ঢাকা, আজ বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১

বাংলাদেশের সাংবাদিকরা চাপের কারণে সংবাদ ধামাচাপা দেয়, বলছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার

প্রকাশ: ২০১৯-০৭-১১ ০১:৪৬:৪৬ || আপডেট: ২০১৯-০৭-১১ ০১:৪৬:৪৬

গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে স্বাধীন গণমাধ্যমের গুরুত্ব এবং সংবাদকর্মীদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়ার পক্ষে সমর্থন যোগাতে লন্ডনে বুধবার শুরু হচ্ছে দু’দিনের একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন।ব্রিটেন ও ক্যানাডা যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজক।এই সম্মেলনের ঠিক আগ মুহূর্তে লন্ডনে বিবিসি সদর দপ্তরে গিয়ে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ গিয়ে বলে এসেছিলেন, ‘যুক্তরাজ্যের চাইতে বাংলাদেশের গণমাধ্যম স্বাধীন’।
কিন্তু প্রায় একই সময়ে ঢাকায় বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন বললেন উল্টো কথা।তিনি বলেন, “চাপের কারণে তারা (বাংলাদেশের সাংবাদিকরা) সেল্ফ সেন্সর আরোপ করতে বাধ্য হয়। ফলে অনেক ক্ষেত্রে তারা অনেক স্টোরি ধামাচাপা দেয়।”মি. ডিকসনের ওই সাক্ষাতকারটি নিয়েছেন সংবাদদাতা আকবর হোসেন।

‘খালেদা জিয়ার পরামর্শেই ২০ দল, ঐকফ্রন্ট করেছি’

বুধবার (১০ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘জাতীয়তাবাদী প্রগতিশীল গণতন্ত্রের প্রবক্তা মশিউর রহমান যাদু মিয়ার ৯৫তম জন্মবার্ষিকী’ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘খালেদা জিয়ার সঙ্গে আলোচনা ছাড়া আমরা কোনও সিদ্ধান্তই নেই না। ২০ দল গঠন করেছি তার পরামর্শে, ঐকফ্রন্ট করেছি তার পরামর্শ নিয়ে। নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছি তার পরামর্শে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি এখনও মনে করি, বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থে জনগণের যদি কোনও নেতা থাকেন, যিনি বোঝেন জনগণকে, তিনি খালেদা জিয়া।’ তিনি আরও বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে সরকার আটকে রেখেছে কেন? ঠিক সেই সময়টাতে আটকে রেখেছে, যখন নির্বাচন এসে গেছে। কারণ, তিনি বাইরে থাকলে সব মানুষ স্রোতের মতো তার পক্ষে থাকবে। তাকে আটকে রেখেছে এখনও এজন্য যে, তিনি যদি এখন মুক্ত হন, তাহলে তাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে যাবে। যেখানে জামিন পাওয়াটা তার আইনগত প্রাপ্যতা, সেই জমিনটা তারা দিচ্ছে না। কারণ, তারা জানেন তিনি জামিন পেলে তাদের অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকা সম্ভব হবে না।’

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে কাদের সিদ্দিকীর বেরিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে ফখরুল বলেন, ‘এই দুই-একটা লোক বেরিয়ে যাচ্ছে, আসছে, যাবেই। এটা বরাবরই হচ্ছে, হবেই। সবাই তো আর চিরস্থায়ী হয় না।’বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘মানুষকে হতাশ হতে দেবেন না। হতাশার কথা বলবেন না। আমরা যদি সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে ভালোবাসি, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই, মানুষের মুক্তি দেখতে চাই, তাহলে অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’এ আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাহবুবউল্লাহ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ, মশিউর রহমান যাদু মিয়ার মেয়ে রিটা রহমান প্রমুখ।