ঢাকা, আজ শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০

অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন নিয়ে বড় সুখবর দিলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

প্রকাশ: ২০২০-০৬-২৭ ২০:১৪:২৪ || আপডেট: ২০২০-০৬-২৭ ২০:১৪:২৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা এক কোটি ছোঁবে, এ সতর্কতা কিছুদিন আগেই জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

null

null

null

এই প্রেক্ষাপটে করোনার ভয়াল থাবায় বিপর্যস্ত মানবজাতি এখন উন্মুখ হয়ে চেয়ে আছে একটা ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধকের। আপেক্ষায় আছেন কখন একটা সুখবর দেবেন বিজ্ঞানীরা।
null

null

null

এখনো করোনার কার্যকর কোনো ভ্যাকসিন আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। যত শিগগিরই সম্ভব করোনা ভ্যাকসিন আনতে চাইছে ডব্লিউএইচও। এই মুহুর্তে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে থাকা অক্সফোর্ডের ‘কোভ্যাক্স’ (করোনা ভ্যাকসিন)-কে গুরুত্ব দিতে চাইছে ডব্লিউএইচও। সব দেশের হাতে null

null

nullকোভ্যাক্স তুলে দেওয়াটাই তাদের কাছে এখন বড় চ্যালেঞ্জ। ভ্যাকসিন তৈরির জন্য ১৮ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করাটাও সহজ নয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে, শুক্রবার এমনটাই জানিয়েছেন ডব্লিউএইচও’র প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথন।null

null

null
এরই মধ্যেই বিশ্বে মোট ২০০টি ভ্যাকসিন প্রয়োগ হয়েছে। প্রতিটি ভ্যাকসিন এক এক পর্যায়ে রয়েছে। এদের মধ্যে ১৫টি ভ্যাকসিনকে মানব দেহে ট্রায়ালও করা হয়েছে। সৌম্যা স্বামীনাথন বলেন যে তিনি আশা করছেন আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাবে এই করোনা ভ্যাকসিন।
null

null

null

শুক্রবার একটি ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে ডব্লিউএইচও’র প্রধান বিজ্ঞানী বলেন, উচ্চ আয় এবং উচ্চ মধ্য আয়ের দেশগুলোতে কোভ্যাক্স ভ্যাকসিনের প্রায় ৯৫০ মিলিয়ন ডোজের প্রয়োজন এবং তা যতদ্রুত সম্ভব। তিনি এও জানান এই মুহুর্তে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিন তৈরির null

null

nullসময়ের নিরিখে এগিয়ে আছে।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে সৌম্যা স্বামীনাথন বলেন যে, ‘তারা এরই মধ্যে অ্যাডভানস ফেজ-২ ট্রায়াল শেষ করেছে। অনেক দেশে ফেজ-৩-এর কাজ শুরু করার পরিকল্পনাও করেছে। মডার্নাও তাদের তৈরি ভ্যাকসিনের ফেজ-৩ পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করবে জুলাইয়ের মাঝামাঝি।null

null

null এখন এই ক্লিনিকাল ট্রায়ালে রোগীদের কতটা উন্নতি হচ্ছে এবং সুরক্ষা বজায় থাকছে কি না তা এখনও অজানা আমাদের কাছে। আমাদের উচিত ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে যতবেশি সম্ভব বিনিয়োগ করা এবং সাফল্যর হার বৃদ্ধি করা।’