ঢাকা, আজ মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

দাফনের ১১ দিন পর জীবিত উদ্ধার হল এক তরুণী!

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৯ ১০:২৭:০৬ || আপডেট: ২০২০-০৫-২৯ ১০:২৭:০৬

রা’তে য’শোরে স’রকারি সিটি কলেজ এলাকা থেকে পলিথিন মোড়ানো অ’জ্ঞাতপরিচয় এক ত’রুণীর গ’লাকাটা লা’শ উ’দ্ধার করে পু’লিশ। এই লা’শ উ’দ্ধারেরখবরে পর দিন ৩০ আগস্ট যশোর কোতোয়ালি থা’নায় ছুটে যান চৌগাছার নয়ড়া গ্রামের আমজাদ আলী। তি’নি null

null

null‘অ’জ্ঞাতপরিচয় লা’শটি’ তার মেয়ে সাথী খাতুনের বলে শ’নাক্তকরেন। সেই লা’শ উ’দ্ধার ও দা’ফনের ১১ দিন পর সেই সা’থী খাতুনকে জী’বিত উ’দ্ধার করেছে পু’লিশ। ‘ প’র’কীয়া প্রে’মিকের’ ধর্ম’পিতার বাড়ি সদর উপজেলার জলকর গ্রামেরআজিজ ল’স্করের বাড়ি থেকে রোববার সকালে পু’লিশ তাকে জী’বিত উদ্ধার করেছে। চৌগাছার নয়ড়া null

null

nullগ্রামের আমজাদ আলীর মেয়ে সাথী খাতুন চৌগাছার চাঁদপাড়া গ্রামেরআজিজ ল’স্করের বাড়ি থেকে রোববার সকালে পু’লিশ তাকে জী’বিত উদ্ধার করেছে। চৌ’গাছার নয়’ড়া গ্রা’মের আমজাদ আলীর মেয়ে সাথী খাতুন চৌগাছার চাঁদপাড়া গ্রামেরগোলাম মোস্তফার স্ত্রী। তাদের এহসান নামে ছয় বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। সাথীর ভাই বিপ্লব null

null

nullহোসেন বলেন, সাথী গত ১৪ জুলাই ‘বাইরে কাজে যাচ্ছি, বিকেলেফিরে আসবো’ বলে স্বামীর বাড়ি থেকে বের হন। এ’রপর থে’কে তা’র কোনো সন্ধান ছিল না। সাথী নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবা আমজাদ আলী বাদি হয়ে চৌগাছা থা’নায় একটিসাধারণ ডা’য়েরিও করেছিলেন। গত ২৯ আগস্ট রাতে যশোরে সরকারি সিটি কলেজ এলাকা থেকে লা’শ null

null

nullউ’দ্ধারের খবরে পর দিন ৩০ আগস্ট যশোর কোতোয়ালি থা’নায়ছুটে যান চৌগাছার নয়ড়া গ্রামের আমজাদ আলী। তি’নি ‘অ’জ্ঞাতপরিচয় লা’শটি’ তার মেয়ে সাথী খাতুনের বলে শ’নাক্ত করেন। বিপ্লব হোসেন দাবি করেন, তার বাবা লা’শদেখে হতবিহ্বল হয়ে তাৎক্ষ’ণিক লাশটি তার বোনের বলে শ’নাক্ত করেছিলেন। কিন্তু পরে এ নিয়ে ত’দন্ত হলে তিনি null

null

nullজানতে পারেন তার ভু’ল হয়েছে। উ’দ্ধার হ’ওয়া সা’থী খাতুনবলেন, ‘স্বামীর নি’র্যাতন থেকে রেহাই পেতে ১৪ জুলাই স্বা’মীর বাড়ি ছেড়ে যশোরে চলে আসি। শহরের নিউ মার্কেটে বাস থেকে নেমে এক ঘণ্টা বসেছিলাম। ‘এক’পর্যায়েসদরের ফতেপুর ইউনিয়নের জলকর গ্রামে যাই। যাওয়ার পথে ব্যবহৃত মোবাইল ফো’নটি ভেঙে পানিতে ফেলে দিই।null

null

null এরপর ওই গ্রামের আ’জিজ লস্ক’রের বাড়িতেআ’শ্রয় নিই। গ’ত ৭ সে’প্টেম্বর আজিজ লস্কর পত্রি’কার পাতায় আমার মৃ’ত্যুর সংবাদ দেখেন। তারপর থেকে তিনি আমাকে আর আ’শ্রয় দিতে রাজি হননি।’ ‘এরপরসেপ্টেম্বর বাড়িতে আ’ব্বার মোবাইল নম্বরে (মুখস্থ ছিল) কল করি। পু’লিশকেও বিষয়টা জানাই। পু’লিশ আজ উ’দ্ধার করেছে।null

null

null