ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২০

গেঞ্জি বা হাফশার্ট পরে নামাজ পড়লে নামাজ হবে কী?

প্রকাশ: ২০২০-০৭-০২ ০৯:১৯:৩৮ || আপডেট: ২০২০-০৭-০২ ০৯:১৯:৩৮

হাফশার্ট বা গেঞ্জি গায়ে নামাজ পড়লে তা কি সহিহ হবে? গোলাম মোস্তফা, পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম। উত্তর: যেসব পোশাক পরিধান করে কোনো মহতী মাহফিল বা অনুষ্ঠানে যেতে সংকোচ বোধ হয়, ওই সব পোশাক পরে নামাজ পড়া মাকরুহে তানজিহি।
null

null

null
তবে কারো কাছে ওই মুহূর্তে হাফশার্ট বা গেঞ্জি থেকে ভালো কোনো পোশাক না থাকলে সেগুলো পরেই নামাজ আদায় করা যাবে, এতে কোনো অসুবিধা নেই। সূত্র: আদ্দুররুল মুখতার : ১/৬৪০; রদ্দুল মুহতার : ১/৬৪১; ফাতাওয়ায়ে ফকিহুল মিল্লাত : ৩/৫১৭, ৫১৯
null

null

null
আরো পড়ুন:: নাভির নিচের ও বগলের পশম রিমোভ করার জন্য যদি ব্লেড বা রেজার ইউজ না করে চুল কাটার মেশিন দিয়ে যদি রিমোভ করি, তাহলে হবে কি না? হ্যাঁ, হবে। পরিস্কার করা উদ্দেশ্য।

সুতরাং যেকোন বৈধ বস্তু দিয়েই তা পরিস্কার করা যাবে। قَالَ: فَلَمَّا ذَهَبْنَا لِنَدْخُلَ، قَالَ: «أَمْهِلُوا حَتَّى تَدْخُلُوا لَيْلًا – أَيْ عِشَاءً – لِكَيْ تَمْتَشِطَ الشَّعِثَةُ وَتَسْتَحِدَّ المُغِيبَةُ বর্ণনাকারী বলেন, যখন আমরা মদিনা্য় প্রবেশ করব, এমন সময় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, তুমি অপেক্ষা কর এবং রাতে প্রবেশ কর,
null

null

null
যেন অনুপস্থিত স্বামীর স্ত্রী নিজের অবিন্যস্ত কেশরাশি বিন্যাস করতে পারে এবং লোম পরিষ্কার করতে পারে। (সহিহ বুখারি-২/৭৬০, হাদিস নং-৫০৭৯, সহিহ মুসলিম-১/১৪৪, হাদিস নং-৭১৫)
null

null

null

ভারতীয় উৎসবের তালিকা থেকে ঈদকে বাদ দিলো নরেন্দ্র মোদি

যে দেশটিতে ১৭ কোটি ৭২লাখ মুসলিম রয়েছে, সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে মুসলমানদের ঈদ উৎসবের উল্লেখ করলেন না।মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতির উদ্দেশে ওই ভাষণ দেন ভারতের হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদি হিন্দুধর্মাবল্বী আসন্ন সবগুলো অনুষ্ঠান, যেমন গুরু পূর্ণিমা, গনেশ চতুর্থী, দিওয়ালি, দূর্গা পূজা, ছাট পূজা, এবং কাতি বিহুর উল্লেখ করেছেন, কিন্তু আসছে আগস্টের ঈদের কথা মুখে আনেননি।
null

null

null

তিনি এমনকি এই ঘোষণাও দিয়েছেন যে, কেন্দ্রীয় সরকার নভেম্বর পর্যন্ত ফ্রি-রেশান স্কিম বর্ধিত করেছে, এবং এর অধীনে পরিবারগুলো কি পরিমাণ গম, চাল ও চনা পাবে, সেটাও উল্লেখ করেছেন।

কিন্তু বক্তৃতার কোথায় ঈদের কথা বলেননি তিনি। ১৫ মিনিটের বক্তৃতায় মোদি বলেছেন, “জুলাই মাস থেকে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হতে থাকে। দেখুন, ৫ জুলাই রয়েছে আমাদের গুরু পূর্ণিমা।
null

null

null

এরপর শাওন শুরু হবে। এরপর আছে ১৫ আগস্ট, রক্ষা বন্ধন, কৃষ্ণ জন্মাষ্টমি, গণেশ চতুর্থী, ওনাম। আরও যদি সামনে যান, তাহলে আসবে বিহু, নবরাত্রি, দূর্গা পূজা, দুসেহরা, দিওয়ালি, ছাট পূজা”।

এটা একটা নতুন ভারত যেখানে মুসলিম উৎসবগুলোকে অবজ্ঞা করা যায়। অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলেমিন (এআইএমএম) এর প্রেসিডেন্ট আসাদুদ্দিন ওয়াইসি উল্লেখ করেছেন যে, মোদি তার বক্তৃতায় চনার কথা পর্যন্ত উল্লেখ
null

null

null
করেছেন, কিন্তু ঈদের উল্লেখ করতে পারেননি।

এরপরও ওয়াইসি মোদিকে ঈদ মোবারক জানিয়েছেন। মোদি ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’ বলে যে শ্লোগান দিয়ে থাকেন, সেই শ্লোগান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অধিকার কর্মী-স্কলার উমর খালিদ।
null

null

null

এই ধরণের তথ্য ভুলে যাওয়ার মানুষ নন মোদি। তিনি প্রায়ই ভারতের গঠন নিয়ে কথা বলেন। তিনি ভালো করেই জানেন যে, তার শব্দ, তার বাদ দেয়া শব্দ নিয়েও মানুষ কথা বলবে ও বিশ্লেষণ করবে, এবং তিনিও চান সেটা করা হোক।
null

null

null
এটা ইচ্ছা করে বাদ দেয়া ছাড়া অন্য কিছু নয়। মুসলিমদের আঘাত দেয়া এবং তাদেরকে বিচ্ছিন্ন করার প্রচেষ্টা ছাড়া এটা আর কিছু নয়। মুসলিমদের মোদি একমাত্র তখনই দেখতে পান যখন তারা রাস্তায় বিক্ষোভ করে। তিনি তাদের কাপড় দেখেই চিনতে পারেন। তার সমর্থকরা এরপর ইসলামবিদ্বেষ ছড়ায়।
null

null

null