সঙ্গে দেখা হয়। এক একজনের প্রতি তার এক একরকম অনুভূতি তৈরি হয়।

তিনি জানিয়েছেন, এতেই মেলে জীবনে ভাল থাকার রসদ। এমন না হলে তো জীবনের মজা হারিয়ে যাবে। নিজেকে এই আকর্ষণগুলো থেকে দূরে রাখা মানে নিজেকে শাস্তি দেওয়া। ‘এক পুরুষের সঙ্গে জীবন কাটানো কোনও নিয়ম হতে পারে না’ রাধিকা কিন্তু বিবাহিত। বিদেশী সঙ্গীতশিল্পী বেনেডিক্ট টেলর তার স্বামী। নায়িকা জানিয়েছেন যে বেনেডিক্টের মতো স্বামী পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। ইদানিং তিনি তুষার কাপুরের সঙ্গে প্রেম করছেন, এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে সেটা যে সত্যি নয়, জানিয়ে দিয়েছেন রাধিকা।

মৃত্যুর আগ মুহূর্তে মা ফাতিমাকে চুপে চুপে রাসূল (সাঃ) যা বলেছিলেন

ত্যেক ব্যক্তিই মৃত্যুর আগে তার আপনজনকে কিছু না কিছু বলে যান। কিংবা অসিয়ত করে যান। তেমনি আল্লাহর রাসূলও (সাঃ) মৃত্যুর আগ মুহূর্তে তাঁর মেয়ে ফাতিমা (রাঃ) ডেকে চুপে চুপে কিছু কথা বলেন যান। সে কথাগুলো কি ছিল? হাদীসে এসেছে- عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، قَالَتْ: دَعَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاطِمَةَ عَلَيْهَا السَّلاَمُ فِي شَكْوَاهُ الَّذِي قُبِضَ فِيهِ، فَسَارَّهَا بِشَيْءٍ فَبَكَتْ، ثُمَّ دَعَاهَا فَسَارَّهَا بِشَيْءٍ فَضَحِكَتْ، فَسَأَلْنَا عَنْ ذَلِكَ فَقَالَتْ: «سَارَّنِي النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ يُقْبَضُ فِي وَجَعِهِ الَّذِي تُوُفِّيَ فِيهِ فَبَكَيْتُ، ثُمَّ سَارَّنِي فَأَخْبَرَنِي أَنِّي أَوَّلُ أَهْلِهِ يَتْبَعُهُ فَضَحِكْتُ» হযরত আয়শা রাঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাঃ মৃত্যু-রোগকালে হযরত ফাতিমা (রাঃ) কে ডেকে আনলেন এবং চুপে চুপে কিছু বললেন, তখন ফাতিমা (রাঃ) কেঁদে ফেললেন; এরপর রাসূল (সাঃ) পুনারায় তাঁকে ডেকে চুপে চুপে কিছু বললেন, তখন তিনি হাসলেন।পরে আমরা এ সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন, রাসূল (সাঃ) যে রোগে আক্রান্ত আছেন এ রোগেই তিনি ইন্তেকাল করবেন। এ কথাটিই তিনি আমাকে গোপনে বলেছেন।তখন আমি কাঁদলাম।আবার তিনি আমাকে চুপে চুপে বললেন, তাঁর পরিবার-পরিজনের মাঝে সর্বপ্রথম আমিই তাঁর সাথে মিলিত হব, তখন আমি হাসলাম। {সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৪৪৩৩, ৪১৭০}

সিজারে বাচ্চা নেওয়ার অপর নাম নীরব মৃ*ত্যু (হাতে সময় থাকলে দুজনেই পড়ুন)

এক নার্স (সেবীকা)হলি ক্রস মেডিক্যালএর চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন ! গত মাসে তার ফুটফুটে পুত্র সন্তান হয় । আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম সিজারে অনেক বাচ্চা ই তো পৃথিবীতে নিয়ে আসলি অপারেশন করে , এখন তোর সিজার কোন চিকিৎসক করবে ?

উত্তরে জানায় , নরমাল ডেলিভারি ‘র জন্য প্রিপারেসন নেওয়া হয়েছে । কারন ! সিজারে বাচ্চা হলে একজন নারী ২য় ,৩য় বার পুনরায় মা হতে গেলে ঝুকি থাকে ৯০.৭ % । অনেক সময়েই বাচ্চার শরীর ছুরি , কাচি লেগে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতি হয় যা আমাদের দেশের চিকিৎসক গন কাউকেই বলেন না ! অর্থের লোভে প্রত্যেক গর্ভবতী মা কে মেডিক্যাল চেকাপ এর আগে থেকে ই বলে রাখা হয় সিজারে বাচ্চা নিতে হবে অন্যথায় ! মৃ*ত্যু ঝুঁকির ভয় দেখানো হয় । জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিসয়ক সংস্থা WHO জানিয়েছে একটি দেশে ‘র ১৫% মেয়ে যদি একান্তে ই না পারে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া তে বাচ্চা নিতে , সে ক্ষেত্রে সিজার করাতে হবে ।

আমার দেশে বর্তমান সিজারে বাচ্চা হচ্ছে সে অনুপাতে ৯৭.৩% যা নারী স্বাস্থ্য’র জন্য ঝুঁকিপূর্ণ । এই সিজারে বাচ্চা নিতে গেলে যেমন মা মারা যায় বেশীরভাগ সময় তেমনি ক্ষতি হয় নব জন্ম নেওয়া শিশুটির । সিজারে হওয়া বাচ্চা অনেক বেশী অসুস্থ থাকে একটু খেয়াল করে দেখবেন, যা নরমালে হওয়া বাচ্চাদের হয় না খুব একটা । প্রতি বছর সিজারে বাচ্চা হতে গিয়ে মারা যায় আমাদের দেশে ২৭.৯% মা ,শিশু । এই ছারাও সিজার অপারেশনে রোগীর জন্য রক্ত চাওয়া হয় অনেক সময় ই ১০-১৫ ব্যাগ , যার মধ্যে বড় জোর ২ ব্যাগ রক্ত কাজে লাগিয়ে অন্যগুলো বিক্রি করা হয় । সামাজিক স্ট্যাটাস হয়ে গেছে এখন সিজারে বাচ্চা নেওয়া ! যা বর্তমান নারী দেহ কে ধ্বংস করে দিচ্ছে নীরবে,
চিকিৎসকরা সবই জানেন , বুঝেন কিন্তু হাঁসপাতালের মালিক দের খুশী রাখতে এবং নিজেদের অর্থনীতি কে শক্তিশালী করতে তারা করেন নারীর পেট কাঁটা বিজনেস ।

সুত্রঃ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ,পিজি হাঁসপাতালের গাইনি বিভাগের অধ্যাপক। ডাক্তার এবং হাসপাতাল মালিকদের এই ঘৃণ্য বিজনেস এর বিরুদ্ধে সঙ্গবদ্ধ সামাজিক আন্দোলন চাই। শেয়ার করে জানিয়ে দিতে পারেন !!! (কপি)

Share this: