ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১

৩৮ দিন ধরে প্রতি রাতে পুত্র-বধূ-কে ধ-র্ষ-ণ করতো শ্বশুর!

প্রকাশ: ২০১৯-০৭-১২ ১২:১৮:১০ || আপডেট: ২০১৯-০৭-১২ ১২:১৮:১০

শরীয়তপুরের সখিপুরে ৩৮ দিন ধরে শ্বশুরের যৌ-ন লালসার শিকার হয়েছেন এক পুত্রবধূ। এ ঘটনায় জড়িত শ্বশুর গিয়াস উদ্দিন ঢালীকে সোমবার গ্রেফতার করেছে পুলিশ।এর আগে রোববার রাতে ধ-র্ষণের শিকার পুত্রবধূ বাদী হয়ে সখিপুর থানায় মামলা করেন। গ্রেফতারকৃত গিয়াস উদ্দিন ঢালী (৫৫) সখিপুর থানার চরপাইয়াতলী বেলায়েত হোসেন সরদারকান্দি গ্রামের মৃত সোনামিয়া ঢালীর ছেলে।পুত্রবধূ বলেন, ২০১৭ সালে গিয়াস উদ্দিন ঢালীর ছেলের সঙ্গে পারিবারিকভাবে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর কাজের উদ্দেশ্যে আমার স্বামী ঢাকা চলে যান। কাজের জন্য ঢাকায় থাকেন স্বামী। বাড়িতে একই ঘরে থাকি আমরা সবাই। গত ২৮ মে রাতে শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেবর এক খাটে শুয়েছিল। খাটের পাশে মাটিতে বিছানা করে ঘুমিয়ে ছিলাম আমি।

তিনি বলেন, ওই দিন ঘুমানো অবস্থায় গভীর রাতে আমার মুখ চেপে ধরে কেউ একজন, চোখ মেলে দেখি শ্বশুর গিয়াস উদ্দিন ঢালী আমার বুকের ওপর। চিৎকার করতে চাইলে মুখ চেপে ধরে গিয়াস উদ্দিন। সেই সঙ্গে মে-রে ফেলার হুমকি দিয়ে আমাকে ধ-র্ষণ করে। এরপর ২৮ মে রাত থেকে শুরু করে ৬ জুলাই পর্যন্ত প্রায় রাতে আমাকে ধ-র্ষণ করেছে শ্বশুর গিয়াস উদ্দিন। খুন হওয়ার ভয়ে ও চোখ লজ্জায় কাউকে বিষয়টি জানাতে পারিনি আমি। অবশেষে উপায় না পেয়ে রোববার রাতে থানায় মামলা করেছি আমি।সখিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক বলেন, পুত্রবধূ মামলা দায়েরের পর শ্বশুর গিয়াস উদ্দিন ঢালীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ধ-র্ষণের শিকার নারীর ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়েছে।

শিশু-ধ*র্ষণের সময় ধরা পড়ে বৃদ্ধ বললেন, ছেড়ে দে বাপ নামাজ পড়তে যামু (ভিডিও)

বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে তা ঠিক। কিন্তু উন্নতির সঙ্গে এদেশের মানুষের নীতি নৈতিকতার কতটা উন্নতি ঘটছে তা প্রশ্নবিদ্ধ। আমাদের পত্রিকার কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোয় চোখ ফেললেই হাজির হয় কতশত সমস্যা।ইদানিংকালে আমাদের দেশে পত্র-পত্রিকায় ফলাওভাবে একটি ইস্যু নিয়ে লিখা হচ্ছে। তা হচ্ছে ধর্ষণ। ধষর্ণ এতটাই মহামারী আকার ধারণ করেছে যার হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না বৃদ্ধ থেকে শুরু করে ছোট্ট শিশুরা। ঠিক তেমনই একটি ভিডিও আজ সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

যাতে দেখা যায়, ছোট্ট একটি শিশুকে এক বৃদ্ধ লোভ দেখিয়ে কাশবাগানে নিয়ে ধ*র্ষণের চেষ্টা করে। পরে তাতে বাঁধা দিতে সক্ষম হয় একদল যুবক।বৃদ্ধকে পাকড়াও করার পর ছোট্ট ওই শিশুকে বলতে শোনা যায়, ‘এই বুইড়া আমাকে আনছে। আইসা এমন করছে। আমি আমার আম্মারে কইয়া দিমু।পরে জবানবন্দীতে ওই বৃদ্ধকে বলতে শোনা যায় , ‘বাবা ছেড়ে দাও আমারে। আমি নামাজ পড়তে যামু।’এরপর মেয়েটা ভয়ে কান্না শুরু করেন। অন্যদিকে বৃদ্ধকে আটক করে যুবকেরা।

আমাদের যা আছে পৃথিবীর অনেক দেশেই নেই

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সারা বিশ্বে পর্যটন একটি বর্ধনশীল খাত। এ ব্যাপারে আমাদের পিছিয়ে থাকা চলবে না। এ খাতকে সমৃদ্ধ করতে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশকে আকৃষ্ট করে তুলতে হবে। আমাদের যেসব ঐতিহ্য এবং কালচার আছে সেগুলোকে আরও ভালোভাবে উপস্থাপন করে পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হবে। আমাদের যা আছে তা পৃথিবীর অনেক দেশেই নেই।’

বৃহস্পতিবার সকালে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল ঢাকায় ‘ঢাকা ইজ দ্য ওআইসি সিটি ট্যুরিজম ২০১৯’ দু’দিনব্যাপী ওআইসির অফিসিয়াল সেলিব্রেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।

তিনি বলেন, আমাদের রয়েছে ৮০ মাইল লম্বা সমুদ্র সৈকত যা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে নেই। সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার, সুন্দরবন ছাড়াও আমাদের রয়েছে অনেক প্রাচীন ও প্রত্নতত্ত্ব এবং ইসলামিক স্থাপনা। বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে প্রাচীন শহর ঢাকা অবস্থিত।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওআইসি রাষ্ট্রসমূহের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমরা একসঙ্গে থেকে নিজ নিজ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করব। সবার সঙ্গে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে কাজ করব। কারো সঙ্গে কোনো সমস্যা হলে নিজেরাই সমাধান করব।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেসরকারি বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী। এ ছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, বেসরকারি বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ওবায়দুল মুক্তাদির বক্তব্য দেন। আরও বক্তব্য দেন ওআইসির সহকারী মহাসচিব মুসা ইলিকায়া। স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিবুল হক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের ঢাকায় আছে আহসান মঞ্জিল, লালবাগের কেল্লা, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, হোসনি দালান, আমাদের মসলিন, জামদানি, ঢাকার বাকরখানি, পুরান ঢাকার রোজ গার্ডেন, বায়তুল মোকাররম মসজিদ, ইকোপার্ক, সাফারি পার্ক, ইত্যাদি। পর্যটকরা বাংলাদেশে এসে এগুলো উপভোগ করতে পারেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ তৈরি করা হয়েছিল কাবা শরিফের আদলে। পরবর্তীতে আমরা প্রয়োজনে এটাকে আরো বর্ধিত করি। সে সময় সৌদি বাদশা বায়তুল মোকাররমের উন্নয়নের জন্য সহযোগিতা করেছিলেন।

তিনি বলেন, ‘ইসলামিক পর্যটনকে বাণিজ্য হিসেবে গড়ে তুলতে হলে বেসরকারি খাতকে উৎসাহ প্রদান করতে হবে। এ ছাড়া ভিসা সহজীকরণ করা, ব্র্যান্ডিং করতে হবে। হালাল খাদ্য ইসলামিক পর্যটকদের আকৃষ্ট করবে। পর্যটন খাতের উন্নয়নের জন্য আমরা ২০১০ সালে নীতিমালা প্রণয়ন করেছি। সারাদেশে বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে তুলছি।

কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিণত করা হয়েছে। এছাড়া সেখানে ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ফুটবল স্টেডিয়াম করা হয়েছে। প্রয়োজনে পর্যটকদের জন্য সেখানে আরও ভালো স্থাপনা নির্মাণ করা হবে। যে স্থাপনায় থাকবে আন্তর্জাতিকমানের হল রুম। কক্সবাজারের মতো এত সুন্দর সি বিচ পুথিবীর কোথাও নেই। তিনি পর্যটকদের বাংলাদেশ ভ্রমণ করার জন্য আহ্বান জানান।