ঢাকা, আজ রোববার, ১ নভেম্বর ২০২০

এবার ভারতীয় কৃষকদের পানি নেয়া বন্ধ করে দিলো ভুটান

প্রকাশ: ২০২০-০৬-২৫ ১৮:১২:৫৫ || আপডেট: ২০২০-০৬-২৫ ১৮:১২:৫৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যখন পুরো ভারতের মনোযোগ লাদাখ সীমান্তে চীনের সঙ্গে সামরিক সংঘ’র্ষ কিংবা নেপালের ভারতীয় এলাকা অন্তভূর্ক্ত করে মানচিত্র প্রকাশের দিকে তখন আরেক প্রতিবেশী ভুটানও নীরবে আসাম রাজ্যের বাকসা জেলা দিয়ে প্রবাহিত চ্যানেলের মাধ্যমে ভারতীয় null

null

nullকৃষকদের দেওয়া পানির প্রবাহ বন্ধ করে দিয়েছে।

কৃত্রিমভাবে তৈরি সেচ চ্যানেলটির (স্থানীয়ভাবে যার নাম ডং) ওপর নির্ভরশীল বাকসা জেলার অন্তত ২৬টি গ্রামের কৃষক। ১৯৫৩ সাল থেকে এই চ্যানেলটি দিয়ে ভুটান থেকে প্রবাহিত হয়ে আসার পানির মাধ্যমে চাষাবাদের কাজ করেন তারা। ফলে হঠাৎ তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের null

null

nullমধ্যে শ’ঙ্কা তৈরি হয়েছে।

কোনও কারণ না উল্লেখ করে হঠাৎ করে ভুটান সরকার চ্যানেলটির পানির প্রবাহ বন্ধ করে দেওয়ায় পুরো বাকসা জেলায় মারাত্ম’ক আকারে আত’ঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে এর প্র’তিবাদে রাস্তায় নেমে বি’ক্ষোভ করেছেন জেলার কৃষকরা। সঙ্গে নাগরিক সমাজের সদস্যরাও তাতে যোগ null

null

nullদেন।

ভুটানের এমন সিদ্ধান্তের কারণে ভুক্তভোগী কৃষক এবং আসামের ওই জেলার নাগরিক সমাজের সদস্যরাও সোমবার বি’ক্ষোভ মি’ছিল করেন। ভুটান সরকার ভারতীয় কৃষকদের জন্য সেচের পানি এমন আচম’কা বন্ধ করে দেওয়া নিয়ে মারাত্ম’ক উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত সং’কট সমাধানের দাবি জানান তারা। null

null

null

কয়েক দশক ধরে সেচের উদ্দেশ্যে পানি ছেড়ে দেওয়ার জন্য ভুটানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বি’ক্ষোভকারীরা কেন্দ্রীয় সরকারকে বিষয়টি নিয়ে ভুটান সরকারের কাছে আলোচনা করার এবং জেলার কৃষকদের বৃহত্তর স্বার্থের বিষয়টি মাথায় রেখে তা সমাধানের অনুরোধ জানান।null

null

null

‘কালীপুর-বোগাজুলি-কালানদী আঞ্চলিক ডং বাঁধ সমিতি’র ব্যানারে জেলার কয়েকশ কৃষক ওই বি’ক্ষোভে অংশ নেন। বিগত সাত দশক ধরে ভুটান থেকে ছাড়া এই পানির ওপর মারাত্ম’কভাবে নির্ভরশীল এসব গ্রামের কৃষকরা ভুটান সরকারকে প্রয়োজনীয় পানি ছাড়ার দাবি জানান।null

null

null

ভুটান সরকারের কাছে বিষয়টি উত্থাপন করার আহ্বান জানিয়ে কৃষকরা আসাম রাজ্য সরকারের কাছে বিষয়টি নিয়ে যথাযথ এবং পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে করে আগামী দিনে কৃষকদের ধান ক্ষেতের পানির প্রবাহ অন্যদিকে সরিয়ে দেওয়া বা ব্যাহত করার এমন ঘটনাnull

null

null আর না ঘটে। সূত্র: সাউথ এশিয়ান মনিটর