ঢাকা, আজ বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১

ধ*ষর্ণ কারিদের দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ !

প্রকাশ: ২০১৯-০৭-১১ ০২:০০:৩৫ || আপডেট: ২০১৯-০৭-১১ ০২:০০:৩৫

ধ*ষর্ণ বন্ধ ও তাদের শাস্তির দাবিতে পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করেছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সংগঠন সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ।

আজ সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরর অপরাজেয় বাংলা থেকে শুরু হয় এই কর্মসূচি। পদযাত্রাটি টিএসএসি,দোয়েল চত্বর, মৎসভবন মোড় ও হাইকোর্টোর সামনে দিয়ে প্রদক্ষিণ করে কার্জন হলে আসে। এরপর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে দিয়ে অপরাজেয় বাংলায় গিয়ে শেষ হয়।

এতে যোগ দেন ডাকসুর ভিপি নুরুল হক। সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের শীর্ষস্থানীয় নেতা ও কর্মীরা। বিচারহীনতা দূর করে রেফকারিদের দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি করেন আন্দোলনকারীরা। দেশের মানুষকে এসবের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের আহবান জানান তারা।

বিমানবন্দর থেকেই ব্রিটিশ গায়িকাকে ফেরত পাঠাল ইরান

বিমানবন্দর থেকেই এক ব্রিটিশ গায়িকাকে ফেরত পাঠিয়েছে ইরান।
জোস স্টোন নামের ওই ব্রিটিশ গায়িকা দাবি করেছেন, ইরান সরকার তাকে দেশটিতে প্রবেশ করতে না দিয়ে ফেরত পাঠিয়েছে। পাশাপাশি ইরানের বিমানবন্দরে আটকে রাখার অভিযোগও করেছেন তিনি।

খবর দ্য টেলিগ্রাফের।
বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে দেয়া এক পোস্টে ব্রিটিশ গায়িকা জোস স্টোন জানান, বিশ্ব ভ্রমণের অংশ হিসেবে অন্যান্য দেশের মতোই তিনি ইরান গিয়েছিলেন। তবে দেশটিতে অবস্থানকালে তিনি প্রকাশ্য স্থানে কনসার্ট আয়োজন করতে পারেন; এমন আশংকায় বিমানবন্দরে তাকে আটকে দেয়া হয়।

গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত ব্রিটিশ এ গায়িকার দাবি, তিনি জানতেন যে ইরানে নারীদের একক কনসার্টের অনুমতি দেয়া হয় না। তিনি শুধু দেশটি ঘুরে দেখতে চেয়েছিলেন।
৩ জুলাই ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেন জোস স্টোন। মাথায় সাদা স্কার্ফ পরিহিত ওই ভিডিওতে তিনি বলেন, আমি ইরানে গিয়েছিলাম, সেখানে আমাকে আটক করা হলে আমি ফিরে আসি।

তবে জোস স্টোনকে বিমানবন্দরে আটকে রাখার বিষয়টি অস্বীকার করেছে ইরান। পুলিশকে উদ্ধৃত করে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, তার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং এন্ট্রি পারমিট ছিল না।
৩২ বছর বয়সী ওই গায়িকা ইরানে কীপরিকল্পনায় গিয়েছিলেন তা স্পষ্টছিল না বলেও জানায় দেশটির পুলিশ।

বিশ্ব ভ্রমণের অংশ হিসেবে ২০১৪ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন জোস স্টোন। প্রতিটি দেশেই স্থানীয় শিল্পীদের সঙ্গে নানা আয়োজনে অংশ নেন তিনি।

ধর্ম না বদলে হজে যাব: নুসরাতের উদ্দেশে মুকুল রায়

মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে রথযাত্রায় স্বাীসহ নুসরাত

হিন্দু রীতিতে নিখিল জৈনকে বিয়ে করে সমালোচিত হয়েছেন টালিউড অভিনেত্রী নুসরাত জাহান।

এর পর সিঁদুর লাগিয়ে, মঙ্গলসূত্র পড়ে ভারতের পার্লামেন্টে যাওয়ায় তাকে নিয়ে সমালোচনা তুঙ্গে ওঠে।

বিষয়টি ইসলাম ধর্মে অগ্রহণযোগ্য বলে ফতোয়া জারি করেন দেববন্দের ইমাম। অবশ্য এসব সমালোচনা ও দেওবন্দী ইমামের ফতোয়ার কিছুই ধার ধারছেন না নুসরাত।

নিভিল জৈনের সঙ্গে ইস্তাম্বুলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরে কলকাতায় এসে একের পর বির্তকিত কর্ম-কাণ্ড করেই যাচ্ছেন তিনি। তাও আবার ধর্মীয় আবেগ নিয়ে।

সেই ধারবাহিকতায় এবার বৃহস্পতিবার মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে ইস্কনের রথের রশি টানার হ্দিু ধর্মীয় রীতি পালন করেছেন বসিরহাটের সাংসদ নুসরাত।

তবে এবার রথযাত্রায় নুসরাতের উপস্থিতি নিয়ে মুসলমান নয় প্রশ্ন তুললেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়।

তৃণমূল কংগ্রেসের এই সাবেক নেতার অভিযোগ, হিন্দুদের ভাবাবেগে আঘাত করেছেন মমতা ব্যানার্জি।

এ নিয়ে নিজের যুক্তি দেখান মুকুল।

শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মুকুল রায় বলেন, নুসরাতকে নিয়ে গিয়ে রথের দড়ি টানিয়েছেন মমতা ব্যানার্জি। কারও ধর্মকে আঘাত করতে চাই না। কিন্তু মমতা ব্যানার্জির কাছে আমার একটা প্রশ্ন আছে।

মুকুল রায়ের সেই প্রশ্নটি হলো, আমি আমার ধর্মীয় অবস্থানকে না পাল্টে হজে যেতে চাই। মুখ্যমন্ত্রী ব্যবস্থা করুন।

অর্থাৎ তিনি হিন্দু ধর্মের অনুসারী হয়ে হজ করতে মক্কা যেতে চান, সেটা সম্ভব কি না জিজ্ঞেস করেছেন তিনি।

বস্তুত জবাবটা তার ভালোই জানা। তবে তিনি বোঝাতে চাইছেন, মুসলমান ঘরের মেয়ে হয়ে হিন্দু ধর্মীয় রীতিনীতি কিভাবে মানছেন নুসরাত। এক ধর্মের অনুসারী হয়ে অন্য ধর্মের রীতিনীতি পালন করা অনুচিত ও অগ্রহণীয় বিষয়টাই জানান মুকুল রায়।

বলতে গেলে দেববন্দি ইমামের মতকে অন্যভাগে প্রকাশ করলেন মুকুল রায়।

মুকুল রায়ের এমন তীর্যক বক্তব্যকে ভিত্তিহীন বিষয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

জবাবে নুসরাত বলেন, এই ধরনের বিষয়ে আমি মাথা ঘামাতে চাই না। আমার ধর্ম জানি। জন্ম থেকে আমি মুসলিম। এখনও তাই। এটা বিশ্বাসের ব্যাপার। হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে হবে। ধর্মে এতো যুক্তি খুঁজলে হবে না।

প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবার ইস্কনের রথে আমন্ত্রিত নুসরাত মঙ্গলসূত্র, সিঁদুর ও চুড়ি পরে একেবারে নববধূর সাজে এসেছিলেন। রথযাত্রার আগে তিনি হিন্দু রীতি অনুযায়ী নারিকেল ফাটানো থেকে শুরু করে আমের পাতা দিয়ে চন্দনের পানি ছেঁটানোর রীতিও পালন করেন নুসরাত।