ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

হার মানল সিনেমার গল্প, খু’ন করে জেলে ঢুকে বোনের ধ’র্ষ’ককে হ’ত্যা

প্রকাশ: ২০২০-০৭-০২ ১৫:১০:৩৮ || আপডেট: ২০২০-০৭-০২ ১৫:১৪:৩৭

৬ বছর আগে এক কিশোরীকে ধ’র্ষণ করে জেলে যায় এক তরুণ। তবে বোনের ধ’র্ষণের প্রতিশোধ নিতেই জেলে যান কিশোরীর বড় ভাইও। আর জেলের ভেতরেই বন্দী সেই ধ’র্ষণকারীকে কু’পিয়ে হ’ত্যা করেন তিনি। এ যেন কোনো এক সিনেমার গল্প। কিন্তু না, ভারতের দিল্লির তিহাড় জেলখানায় এমনই এক হ’ত্যার ঘ’টনা ঘটেছে।
null

null

null
মূলত, তিহাড় জেলে সা’জাপ্রাপ্ত কু’খ্যাত অ’পরাধীরাই থাকেন। সেখানেই ভয়ঙ্কর এ হ’ত্যাকাণ্ড ঘটে গেল। ধাতব বস্তু দিয়ে কু’পিয়ে হ’ত্যা করা হয়েছে বোনের ধ’র্ষণকারীকে। মূলত বোনের ধ’র্ষণের বদলা নিতেই তিনি জেলে ঢোকেন।

সোমবার (৩০ জুন) সকালে তিহাড় জেলের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম মহম্মদ মেহতাব (২৭)। তাকে কু’পিয়ে খুন করেছে ২১ বছরের জাকির।
null

null

null
পু’লিশ সূত্রে জানা গেছে, মেহতাব মূলত নিজামুদ্দিনের বাসিন্দা। দক্ষিণপুরীর বাসিন্দা জাকির। দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিনের পরিচয়। সেই সূত্রে জাকিরদের বাড়িতে যাতায়াত ছিল মেহতাবের। কিন্তু ২০১৪ সালে জাকিরের কিশোরী বোনকে ধ’র্ষণ করে সে। তার জেরে আত্মঘাতী হয় ওই কিশোরী।
null

null

null
সেই ঘটনায় ২০১৪-তেই সাজা হয়ে যায় মেহতাবের। সেই থেকে তিহাড়ে বন্দী ছিল সে। কিন্তু বোনের ধ’র্ষকের প্রতি রা’গ মেটেনি জাকিরের। প্রতিশোধের নেশায় ২০১৮ সালে খু’ন করে তিহাড় জেলে ঢোকে সে। কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ায় সেইসময় জেলের অন্য বিভাগে রাখা হয় তাকে। সেই থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার অপেক্ষা করছিল জাকির। এ বছর ২১-এ পা দিতেই ৫ নম্বর ওয়ার্ডে সরিয়ে আনা হয় তাকে।
null

null

null
কিন্তু মেহতাবের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে জায়গা পেতে জেলের অন্য বন্দীদের সঙ্গে ই’চ্ছাকৃতভাবে ঝা’মেলা বাধাতে থাকে সে। কয়েকজনের সঙ্গে হাতাহাতিও বেধে যায় তার। তাকে ৮ নম্বর জেলে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য জেল কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানায় জাকির। সেই মতো কিছু দিন আগে তাকে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে সরিয়ে আনা হয়। সেই থেকে মেহতাবের ওপর নজর রাখতেও শুরু করে সে।
null

null

null
সোমবার সকালে প্রার্থনায় যোগ দেয়ার ডাক পড়লে দলে দলে কুঠুরি ছেড়ে বেরোতে শুরু করে বন্দীরা। সেই সুযোগে মেহতাবের কুঠুরিতে চলে আসে জাকির। সেখানে তাকে একা পেয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে জাকির। একটি ধা’রাল ধা’তব পাত দিয়ে মেহতাবকে এলোপাথাড়ি কো’পাতে শুরু করে। তার জেরে মেহতাবের ঘাড়ে, গ’লায়, পে’টে এবং শ’রীরের একাধিক জায়গায় গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়।
null

null

null
মেহতাবের চিৎকার শুনে ওই কুঠুরিতে ছুটে আসেন পু’লিশকর্মীরা। জাকিরকে নিরস্ত করে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তড়িঘড়ি দীনদয়াল উপপাধ্যায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় মেহতাবকে। কিন্তু সেখানে তাকে মৃ’ত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। এই ঘটনায় হরি নগর থানায় জাকিরের বি’রুদ্ধে খু’নের মা’মলা দা’য়ের হয়েছে। জেরায় অপ’রাধ স্বী’কার করে সে। বোনের ধ’র্ষণের প্রতিশোধ নিতেই মেহতাবকে খু’ন করে বলে জানায়।
null

null

null