ঢাকা, আজ রোববার, ১১ এপ্রিল ২০২১

মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর এনার্জি ড্রিংকস

প্রকাশ: ২০১৯-০৭-১০ ২১:০৮:১৮ || আপডেট: ২০১৯-০৭-১০ ২১:০৮:১৮

এনার্জি ড্রিংকসের প্রতি তরুণরা বেশি আসক্ত। অনেকের এ আসক্তিটা আবার নেশায় পরিণত হয়েছে। এগুলো পান করার মাধ্যমে মাদকাসক্তির প্রতি ধাবিত হচ্ছে অনেক তরুণ। এনার্জি ড্রিংকসে প্রতি ২৫০ মিলিলিটার ক্যানে আছে ৮০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন, কোনো ড্রিংকসে তা আছে ৩০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত। এনার্জি ড্রিংকস মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর; যা চিকিৎসকেরা স্বীকৃতি দিয়েছেন। তারা এর ক্ষতিকর দিক নিয়ে সতর্ক করেছেন। দীর্ঘ দিন ধরে এসব এনার্জি ড্রিংকস পানে খাদ্যনালীর ভেতরের মিউকাস মেমব্রেন নষ্ট হয়ে যায়। নাড়ির সঙ্কোচন ও সম্প্রসারণ ক্ষমতা কমে খাদ্য থেকে পুষ্টি শুষে নেয়ার ক্ষমতা কমে যায়।এ ছাড়া হজম ক্ষমতা কমে, বদহজম, খাদ্যে বিষক্রিয়া, গ্যাস্ট্রিক, ক্ষুধামন্দাসহ নানা অসুখ-বিসুখ দেখা দিতে পারে। হতে পারে স্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যও। অতিরিক্ত চিনির কারণে অনেকের শরীরের ওজন বেড়ে স্থূলস্বাস্থ্যে পরিণত হয়। বাড়ে শরীরের চর্বি বা কোলেস্টেরলের পরিমাণও। শরীরের ক্যালসিয়াম মলিউকুল গঠন প্রক্রিয়া দুর্বল হয়ে পড়ে। হাড় দুর্বল ও নরম হয়ে যায়। এ ছাড়া জনন প্রক্রিয়ায় স্থায়ী ক্ষতিও হতে পারে। এসব ড্রিংকস ফরমালিনের চেয়ে কোনো অংশে কম ক্ষতিকর নয়।

কোল্ড ড্রিংকস ছিপি বা মুখ খোলামাত্রই ফস করে কিছু গ্যাস বেরিয়ে যায়। বের হওয়া গ্যাসে থাকে কার্বনডাই অক্সাইড, খাবার সোডা বা সোডিয়াম বাই কার্বনেট। এ ছাড়া থাকে সাইট্রিক এসিড, টারটারিক এসিডসহ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য। পানীয়কে মজাদার করতে স্যাকারিন, সরবিটল, ম্যাটিটল ছাড়াও অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়, যা মানবদেহের মারাত্মক ক্ষতিকর। জানা যায়, ১৪০টি দেশে ২০০ ব্র্যান্ডের এনার্জি ড্রিংকস তৈরি হয়। শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক ব্যক্তিরা এর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ছেন। বিশেষ করে ১৩-১৮ বছর বয়সী কিশোরদের ৩৪ শতাংশ নিয়মিত এনার্জি ড্রিংকস পান করে। (সাইমন এম মেশার জে : অ্যালকোহল, এনার্জি ড্রিংকস অ্যান্ড ইয়ুথ : এ ডেনজারাস মিক্স : ক্যালিফোর্নিয়া : মেন ইনস্টিউট ২০০৭)।

গবেষকেরা বলেছেন, এসব এনার্জি ড্রিংকসে ক্ষতিকর কেমিক্যাল রয়েছে। এগুলো মাদকতা ও ফিলিংস তৈরিতে কাজ করে। বেশি মাত্রার ক্যাফেইন শারীরিক নানা ক্ষতির কারণ হয়। যেসব শিশু ও তরুণ নিয়মিত এনার্জি ড্রিংকস পান করে, তারা এতে আসক্ত হয়ে পড়ে। এরপর ক্রমেই বেশি মাত্রায় তা স্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। ক্যাফেইন একটি আসক্তি তৈরি করার মতো উপাদান। এটি কেন্দ্রীয় ও প্রান্তিক স্নায়ুতন্ত্রকে উদ্দীপিত করে। এটি পরিমিত বা মাঝারি মাত্রার হলে, পারফরম্যান্স, ধৈর্য ও মনোযোগ বাড়াতে পারলে তা বেশি মাত্রায় গ্রহণে মারাত্মক ক্ষতি হয়। তা ঘটাতে পারে উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা, অনিদ্রা, পেটের অসুখ ও হার্টের ছন্দে অনিয়ম। (নাওরাট পি : ফুড এডিট কনটামা, ২০০৩)।

এনার্জি কোল্ড ড্রিংকসগুলো বাজারে জনপ্রিয় পণ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণ হচ্ছে কোম্পানির আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন প্রচার। বিজ্ঞাপনের পেছনে মোটা অঙ্কের অর্থ খরচ করার মূল টার্গেটই হচ্ছে ক্রেতাদের আসক্ত করা। বিশাল অঙ্কের টাকা ব্যয় করার মধ্য দিয়ে তারা পণ্যের প্রতি ক্রেতাদের মন আকৃষ্ট করতে সক্ষমও হয়েছে। এ কারণে পানীয় শিল্প দ্রুত প্রসারমাণ আইটেমে রূপ নিয়েছে। এনার্জি ড্রিংকসের বোতলের মুখ খুললেই সবটুকু গ্যাস বের হতে পারে না। তাই ড্রিংকসগুলো পান করার সাথে সাথে দেহে প্রবেশ করে ক্ষতিকর কার্বনডাই অক্সাইড। অনেক সময় মাত্রারিক্ত সোডিয়াম বাইকার্বনেট রক্তে মিলে ক্ষারত্বের মাত্রা বাড়িয়ে অ্যালকালোসিসের সৃষ্টি করে। অ্যালকালোসিস কিডনি সমস্যা, অস্থিরতা, শ্বাস-প্রশ্বাসের অসুবিধাসহ আরো অনেক রোগের জন্ম দেয়।

না জানার কারণে ভ্রান্ত ধারণবশত ও লেবু বা কমলার স্বাদ মনে করে যেসব কোল্ড ড্রিংকস পান করি আমরা, সেসব কোমল পানীয় আমাদের দাঁতের এনামেলকে ক্ষয় করে দেয়। কোকাকোলা, সেভেনআপ, পেপসি, স্প্রাইট, ফান্টা, মেরিন্ডা, আরসি, টাইগারসহ আরো অন্যান্য পানীয়ের সোডিয়াম বাইকার্বনেট রক্তচাপ বাড়ায়। উচ্চ রক্তচাপ রোগীদের জন্য এগুলো মারাত্মক ক্ষতির কারণ। এ ছাড়া যারা ব্যথানাশক, জীবাণুনাশক, রিউমেটিক আর্থ্রাইটিস, যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়া প্রভৃৃতি রোগে আক্রান্ত তাদের কোল্ড ড্রিংকস পান না করাই মঙ্গল। কারণ এসব পানীয় পণ্য রোগের ওষুধের কার্যক্ষমতা মারাত্মভাবে হ্রাস করে।

চার মাস ধরে সহকারীকে ধ*র্ষণ করে আসা ভুয়া ডাক্তার গ্রেফতার

লাকসামে ধ*র্ষণের অভিযোগে ডা. মীর হোসেন নামে এক ভুয়া ডাক্তারকে আটক করেছে র‌্যাব। ওই ভুয়া ডাক্তার লাকসাম শহরের জংশন এলাকায় ডিজিটাল হেলথ কেয়ারের মালিক। চাকুরি দেয়ার নামে ওই চেম্বারে অসংখ্য মহিলাকে তিনি ধ*র্ষণ করেছেন। বুধবার কুমিল্লা র‌্যাব-১১ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, কনডমসহ বিভিন্ন অবৈধ নেশাজাতীয় দ্রব্যসহ তাকে আটক করে। তিনি পৌর শহরের বাইনচাটিয়া গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে।সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা র‌্যাব ১১-এ এক জোসনা (ছদ্মনাম) নামে নারী লিখিত অভিযোগ দেন। ওই নারী বলেন, শহরের জংশন এলাকায় ডিজিটাল হেলথ কেয়ারে কর্মরত চার মাস যাবত হেলথ সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলাম। ওই হেলথ কেয়ারের মালিক ডা. মীর হোসেন চাকুরীর শুরু থেকেই আমাকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। কিন্তু আমি চাকুরি রক্ষা ও জীবিকা নির্বাহের স্বার্থে সবকিছু সহ্য করে আসছিলাম। এক পর্যায়ে ডা. মীর হোসেন আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। গত চার মাসে সে আমাকে ৩০ বারের অধিক ধ*র্ষক করে। প্রতিবার ধর্ষণ করার পর সে আমার শরীরে ব্যথা নাশক অজ্ঞাত একটি ইনজেকশান পুশ করতো। ধর্ষণের পর মীর হোসেন আমাকে হু*মকী ধমকি দিয়ে বলেে একথা যদি কেউ জানতে পারে তাহলে আমাকে চাকুরিচ্যুত করে মিথ্যা মামলা দিবে বলে ভয় দেখায়। আমি দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম হওয়ায় তার এ নির্যাতন সহ্য করে আসছিলাম। কিন্তু দিন দিন তার অত্যাচার নির্যাতন বেড়ে চলায় নিরুপায় হয়ে গত সোমবার কুমিল্লা র‌্যাব-১১ তে লিখিত অভিযোগ করি।

স্থানীয়ভাবে জানা যায়, ডা. মীর হোসেন একইভাবে তার চেম্বারে বহু তরুণীকে চাকুরি দেয়ার নাম করে সর্বনাশ করেছে। তার হুমকী ধমকীর কারণে কেউ মুখ খোলার সাহস করেনি। এছাড়া ভুয়া ডা. মীল হোসেনকে বেশ কয়েকবার ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে তার কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। কিছুদিন পর আবার সে কৌশলে আবার চেম্বার খুলে তার পুরোনো অপকর্ম শুরু করে। কুমিল্লা র‌্যাব-১১ কোম্পানী কমান্ডার প্রণব কুমার জানান, ওই নারীর লিখিত অভিযোগ পেয়ে আমরা লাকসাম ডিজিটাল হেলথ কেয়ারের মালিক ডা. মীর হোসেনের চেম্বারে অভিযান চালিয়ে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, বিপুল পরিমাণ কনডমসহ বিভিন্ন অবৈধ নেশাজাতীয় দ্রব্য পাওয়া যায়। তিনি কোন ডাক্তার নন। তিনি চাকুরি দেয়ার নামে এই চেম্বারে অসংখ্য মহিলাকে ধর্ষণ করেছে। তাকে ও তার চেম্বারে কর্মরত অপর এক মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য কুমিল্লা র‌্যাব-১১ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ভিডিও বার্তায় ভারতীয় সেনাবাহিনীকে জাওয়াহিরির হুমকি

ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের সরকার এবং দেশটির সেনাবাহিনীর ওপর নির্মম আঘাত হানতে কাশ্মীরি মুজাহেদিনদের আহ্বান জানিয়েছেন আল-কায়েদার শীর্ষ নেতা আয়মান আল-জাওয়াহিরি।‘কাশ্মীরকে ভুলে যেও না’ শিরোনামের এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানিয়েছেন বলে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে।এছাড়া কাশ্মীরে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদে পাকিস্তানের জড়িত থাকার কথা জানিয়েছেন বলেও খবরে জানা গেছে।তিনি বলেন, আমার দৃষ্টিতে কাশ্মীরের মুজাহিদদের অন্তত এই পর্যায়ে এসে ভারতীয় বাহিনী ও সরকারের ওপর কঠোর আঘাত হানার দিকেই এককভাবে মনোযোগী হওয়া উচিত।‌‘এর ফলে ভারতের অর্থনীতিতে রক্ত ঝরবে, জনবল ও সরঞ্জামের ক্ষয়ক্ষতিতে মুখ থুবড়ে পড়বে তারা।’

একপাশে বন্দুক অন্যপাশে কোরআন নিয়ে জাওয়াহিরিকে এমনটাই বলতে শোনা যায় বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।আল-কায়েদা প্রধান তার বার্তায় জাকির মুসার নাম উল্লেখ না করলেও আল-কায়েদার ভারতীয় শাখা আনসার গাজওয়াত-উল-হিন্দের প্রতিষ্ঠাতার ছবি ভিডিওতে বেশ কয়েকবারই ভেসে ওঠে।ভারতের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা চলতি বছরের মে মাসে তাকে হত্যা করেছে।কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালাতে আল-কায়েদা যে গোষ্ঠীগুলোকে প্রস্তুত করেছিল মুসার আনসার গাজওয়াত-উল-হিন্দ ছিল তার শুরুর দিককার একটি।পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও সরকারকে আমেরিকার পা চাটা অ্যাখ্যা দিয়ে এদের ফাঁদে পা না দিতেও অনুসারীদের আহ্বান জানিয়েছেন জাওয়াহিরি।ভারতীয় গণমাধ্যমটির খবর অনুসারে তিনি বলেন, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এবং সরকারের আগ্রহ হচ্ছে, সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্যে মুজাহেদিনদেরকে ব্যবহার ও পরে ছেঁটে ফেলা।সীমান্ত ঘিরে পাক-ভারতের সংঘাতকে মার্কিন গোয়েন্দাদের মদদপুষ্ট সেকিউলার লড়াই বলেও অভিহিত করেন এ আল-কায়েদা নেতা।

ভারতকে কাঁদিয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারতকে ১৮ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে নিউজিল্যান্ড। ম্যাট হেনরি ও ট্রেন্ট বোল্টের বোলিং নৈপুণ্যে আবারও ফাইনালে নিউজিল্যান্ড।টানটান উত্তেজনাকর ম্যাচে লড়াই করেও হেরে গেল ভারত। ৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়ে যাওয়ার পর হার্দিক পান্ডিয়া ও রিশব প্যান্টের ব্যাটে ৯২ রানে ৬ উইকেট করেছিল ভারত।এরপর সপ্তম উইকেটে ১১৬ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখান রবিন্দ্র জাদেজা ও মহেন্দ্র সিং ধোনি। জয়ের জন্য শেষ দিকে ভারতের প্রয়োজন ছিল ১৪ বলে ৩২ রান। খেলার এমন অবস্থায় উইকেট হারান দুর্দান্ত ব্যাটিং করে যাওয়া রবিন্দ্র জাদেজা। তার বিদায়ে জয়ের স্বপ্ন ভেঙে যায় ভারতের।শেষ ১২ বলে জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ছিল ৩১ রান। ৪৯তম ওভারে ফাগুর্নসনের প্রথম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে আবারও স্বপ্ন দেখান মহেন্দ্র সিং ধোনি। কিন্তু ওভারের তৃতীয় বলে মার্টিন গাপটিলের থ্রোতে ধোনির স্ট্যাম্প ভেঙ্গে গেলে জয়ের স্বপ্ন ভেঙে যায় ভারতের।

নিশ্চিত পরাজয়ের ম্যাচেও অসাধারণ ব্যাটিং করেছেন রবিন্দ্র জাদেজা ও মহেন্দ্র সিং ধোনি। তাদের ব্যাটিং দৃঢ়তায় বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনাল ম্যাচটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হয়েছে। দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিনে হাল ধরেন তারা। তাদের অনবদ্য ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন দেখছে ভারত।বুধবার ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টারে বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২৪০ রানের মামুলি স্কোর তাড়া করতে নেমে মাত্র ৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই বিপদে পড়ে যায় ভারত।ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে দলীয় ৪ রানে ম্যাট হেনরির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে দেন রোহিত শর্মা। আগের তিন ম্যাচে টানা সেঞ্চুরি করা রোহিত এদিন ফেরেন চার বলে মাত্র ১ রান করে।রোহিত শর্মার বিদায়ের পর উইকেটে নেমে ৬ বল খেলার সুযোগ পান বিরাট কোহলি। বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা এই ব্যাটসম্যান ট্রেন্ট বোল্টের গতির বলে এলবিডব্লিউ হন। রিভিউ নিয়েও উইকেট বাঁচাতে পারেননি তিনি। কোহলি ফেরেন মাত্র ১ রান করে।চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে ম্যাট হেনরির বলেই উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন অন্য ওপেনার লোকেশ রাহুল। তিনিও ফেরেন মাত্র এক রানে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম তিন ব্যাটসম্যান এভাবে ১ রান করে আউট হওয়ার রেকর্ড এবারই প্রথম।

মাত্র ৫ রানে ৩ ব্যাটসম্যানের উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে যায় কোহলিরা।দলের এমন কঠিন বিপর্যয়ের ম্যাচে হাল ধরবেন বলে দিনেশ কার্তিকের প্রতি ভরসা করেছিলেন ভারতীয় সমর্থকরা। দলের এই দুঃসময়ে তিনিও নিজে ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হতে পারেননি।ম্যাট হেনরির বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে জেমস নিশামের বাঁ-হাতের অসাধারণ ক্যাচে পরিণত হন কার্তিক। তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে ১০ ওভারে মাত্র ২৪ রানে প্রথম সারির ৪ ব্যাটসম্যানের উইকেট হারিয়ে চরম বিপদে পড়ে যায় ভারত।পঞ্চম উইকেটে হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে ৪৭ রানের জুটি গড়ে দলকে খেলায় ফেরাতে চেষ্টা করেন রিশব প্যান্ট। আগের ১২ বলে মাত্র ১ রান নেয় ভারত। পরপর ডটবল খেলার কারণে বাউন্ডারি হাঁকাতে চেষ্টা করেছিলেন প্যান্ট। কিন্তু মিচেল স্যান্টনারের বল তুলে মারতে গিয়ে কলিন ডি গ্রান্ডহোমের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন তিনি। তার আগে ৫৬ বলে মাত্র ৩২ রান করেন রিশব প্যান্ট।এরপর ২১ রানের ব্যবধানে মিচেল স্যান্টনারের দ্বিতীয় শিকার হন হার্দিক পান্ডিয়া। তার আগে ৬২ বলে ৩২ রান করেন তিনি। পান্ডিয়ার বিদায়ের মধ্য দিয়ে ৩০.৩ ওভারে ৯২ রানে ৬ উইকেট হারায় ভারত।সপ্তম উইকেটে রবিন্দ্র জাদেজাকে সঙ্গে নিয়ে ১১৬ রানের অনবদ্য জুটি গড়ে দলকে জয়ের স্নবপ্ন দেখান মহেন্দ্র সিং ধোনি। তবে শেষ দিকে জাদেজা ও ধোনি আউট হলে তীরে গিয়ে তরী ডুবে ভারতের।

কোরআনের শিক্ষার অভাবে মানুষ চরিত্রহীন হচ্ছে: চরমোনাই পীর

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেছেন, দুনিয়াতে যতদিন ওহীভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা থাকবে ততদিন দুনিয়া টিকে থাকবে। কোরআনের শিক্ষার অভাবে মানুষ চরিত্রহীন হচ্ছে।তিনি বলেন, কোরআনী শিক্ষায় শিক্ষিত জাতি কখনো অনৈতিক কাজে জড়াতে পারে না। সমাজে অশান্তির মূলেই রয়েছে নৈতিকতা বিবর্জিত শিক্ষা ব্যবস্থা। ইলমে ওহীর শিক্ষা প্রসারে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।বুধবার জয়পুরহাটে আশরাফুল উলুম কওমী মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।চরমোনাই পীর আরও বলেন, ইসলাম কল্যাণের ধর্ম। মানবতা শান্তির ধর্ম। ইসলামকে বিশ্বব্যাপী কলুষিত করতে ইসলামবিরোধী শক্তিগুলো জঙ্গিবাদ ও আইএসের জন্ম দিয়েছে। বিশ্বব্যাপী ইসলামের সুমহান পতাকাতলে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ শামিল হচ্ছে।এ থেকে তাদেরকে ফিরিয়ে নিতেই আইএস ও জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটানো হয়েছে। ইসলাম চরমপন্থা ও জঙ্গিবাদে বিশ্বাসী নয়।তিনি সকলকে ইসলামবিরোধী সকল কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

‘সিইসিকে হাশরের দিন নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে’

নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে সিইসিকে রোজ হাশরের দিন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছে বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী সৈয়দ আবুল মকসুদ।মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন আয়োজিত ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন,সিইসিকে অন্য কোনো ব্যাপারে না হলেও রোজ হাশরের দিন এই নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে। এত সহজে কেউ তাকে ক্ষমা করবে না, আল্লাহও ক্ষমা করবেন না।

তিনি আরও বলেন, অতীতে বাংলাদেশে অনেক অস্বচ্ছ নির্বাচন হয়েছে, গোজামিলের নির্বাচন হয়েছে। এবারে নির্বাচন কমিশন গোজামিলে না গিয়ে তারা একেবারে ‘সোজামিলে’ চলে গেছে। সোজামিল মানে শতভাগ ভোট। এই সোজামিলের ঘটনা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে নানা অসঙ্গতি তুলে ধরে ‘সুজন’ বলেছে, এ নির্বাচন অনিয়মের খনি, একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। এ নির্বাচনে ১০৩টি আসনের ২১৩টি ভোটকেন্দ্রে শতভাগ ভোট পড়েছে। যা কোনোক্রমেই বিশ্বাসযোগ্য নয়।নির্বাচনের অনিয়মে ঘটনার তদন্ত করতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলর গঠন করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।\