ঢাকা, আজ শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০

আয়ের চেয়ে ব্যয় ৩ গুণ বেশি বিএনপির

প্রকাশ: ২০২০-০৮-২৬ ২২:২৭:৫৯ || আপডেট: ২০২০-০৮-২৬ ২২:২৭:৫৯

টানা তিন বছর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) তহবিলে কয়েক কোটি টাকার উদ্বৃত্ত থাকলেও গত বছর আয়ে ধস নেমেছে, ব্যয় হয়েছে তিন গুণেরও বেশি।

মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ২০১৯ সালের আয়-ব্যয়েরnull

null

null যে বার্ষিক বিবরণী জমা দিয়েছে দলটি, তাতে গত বছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে আয় দেখানো হয়েছে ৮৭ লাখ ৫২ হাজার টাকা। অপরদিকে এই সময়ে ব্যয় হয়েছে ২ কোটি ৬৬ লাখ ৮৬ হাজার টাকা।null

null

null

বেলা ১২টায় বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ইসিতে গিয়ে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আলমগীর কবিরের কাছে যে হিসাব বিবরণী জমা দিয়েছেন তাতে আয়-ব্যয়ের এ চিত্র উঠে এসেছে।

হিসাব বিবরণীতে দলীয় সদস্যের চাঁদা, মনোনয়নপত্র বিক্রি ও অনুদানnull

null

null থেকে আয় দেখানো হয়েছে ৮৭ লাখ ৫২ হাজার ৭১০ টাকা। আর দলের কার্যালয়ে কর্মরত স্টাফদের বেতন-ভাতা, বিভিন্ন বিল পরিশোধ, পোস্টার ছাপানো, ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি বাবদ মোট ব্যয় দেখানো হয়েছে ২ কোটি ৬৬ লাখ ৮৬ হাজার ১৩৭ টাকা। আয়ের তিন গুণের বেশি ব্যয়ের ওই অর্থ null

null

nullকোথা থেকে মেটানো হয়েছে, সে বিষয়ে হিসাব বিবরণী বলা হয়েছে, দলের ব্যাংক হিসাবে সঞ্চিত অর্থ থেকে এই ব্যয় মেটানো হয়েছে।

এ সময় রিজভীর সঙ্গে ছিলেন দলের সহ দপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন, নির্বাহী কমিটির সদস্য মাহবুবুল ইসলাম ও হিসাব রক্ষক ওমর ফারুক।
null

null

null
ভোটের বছরে বিএনপির আয় ছিল ১০ কোটি টাকা

২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনের বছরে বিএনপির আয় কয়েক গুণ বেড়ে প্রায় ১০ কোটিতে পৌঁছায়। নির্বাচন কমিশনে তাদের দেওয়া হিসাব বিবরণীর তথ্য মতে, ওই বছর ৯ কোটি ৮৬ লাখ ৫৬ হাজার ৩৮০ null

null

nullটাকা আয়ের বিপরীতে ব্যয় হয় ৩ কোটি ৭৩ লাখ ২৯ হাজার ১৪৩ টাকা। বছর শেষে দলীয় তহবিলে মোট উদ্বৃত্ত ছিল ৬ কোটি ১৩ লাখ ২৭ হাজার ২৩৭ টাকা।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আগের বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব দলগুলোকে ইসিতে জমা দিতে হয়। এবার ৩১ জুলাই ঈদের ছুটি ছিল। তাই আইন অনুযায়ী, ঈদের ছুটি শেষে null

null

nullগত ৩ আগস্ট প্রথম সরকারি কর্মদিবস ছিল হিসাব জমা দেওয়ার শেষ সময়। পরে হিসাব জমা দেওয়ার সময় আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ায় ইসি।

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুযায়ী পর পর তিন বছর দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব null

null

nullজমা না দিলে সংশ্লিষ্ট দলের নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে। বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল রয়েছে ৪১টি।