ঢাকা, আজ শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০

থানার মধ্যে জুয়ার আসর, এএসআই-কনস্টেবলের

প্রকাশ: ২০২০-০৫-৩০ ২০:২৩:১১ || আপডেট: ২০২০-০৫-৩০ ২০:২৩:১১

বরগুনার বামনা থানার মধ্যে জুয়া খেলায় পুলিশের এক কর্মকর্তাসহ দুইজনকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া ওই দুই পুলিশ সদস্য হলেন- বামনা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হুমায়ুন এবং কনস্টেবল সুমন মাহমুদ। শনিবার (২৩ মে) রাতে তাদের প্রত্যাহার করে বরগুনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।
null

null

null
জানা গেছে, এএসআই মো. হুমায়ুন এবং কনেস্টবল সুমন মাহমুদের থানার মধ্যে জুয়া খেলার দুটি ছবি শনিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই তাদের প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।
null

null

null
এ বিষয়ে প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন বলেন, অস্বীকারের তো কিছু নেই! আমরা অনেক আগে নিজেরা ব্যারাকে দুষ্টুমি করেছিলাম। আমাদের নিজেদের ভেতরের একজন সেই সময়ে গোপনে ছবি তোলে রেখেছিল। এখন তা প্রকাশ হয়েছে। এজন্য আমাকে থানা
null

null

null
থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্স সংযুক্ত করা হয়েছে।

null

null

null
এদিকে থানার মধ্যে পুলিশ সদস্যদের এমন কর্মকাণ্ডের ছবি ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। থানার মধ্যে জুয়া খেলে যেসব পুলিশ সদস্য পুরো পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন- কেউ কেউ তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানিয়েছেন। আবার কেউ
null

null

null
কেউ বলেছেন- এ ঘটনার ছবি যারা ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন তাদেরও আইনের আওতায় আনা উচিত।
null

null

null
এ বিষয়ে বামনা উপজেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি ওবায়দুল কবীর দুলাল বলেন, অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা এ ঘটনাকে অনেক আগের বলে অবহিত করতে চাইলেও, তাস খেলার সময় তাদের পাশে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দেখে বোঝা যায় ঘটনাটি অতি সম্প্রতি ঘটেছে।
null

null

null
তিনি আরও বলেন, থানার মধ্যে টাকার বিনিময়ে তাস খেলা যেমন অন্যায়, তেমনি এ ঘটনায় বাহিনীটিরও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে ব্যাপকভাবে। তাই এ ঘটনার দায় বামনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এড়াতে পারেন না।
null

null

null
এ বিষয়ে বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন বলেন, জুয়া খেলার ছবি প্রকাশিত হওয়ার পর ওই দুই পুলিশ সদস্যকে ইতোমধ্যেই থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
null

null

null