ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২০

১৪ হাজারের ছাগলের দাম মাত্র ৪ হাজার টাকা!

প্রকাশ: ২০২০-০৬-২৯ ০৯:১৫:১৯ || আপডেট: ২০২০-০৬-২৯ ০৯:১৫:১৯

নিউজ ডেস্ক : করোনার কারণে কোরবানির জন্য লালন করা ৩ লাখ গবাদি পশু নিয়ে দুশ্চিন্তায় নাটোরের প্রায় ৯ হাজার খামারি। প্রতিবছর null

null

nullরোজার ঈদের পরপরই রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানের ব্যবসায়ীরা গবাদি পশু কিনলেও এবার এখনো কেউ যোগাযোগ করেনি। এতে লোকসান আত’ঙ্কে খামারিরা।
null

null

null
জাত ভেদে গরু প্রতি আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। আর বিক্রি হয় সর্বোচ্চ ৪ লাখ টাকায়। এছাড়া মহিষে দেড় লাখ টাকা খরচ হয় আর null

null

nullবিক্রি হয় ২ লাখ থেকে আড়াই লাখ টাকায়। তবে এবার চিত্রটা সম্পূর্ণ উ’ল্টো। কোরবানির ঈদ এগিয়ে এলেও করোনার কারণে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানের ব্যবসায়ীরা গরু ও মহিষ কেনা শুরু করেনি। ফলে শুধুnull

null

null কাঙ্ক্ষিত দাম নয় বরং লোকসানের শ’ঙ্কা খামারিদের।

তারা বলেন, প্রায় ২ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছি। চিন্তায় আছি। কেউ যোগাযোগ করেনি। গরু ও মহিষের খামারিদের মত একই অবস্থা প্রায় null

null

null৪ হাজার ছাগল ও ভেড়ার খামারিদেরও। হাটে তুললেও ছাগলের তিন ভাগের এক ভাগ দাম বলছেন ব্যবসায়ীরা।

তারা বলেন, ১৪/১৫ হাজার টাকার ছাগল মাত্র ৪ হাজার টাকা দাম উঠেছে। সঠিক মূল্য না পেলে আমরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হব। তবে null

null

nullকোরবানির পশু বাজারজাতের জন্য প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করে খামারিদের সমস্যা সমাধানের চেস্টা করছেন বলে জানান প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. গোলাম মোস্তফা।
null

null

null
আর জেলার বাইরে গবাদি পশু পাঠানোতে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা। কোরবানির জন্য এবার ৭৯ হাজারnull

null

null গরু, ১২ হাজার মহিষ, ১ লাখ ৬৯ হাজার ছাগল ও সাড়ে ৩৪ হাজার ভেড়া পালন করা হয়েছে। প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানায়, যার বাজার মূল্য প্রায় ৮শ’ কোটি টাকা।