ঢাকা, আজ মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

ফরিদপুরে নে’শাগ্রস্ত পুলিশ কর্মকর্তা পে’টালেন সরকারী কর্মকর্তাকে, অতঃপর … (ভিডিও সহ)

প্রকাশ: ২০২০-০৭-০২ ০৯:২১:৫৬ || আপডেট: ২০২০-০৭-০২ ০৯:২১:৫৬

নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমিত চৌধুরী ফরিদপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডঃ লুৎফর রহমানকেশারীরিকভাবে লা’ঞ্ছিত করার অ’পরাধে ফরিদপুর অঞ্চল নৌ পুলিশের এএসপি সুমিত চৌধুরীকে সাময়িকভাবে ব’রখাস্ত করা হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই)স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ শৃঙ্খলা ২ শাখা হতে রাষ্ট্রপতির পক্ষে সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপন
null

null

null

জারির মাধ্যমে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, “জনাব সুমিত চৌধুরী (বিপি-৭৪০৬১১৯৭৪৪) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নৌ পুলিশ ফরিদপুর অঞ্চলকেসরকারি কর্মচারী (শৃ’ঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ এর ১২(১) অনুযায়ী চাকুরী হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা সমীচীন মর্মে প্রতীয়মান হওয়ায় এতদ্বারা তাকে চাকুরী হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো”। উল্লেখ্য গত ৩০ শে জুন মঙ্গলবার( ৩০ জুন) বিকাল ৪ .১৫ টায় শহরের গোয়ালচামট ১নং সড়ক সংলগ্ন
null

null

null

পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ে নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমিত চৌধুরী নে’শাগ্রস্ত অবস্থায় হঠাৎ প্রবেশ করে প্রথমে কর্তব্যরত হিসাবরক্ষণ হানিফ মোঃ উজ্জলকে গা’লিগালাজ করে ও চ’ড় থাপ্পড় মারে সেই সাথে পরিদর্শক তুহিন আলম ও সদ্য যোগদানকৃত মহিলা কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক গীতা রানী দাসকে অ’কথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, পরে পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক ড. মোঃ লুৎফর রহমান সুমিত চৌধুরীকে
null

null

null

বাধা দিতে এলে তাকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে এবং সিসি টিভির ফুটেজ এর আলামত সহ অফিসের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করার অপচেষ্টা চালায়। এ সময় ডঃ লুৎফর রহমান নিজের সম্মান রক্ষার্থে অফিস থেকে বের হয়ে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মোঃ আলীমুজ্জামানের কাছে অভিযোগ করেন। পরে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আজ এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে ফরিদপুর নৌ পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আরিফ বলেন, অপরাধী যেই হোক তার শা”স্তি হতে হবে। তা না হলে সমাজে অ’পরাধের মাত্রা বেড়ে যাবে। এখন তদন্ত হবে, তদন্তের রিপোর্ট দেওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ সিদ্ধান্ত নিবেন।
null

null

null
ভারতীয় উৎসবের তালিকা থেকে ঈদকে বাদ দিলো নরেন্দ্র মোদি

যে দেশটিতে ১৭ কোটি ৭২লাখ মুসলিম রয়েছে, সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে মুসলমানদের ঈদ উৎসবের উল্লেখ করলেন না।মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতির উদ্দেশে ওই ভাষণ দেন ভারতের হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদি হিন্দুধর্মাবল্বী আসন্ন সবগুলো অনুষ্ঠান, যেমন গুরু পূর্ণিমা, গনেশ চতুর্থী, দিওয়ালি, দূর্গা পূজা, ছাট পূজা, এবং কাতি বিহুর উল্লেখ করেছেন, কিন্তু আসছে আগস্টের ঈদের কথা মুখে আনেননি।
null

null

null

তিনি এমনকি এই ঘোষণাও দিয়েছেন যে, কেন্দ্রীয় সরকার নভেম্বর পর্যন্ত ফ্রি-রেশান স্কিম বর্ধিত করেছে, এবং এর অধীনে পরিবারগুলো কি পরিমাণ গম, চাল ও চনা পাবে, সেটাও উল্লেখ করেছেন।

কিন্তু বক্তৃতার কোথায় ঈদের কথা বলেননি তিনি। ১৫ মিনিটের বক্তৃতায় মোদি বলেছেন, “জুলাই মাস থেকে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হতে থাকে। দেখুন, ৫ জুলাই রয়েছে আমাদের গুরু পূর্ণিমা।
null

null

null

এরপর শাওন শুরু হবে। এরপর আছে ১৫ আগস্ট, রক্ষা বন্ধন, কৃষ্ণ জন্মাষ্টমি, গণেশ চতুর্থী, ওনাম। আরও যদি সামনে যান, তাহলে আসবে বিহু, নবরাত্রি, দূর্গা পূজা, দুসেহরা, দিওয়ালি, ছাট পূজা”।

এটা একটা নতুন ভারত যেখানে মুসলিম উৎসবগুলোকে অবজ্ঞা করা যায়। অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলেমিন (এআইএমএম) এর প্রেসিডেন্ট আসাদুদ্দিন ওয়াইসি উল্লেখ করেছেন যে, মোদি তার বক্তৃতায় চনার কথা পর্যন্ত উল্লেখ
null

null

null
করেছেন, কিন্তু ঈদের উল্লেখ করতে পারেননি।

এরপরও ওয়াইসি মোদিকে ঈদ মোবারক জানিয়েছেন। মোদি ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’ বলে যে শ্লোগান দিয়ে থাকেন, সেই শ্লোগান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অধিকার কর্মী-স্কলার উমর খালিদ।
null

null

null

এই ধরণের তথ্য ভুলে যাওয়ার মানুষ নন মোদি। তিনি প্রায়ই ভারতের গঠন নিয়ে কথা বলেন। তিনি ভালো করেই জানেন যে, তার শব্দ, তার বাদ দেয়া শব্দ নিয়েও মানুষ কথা বলবে ও বিশ্লেষণ করবে, এবং তিনিও চান সেটা করা হোক।
null

null

null
এটা ইচ্ছা করে বাদ দেয়া ছাড়া অন্য কিছু নয়। মুসলিমদের আঘাত দেয়া এবং তাদেরকে বিচ্ছিন্ন করার প্রচেষ্টা ছাড়া এটা আর কিছু নয়। মুসলিমদের মোদি একমাত্র তখনই দেখতে পান যখন তারা রাস্তায় বিক্ষোভ করে। তিনি তাদের কাপড় দেখেই চিনতে পারেন। তার সমর্থকরা এরপর ইসলামবিদ্বেষ ছড়ায়।
null

null

null