ঢাকা, আজ শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০

বেকার যুবকরা বিনা জামানতে ঋণ পাচ্ছেন ৫ লাখ টাকা

প্রকাশ: ২০২০-০৭-০২ ১৪:১৬:৪৭ || আপডেট: ২০২০-০৭-০২ ১৪:১৬:৪৭

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম বার্ষিকী উপলক্ষে (মুজিববর্ষ) বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান ব্যাংকের সাথে চুক্তি করেছে ‘বঙ্গবন্ধু যুব ঋণ’ নামে একটি প্রকল্প চালুর ব্যবস্থা করেছে সরকার। কেউ যাতে বেকার না থাকে সে উপলক্ষে যুবকদের ২০ হাজার থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনা জামানতে ঋণ সুবিধা দেওয়া হবে। করোনাকাল ও পরবর্তী বাংলাদেশ নিয়ে আওয়ামী লীগের বিশেষ ওয়েবিনার ‘বিয়ন্ড দ্য প্যানডেমিক’-এর অষ্টম পর্ব অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার
null

null

null
(৩০ জুন) যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ হাসান রাসেল এ কথা জানান। আলোচনায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ হাসান রাসেল বলেন, করোনার প্রভাবে সারা বিশ্বের মতো আমাদের যুব সম্প্রদায়, যাঁরা বিভিন্ন কর্মস্থানে আছেন, তাঁরা অনেকেই আংশিক বা পুরোপুরি বেকার হয়ে যাবেন। এই হঠাৎ বেকার হয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, যাঁরা গ্রামে চলে গেছেন বা যাবেন ভাবছেন, তাঁদের সেখানেই আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য এবং তাঁদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ট্রেডে
null

null

null
প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং তাঁদের জন্য লোনের ব্যবস্থা করে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছি। আগে লোনের ক্ষেত্রে যে ইন্টারেস্ট দিতে হতো, আমরা সেটা অর্ধেকে নামিয়ে নিয়ে এসেছি। এ মুজিববর্ষে কেউ যাতে বেকার না থাকে, সে উপলক্ষে কর্মসংস্থান ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করে ‘বঙ্গবন্ধু যুব ঋণ’ নামে একটি প্রকল্প চালুর ব্যবস্থা করেছি, যেখানে সর্বনিম্ন ২০ হাজার থেকে সর্বাধিক পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনা জামানতে ঋণ সুবিধা দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা সারা
null

null

null
দেশে বেকার হয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আর সে হিসেবে তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করব। আমাদের টার্গেট রয়েছে, আগামী তিন বছরের মধ্যে ১২ লাখ দক্ষ যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিশেষ ওয়েবিনারের অষ্টম পর্বে বক্তারা তরুণদের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণের মূল যোদ্ধা হিসেবে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। দলের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রচারিত এ লাইভ অনুষ্ঠানে তাঁরা বলেন, ‘আমাদের ভবিষ্যৎ
null

null

null
স্বপ্ন অর্জনে তরুণরাই হচ্ছে মূল যো’দ্ধা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার শাহ আলী ফরহাদের সঞ্চালনায় ওই ওয়েবিনারে আলোচক হিসেবে ছিলেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর এবং গুরুকুল অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম-এর প্রতিষ্ঠাতা সুফি ফারুক ইবনে আবুবকর।
null

null

null

ভারতীয় উৎসবের তালিকা থেকে ঈদকে বাদ দিলো নরেন্দ্র মোদি

যে দেশটিতে ১৭ কোটি ৭২লাখ মুসলিম রয়েছে, সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে মুসলমানদের ঈদ উৎসবের উল্লেখ করলেন না।মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতির উদ্দেশে ওই ভাষণ দেন ভারতের হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদি হিন্দুধর্মাবল্বী আসন্ন সবগুলো অনুষ্ঠান, যেমন গুরু পূর্ণিমা, গনেশ চতুর্থী, দিওয়ালি, দূর্গা পূজা, ছাট পূজা, এবং কাতি বিহুর উল্লেখ করেছেন, কিন্তু আসছে আগস্টের ঈদের কথা মুখে আনেননি।
null

null

null

তিনি এমনকি এই ঘোষণাও দিয়েছেন যে, কেন্দ্রীয় সরকার নভেম্বর পর্যন্ত ফ্রি-রেশান স্কিম বর্ধিত করেছে, এবং এর অধীনে পরিবারগুলো কি পরিমাণ গম, চাল ও চনা পাবে, সেটাও উল্লেখ করেছেন।

কিন্তু বক্তৃতার কোথায় ঈদের কথা বলেননি তিনি। ১৫ মিনিটের বক্তৃতায় মোদি বলেছেন, “জুলাই মাস থেকে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হতে থাকে। দেখুন, ৫ জুলাই রয়েছে আমাদের গুরু পূর্ণিমা।
null

null

null

এরপর শাওন শুরু হবে। এরপর আছে ১৫ আগস্ট, রক্ষা বন্ধন, কৃষ্ণ জন্মাষ্টমি, গণেশ চতুর্থী, ওনাম। আরও যদি সামনে যান, তাহলে আসবে বিহু, নবরাত্রি, দূর্গা পূজা, দুসেহরা, দিওয়ালি, ছাট পূজা”।

এটা একটা নতুন ভারত যেখানে মুসলিম উৎসবগুলোকে অবজ্ঞা করা যায়। অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলেমিন (এআইএমএম) এর প্রেসিডেন্ট আসাদুদ্দিন ওয়াইসি উল্লেখ করেছেন যে, মোদি তার বক্তৃতায় চনার কথা পর্যন্ত উল্লেখ
null

null

null
করেছেন, কিন্তু ঈদের উল্লেখ করতে পারেননি।

এরপরও ওয়াইসি মোদিকে ঈদ মোবারক জানিয়েছেন। মোদি ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’ বলে যে শ্লোগান দিয়ে থাকেন, সেই শ্লোগান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অধিকার কর্মী-স্কলার উমর খালিদ।
null

null

null

এই ধরণের তথ্য ভুলে যাওয়ার মানুষ নন মোদি। তিনি প্রায়ই ভারতের গঠন নিয়ে কথা বলেন। তিনি ভালো করেই জানেন যে, তার শব্দ, তার বাদ দেয়া শব্দ নিয়েও মানুষ কথা বলবে ও বিশ্লেষণ করবে, এবং তিনিও চান সেটা করা হোক।
null

null

null
এটা ইচ্ছা করে বাদ দেয়া ছাড়া অন্য কিছু নয়। মুসলিমদের আঘাত দেয়া এবং তাদেরকে বিচ্ছিন্ন করার প্রচেষ্টা ছাড়া এটা আর কিছু নয়। মুসলিমদের মোদি একমাত্র তখনই দেখতে পান যখন তারা রাস্তায় বিক্ষোভ করে। তিনি তাদের কাপড় দেখেই চিনতে পারেন। তার সমর্থকরা এরপর ইসলামবিদ্বেষ ছড়ায়।
null

null

null