ঢাকা, আজ শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০

অক্সিজেন সাপোর্টে পরীক্ষা দিয়ে তাক লাগাল স্কুলছাত্রী

প্রকাশ: ২০২০-০৬-৩০ ০৯:৩৯:৪৮ || আপডেট: ২০২০-০৬-৩০ ০৯:৩৯:৪৮

ছোট থেকেই ফুসফুসের জটিল অসুখে আক্রান্ত ভারতের উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা সাফিয়া জাভেদ। ফুসফুসের অপারেশন করেও লাভ হয়নি null

null

nullকিছু। তবু ডাক্তার ওষুধ আর ইঞ্জেকশনের আবর্তে নিজের জীবন আটকে যেতে দেয়নি সাফিয়া। অক্সিজেন কিট নিয়ে পরীক্ষা দিয়েও দশম শ্রেণীর পরীক্ষায় তাক লাগানো নম্বর পেয়েছে সে।null

null

null

ভারতের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত পাঁচ বছর ধরে ফুসফুসের অসুখে ভুগছে উত্তর প্রদেশের বরেলির বাসিন্দা সাফিয়া জাভেদ। উত্তর প্রদেশ বোর্ডের দশম শ্রেণীর পরীক্ষায় অক্সিজেন সিলিন্ডার সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় বসেছিল সে। সেই অবস্থায় পরীক্ষা দিয়েও ৬৯ শতাংশnull

null

null নম্বর পেয়েছে সাফিয়া। ১৬ বছরের ওই ছাত্রী ড্রয়িং-এ পেয়েছে ৮২, ইংরেজিতে পেয়েছে ৭৭ এবং সমাজ বিজ্ঞানে পেয়েছে ৬৮।

পড়াশোনা করতে পারলেই সাফিয়ার শরীর ভালো থাকে বলে জানিয়েছেন তার বাবা। তার তিন সন্তানের মধ্যে সাফিয়াই সবার বড়। দুর্বল
null

null

nullফুসফুসের কারণে নিয়মিত কৃত্রিমভাবে অক্সিজেন সরবরাহ করতে হয় সফিয়াকে। গত কয়েক মাস ধরে অুসুস্থতার কারণে বিছানা ছেড়েই উঠতে পারেনি সাফিয়া। তার মধ্যে সাফিয়ার তাক লাগানো রেজাল্ট রীতিমত সাড়া ফেলে দিয়েছে।null

null

null

নয়ডার একটি বেসরকারি কম্পানিতে কাজ করেন সাফিয়ার বাবা সারভার জাভেদ। পরীক্ষার সময় মেয়ের পাশে থাকতে অফিস থেকে ছুটি নিয়েছিলেন তিনি। গলব্লাডার অপারেশন করার পর থেকেই সাফিয়ার শরীর ভেঙে যায় বলে জানিয়েছেন তিনি। টিউবারকিউলোসিসের জন্যnull

null

null একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিত্সা চলছে তার। মাঝে মাঝেই সাফিয়ার ফুসফুসে পানি ভরে যায়। সাফিয়াকে নিয়মিতভাবে অক্সিজেন সাপোর্টে রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন ডাক্তাররা।

জীবনের এই কঠিন লড়াইয়ে সাফিয়ার বাবা-মা যেভাবে তাকে সাহায্য ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন, তা সচরাচর দেখা যায় না বলে মন্তব্যnull

null

null করেছেন সাফিয়ার কাকা জাবি আহমেদ। বাবা-মার কারণেই এই লড়াই চালিয়ে যেতে পারছেন বলে মন্তব্য করেছেন সাফিয়াও।

এভাবে কতদিন সাফিয়ার ব্যয়বহুল চিকিত্সা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে, তা নিয়ে সন্দিহান তার পরিবারের লোকেরা। পড়াশোনায় ভালো হলেও কতদিন সাফিয়া শারীরিক প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে তা চালিয়ে যেতে পারবে, তা নিয়েও সন্দেহ আছে বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের null

null

nullলোকেরা। তবে সাফিয়া সে সব নিয়ে ভাবতে নারাজ। দশম শ্রেণির পর আরো পড়াশোনা করতে চায় সে। শারীরিক কষ্টকে ভুলেই জীবনে নিজের পায়ে দাঁড়াতে বদ্ধপরিকর সাফিয়া।

তথ্যসূত্র : এই সময়