ঢাকা, আজ রোববার, ১১ এপ্রিল ২০২১

নাইজেরিয়ার শিশুদের পাশে দাঁড়িয়েছেন মেসি; শিক্ষার জন্য নগদ ১০০ কোটি ডলার দান!

প্রকাশ: ২০১৯-০৭-১২ ১৭:০৯:২১ || আপডেট: ২০১৯-০৭-১২ ১৭:০৯:২১

নাইজেরিয়ার শিশুদের শিক্ষার জন্য নগদ ১০০ কোটি ডলার দান করলেন মেসি। এর আগেও অনেক দেশের শিশুদের পাশে দাঁড়িয়েছেন মেসি। কয়েকদিন আগেই নিজের দেশের মানুষের জন্য তার মালিকানাধীন রেস্টুরেন্টের দরজা উন্মুক্ত করে দিয়েছেন মেসি,

এবং কর্মীদের বলেছেন রাস্তায় বসবাসকারী মানুষদের বিনামূল্যে খাবার বিতরণের জন্য। সব ছাপিয়ে আবারও আলোচনায় মেসি। এবার নিজের দেশ নয় বরং নাইজেরিয়ার শিশুদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এই ক্ষুদে জাদুকর।

শিশুদের শিক্ষার জন্য নগদ ১০০ কোটি ডলার দান করলেন তিনি। নিকারাগুয়ার বিপক্ষে জয়ের পর পাওয়া ট্রফিটি নিলামে তুলেছিলেন মেসি এবং বলেছিলেন নিলাম থেকে প্রাপ্ত টাকার পুরোটাই ব্যয় করবেন তিনি-

নাইজেরিয়ার শিশুদের শিক্ষার জন্য। নিলামে তোলা ট্রফিটির দাম উঠে ১০০ কোটি ডলার। এই বিশাল অর্থের পুরোটাই ব্যয় করা হবে নাইজেরিয়ায় স্কুল নির্মাণ এবং ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার উপকরণের পিছনে।

“শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশকে পৃথিবীর শিক্ষক হিসেবে কাজ করতে হবে”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন, সম্প্রতি জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশ সুনাম অর্জন করেছে। একইভাবে সহিংসতা প্রতিরোধ ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশকে পৃথিবীর শিক্ষক হিসেবে কাজ করতে হবে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে বৃহস্পতিবার ‘সহিংস উগ্রবাদ থেকে যুবসমাজকে প্রতিরোধে সুধী সমাজের করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। ভলান্ট্যারি অ্যাসোসিয়েশন ফর ফ্যামেলি ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (ভাফুসড) এ কর্মhhhশালার আয়োজন করে।

ভাফুসডের প্রধান নির্বাহী ডা. আবদুল কাইয়ুম লস্করের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরও অংশ নেন মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান মুকুল, তেজগাঁও কলেজের ইংরেজি বিভাগের লেকচারার মাজহারুর ইসলাম, ভাফুসড প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মো. জসীম উদ্দিন আকন্দ প্রমুখ।

ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, শুধু বাংলাদেশই নয়, মাদার তেরেসা সারা জীবন শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছেন। তিনি শব্দের দিক থেকেও সহিংসতা প্রত্যাহার করতেন। দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে হিন্দু, মুসলিম,

বৌদ্ধ, খ্রিস্টানের রক্ত এক স্রোতে বয়ে গেছে। সেখানে ধর্মের নামে বিদ্বেষ তৈরি হতে পারে না। সহিংসতা প্রতিরোধে বাংলাদেশকে বিশ্বের রোল মডেল হতে হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারা জীবন শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছেন।

বঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর রাজনীতি করতেন বঙ্গবন্ধু। কারণ তিনি জানতেন, হতাশাগ্রস্ত মানুষই বিপথে যায়। তিনি বলেন, তোমার মহত্ব অন্যের ওপর নির্ভর করে না। তোমার মহত্ব অন্যের ওপর নির্ভর করে না।

মহত্ব নির্ভর করে তুমি গতকালের চেয়ে আজ কতটা ভালো, তার ওপর। নতুন প্রজন্মকে নিয়ে সম্প্রীতির বাংলাদেশ তৈরি করতে হবে। প্রতিটি মানুষকেই তার নিজ নিজ স্থান থেকে শিক্ষক হতে হবে।