ঢাকা, আজ শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০

‘ছেলের লা’শটা যেন পাই’

প্রকাশ: ২০২০-০৫-৩১ ০৯:৩২:৩২ || আপডেট: ২০২০-০৫-৩১ ০৯:৩২:৩২

লিবিয়ায় মানব পাচারকারী চক্রের গু’লিতে নি’হত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে যশোরের এক যুবক রয়েছেন। তিনি ঝিকরগাছা উপজেলার খাটবাড়িয়া গ্রামের ইসরাফিল হোসেনের ছেলে রাকিবুল ইসলাম রাকিব (২০)। তার বাড়িতে শোকের মা’তম চলছে। রাকিবের মা মাহেরুননেছার null

null

nullআর্তনাদে ভারী চারপাশ। সন্তানকে ফিরে পেতে মায়ের আহাজারি- ‘আমাগের আর ছাদের বাড়ি করা লাগবে না, তুই ফিরে আয় বাজান; ফিরে আয়! আমার সোনারে আমার কাছে আনি দেন।’ আহাজারির একপর্যায়ে মাহেরুননেছা বলেন, মুক্তিপণের দাবিতে রাকিবুলকে নি’র্যাতন করত। মুক্তিপণের টাকা জোগাড় করাও হয়েছিল। কিন্তু ওরা আমার null

null

nullছেলেকে মে’রে ফেলল। আমার ছেলে হ’ত্যার বিচার চাই। ছেলের লা’শটা যেন পাই। গ্রামেই তার কবর দিতে চাই। আর কখনও তার জীবিতমুখ দেখতে পারব না। ছেলেকে হারিয়ে মুষড়ে পড়েছেন ইসরাফিল হোসেন। তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, জমি বিক্রি ও জমানো সাড়ে ৪ লাখ টাকায় দালালের মাধ্যমে ছেলেকে লিবিয়ায় পাঠান। দালালচক্র null

null

nullলিবিয়ার একটি শহরে রাকিবকে আ’টকে রেখে নি’র্যাতন শুরু করে। মোবাইল ফোনে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা দিতে রাজিও হন। এরই মধ্যে রাকিবুলকে গু’লি করে হ’ত্যা করেছে। রাকিবুলের বড় ভাই সোহেল রানা বলেন, উন্নত জীবনের আশায় দেশ ছেড়েছিল রাকিবুল। ভালো কাজের জন্য দালালের মাধ্যমে তাকে লিবিয়ায় পাঠানো হয়। null

null

nullকিন্তু শুরু থেকেই দালালেরা তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করতে থাকে। ১৭ মে মোবাইল ফোনে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। ওই টাকা দুবাই থেকে তারা নিতে চায়। ভাইয়ের মুক্তির জন্য ওই টাকা দিতে রাজিও হয়েছিলাম আমরা। আগামী ১ জুন পর্যন্ত তাদের কাছ থেকে সময় নিয়েছিলেন। কিন্তু এর মধ্যে কী হয়ে গেল কিছুই বুঝতে পারলাম না। তার null

null

nullচাচাত ভাই সকালে লিবিয়া থেকে ফোন করে জানিয়েছেন, ২৬ বাংলাদেশিকে গু’লি করে হ’ত্যা করা হয়েছে, তার মধ্যে রাকিবুলও রয়েছেন। রাকিবুল যশোর সরকারি সিটি কলেজে অর্থনীতি বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। রাকিবুলের চাচাতো ভাই ফিরোজ হোসেন লিবিয়া প্রবাসী। তিনি এক বাংলাদেশি দালাল আব্দুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করে null

null

nullরাকিবুলকে লিবিয়ায় নিয়ে যান। চার মাস আগে সাড়ে ৪ লাখ টাকা খরচ করে রাকিবুলকে লিবিয়ায় পাঠানো হয়েছিল। পরিবারে আর্থিক স্বচ্ছলতা ফেরানোর ইচ্ছা নিয়ে রাকিবুল বিদেশে পাড়ি জমান। তার চাচাতো ভাই ফিরোজ হোসেনের মাধ্যমে লিবিয়ার দালাল আব্দুল্লাহর মাধ্যমে প্রথমে ভারত থেকে দুবাই তারপর মিশর হয়ে লিবিয়ার ত্রিপুরায় পৌঁছায়। সেখানেnull

null

null লিবিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় মিজদা শহরে জিম্মি হওয়ার পরে মা’নব পাচা’রকারীদদের গু’লিতে নি’হত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে রাকিব নিহ’ত হয়।