ঢাকা, আজ শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০

পৃথিবীতে আর ফিরে আসা হবে না জেনেও মঙ্গলে যাচ্ছে নাসার এলিজা ….

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৯ ০৮:০৪:৫০ || আপডেট: ২০২০-০৫-২৯ ০৮:০৪:৫০

এলিজা কার্সন। বয়স সতেরোর কোঠায়। এ বয়সের ছেলে-মেয়েদের স্কুলের গণ্ডি পার করে কলেজে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন। বন্ধু বান্ধব নিয়ে হইহুল্লোড় করে সময়টা পার করার নেশায় বিভোর থাকে সবাই। কিন্তু এলিজার স্বপ্ন অন্যদের থেকে একটু না অনেকটা দুঃসাহসিক।
https://i2.wp.com/i.imgur.com/ybgSoR8.png?w=1170&ssl=1https://i2.wp.com/i.imgur.com/ybgSoR8.png?w=1170&ssl=1
পৃথিবী থেকে মিলিযন মাইল দূরের ভিন্ন গ্রহের নাগরিক হওয়ার নেশায় মত্ত এলিজা। এলিজা কার্সন নাসার কনিষ্ঠতম সদস্য। সব কিছু অনুকূলে থাকলে এলিজা হবে ২০৩৩ সালে মঙ্গলে যাওয়া পৃথিবীর প্রথম মানুষ। এদিকে যেহেতু সে মঙ্গলে গেলে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম তাই নাসার কাছে সে কোনো প্রকার যৌনতা, বিয়ে বা সন্তানধারণের নিষেধাজ্ঞাপত্রতে সাক্ষর করেছে এলিজা।
https://i2.wp.com/i.imgur.com/ybgSoR8.png?w=1170&ssl=1https://i2.wp.com/i.imgur.com/ybgSoR8.png?w=1170&ssl=1
এলিজা জানে না তার মা কে। সিংগেল প্যারেন্ট হিসেবে বাবার কাছে বড় হয়েছে সে। ৭ বছর বয়সে বাবা তাকে নিয়ে গিয়েছিলেন আলবামার একটি স্পেস ক্যাম্পে। সেই ক্যাম্পের অভিজ্ঞতা তাকে এমনভাবে নাড়িয়ে দিয়েছিল যে তার ভাবনার জগতটাই অন্য শিশুদের চাইতে আলাদা হয়ে যায়।
https://i2.wp.com/i.imgur.com/ybgSoR8.png?w=1170&ssl=1https://i2.wp.com/i.imgur.com/ybgSoR8.png?w=1170&ssl=1
১২ বছর বয়সে এলিজা সবচেয়ে কম বয়েসী হিসেবে আলবামা, কানাডার কুইবেক ও তুরস্কের ইজমিরে নাসার তিনটি ভিন্ন স্পেস ক্যাম্পে অংশ নেয়। তাকে সাহায্য করেছিলেন নাসা’র এক মহাকাশচারী সান্ড্রা ম্যাগনাস। মহাকাশের বেসিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি বিভিন্ন মিশন কিভাবে পরিচালিত হয়, তা শিখে নিয়েছে এলিজা।
img src=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” alt=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” />https://i2.wp.com/i.imgur.com/ybgSoR8.png?w=1170&ssl=1
মহাকর্ষ-শূন্য স্থানে চলাচল করার পদ্ধতি, ভারহীন স্থানে থাকার উপায় শিখেছে। অর্জন করেছে বিশেষ মুহূর্তে জরুরি সিদ্ধান্ত নেয়ার দক্ষতা। রোবোটিকস্ বিষয়ে জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি নিজে একটি রকেটও বানিয়েছে। নাসা’র থেকে তাকে একটি ‘কল নেম’-ও দেয়া হয়েছে- ব্লুবেরি।
img src=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” alt=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” />https://i2.wp.com/i.imgur.com/ybgSoR8.png?w=1170&ssl=1
অফিসিয়ালি নাসা ১৮ বছরের আগে কাউকে নভোচারী হিসেবে আবেদন করার সুযোগ দেয় না। তবে এলিজার ক্ষেত্রে এ নিয়ম মানা হয়নি। প্রথম থেকেই প্রতিষ্ঠানটি এলিজাকে মানুষের ভবিষ্যৎ মঙ্গল অভিযানের জন্য শক্ত সমর্থ করে তৈরি করতে চেয়েছে। ২০৩৩ সালে যখন মঙ্গল গ্রহে প্রথমবার মানুষ পাঠানোর অভিযান শুরু হবে, তখন এলিজার বয়স হবে ৩২, যা একজন নভোচারীর জন্য যথাযথ বয়স।
img src=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” alt=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” />https://i2.wp.com/i.imgur.com/ybgSoR8.png?w=1170&ssl=1
এলিজা জানে, সে হয়তো আর ফিরে আসবেনা এই পৃথিবীতে। আর মাত্র ১৪ বছর পরে একমাত্র নিঃসঙ্গ মানুষ হিসেবে কোটি কোটি মাইল দূরের লোহার লালচে মরিচায় ঢাকা প্রচন্ড শীতল নিষ্প্রাণ গ্রহের ক্ষীয়মাণ নীল নক্ষত্রের নিচে হারিয়ে যাবে। তবে তাতে ভীত নয় সে। পোজামের মহাকাশ গবেষক এলিজার সাহসিকতা নিয়ে বলেন, ‘ এ বয়সে মহাকাশ যানে ঘুরে বেড়ানো বা ভিন্ন গ্রহে যাওয়ার ইচ্ছা থাকাটা স্বাভাবিক।
img src=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” alt=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” />https://i2.wp.com/i.imgur.com/ybgSoR8.png?w=1170&ssl=1
তবে এলিজা ইতোমধ্যে বিশ্ব নাগরিক হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। যা সবার নজর কেড়েছে। সে চাইনিজসহ বিভিন্ন ভাষায় যোগাযোগ করতে পারে। এছাড়া তার বিষয়টি সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী, আমরা তার বয়সী তরুণদের উৎসাহিত করতে এ সুযোগ দিচ্ছি।

পবিত্র কাবায় নামাজরত একজন মুসল্লি, তিনিই ক্লিনার

করোনার আতঙ্ক এখন গোটা বিশ্ব জুড়ে। বিশ্বর বেশিরভাগ দেশেই চলছে লকডাউন। এরই মধ্যে মক্কার ঐতিহাসিক মসজিদুল হারামের পবিত্র কাবা শরিফে চত্বরে চলাচলে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এবার এই কাবা শরিফে নামাজরত একজন ক্লিনারের চিত্রকর্ম ভাইরাল হয়েছে।
img src=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” alt=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” />https://i2.wp.com/i.imgur.com/ybgSoR8.png?w=1170&ssl=1
কাবা শরিফে হাটু গেড়ে বসে আছে ওই পরিষ্কার কর্মী। চারিদিকে শূন্যতা ও স্থবিরতা। এমন একটি চিত্রকর্ম করোনার সময়ে মসজিদের পরিবেশকে তুলে ধরেছে। এই চিত্রটি করোনার সংক্রমণ থেকে মানুষকে দূরে রাখার জন্য মসজিদ বন্ধ করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তকে প্রতিফলিত করে।

সৌদি চিত্রশিল্পী নাবিল আবুলযাদায়েল ছবিটি তৈরি করেছেন যার নাম দেওয়া হয়েছে ইসজদ ওয়া ইকতারেব। এ ছবি বাস্তব চিত্রকে তুলে ধরেছে বলে দাবি করেছেন চিত্রশিল্পী। তিনি বলেন এই ছবিটি আমার জন্য অনুপ্রেরণা, এ এক অভূতূপুর্ব সৃষ্টি।
img src=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” alt=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” />https://i2.wp.com/i.imgur.com/ybgSoR8.png?w=1170&ssl=1
আমার সৌভাগ্য হয়নি মসজিদ আল হারামে যাওয়ার। গেল মাসে বন্ধ করা হয় মসজিদের সকল কার্যক্রম। তবে পরিষ্কারকর্মী যারা আছে তারা দিনরাত আল্লাহর সেবা করছে । এই ছবি এবং ছবির পিছনের ঘটনার প্রশংসা করেছেন মুসলিম জাতি।

কোরআন ও হাদিসের মাঝেই আল্লাহ পাক ও তার মাহবুব (সা.) সুসংবাদ দিয়েছেন ওই মানুষের ব্যাপারে যারা প্রতিকূল মুহূর্তে, বৈরী পরিবেশে মোটকথা সর্বাবস্থায় ধৈর্য ধারণ করে।ধৈর্যকে নিজ জীবনের প্রতিটি সেকেন্ডে অলংকার হিসেবে ব্যবহার করে। এরা আল্লাহতায়ালার কাছে শ্রেষ্ঠ মানুষের মর্যাদা পায়। শ্রেষ্ঠত্বের মানদ’ণ্ডে উত্তীর্ণ হয়ে মাথায় পরে নানাবিধ সুসংবাদের মুকুট।
img src=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” alt=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” />https://i2.wp.com/i.imgur.com/ybgSoR8.png?w=1170&ssl=1
আল্লাহর পক্ষ থেকে পুরষ্কার : আল্লাহতায়ালা ধৈর্যশীলদের জন্য আল কোরআনে সুসংবাদের ডালি সাজিয়েছেন।

১. হে ঈমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামাজ দ্বারা সাহায্য প্রার্থনা কর, নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন। (সুরা বাকারা, আয়াত নং ১৫৩) ২. এবং নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে ভ’য়, ক্ষু’ধা, ধন, প্রাণ এবং ফল-ফসলের দ্বারা পরিক্ষা করব; এবং ওইসব ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ প্রদান কর। যাদের ওপর কোন বি’পদ নিপ’তিত হলে তারা বলে, নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং অবশ্যই আমরা তার দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী। এদের ওপর তাদের রবের পক্ষ হতে শান্তি ও করুনা বর্ষিত হবে এবং এরাই সুপথগামী। (সুরা বাকারা, আয়াত নং ১৫৫-৫৭)
img src=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” alt=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” />https://i2.wp.com/i.imgur.com/ybgSoR8.png?w=1170&ssl=1
ধৈর্যের আলোচনা আসলেই হযরত আইয়ুব (আ.) এর ঘ’টনা সামনে চলে আসে। রাজকীয় জীবন ছিল হযরত আইয়ুব (আ.) এর। আর আল্লাহ পাক যখন তার পরীক্ষা নিলেন তখন তার অবস্থা এমন পর্যায়ে গিয়ে উপনীত হল যে, জীবন উৎসর্গকারিনী এক গুণবতী, ধৈর্যশীলা স্ত্রী বিবি রহিমা ছাড়া আর কেউ তার স’ঙ্গ দিল না।
img src=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” alt=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” />https://i2.wp.com/i.imgur.com/ybgSoR8.png?w=1170&ssl=1
লোকা’লয়ের আ’শ্রয় হা’রিয়ে বনে হল তার ঠিকানা। দীর্ঘ আঠারো বছর যাবত পোকা মাকড় তাকে কু’রে করে খেতে থাকল। তবে আশ্চর্যের বিষয় হল, লম্বা এ সময়ে এক সেকেন্ডের জন্য অভি’যোগ তো দুরের কথা অনুযোগের সুর পর্যন্ত আনার কল্পনা করেননি; অথচ তখনও তিনি নবি এবং জিবরাঈল আলাইহিসসালাম তার কাছে নিয়মত যাতায়াত করেন। ধৈর্যের এমন কোন পথ নেই যে পথে তিনি হাটেননি! কঠিন এ পরীক্ষায় আল্লাহর রহমতে ধৈর্যের মাধ্যমে তিনি উত্তীর্ণ হলেন।
img src=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” alt=”https://i.imgur.com/ybgSoR8.png” />https://i2.wp.com/i.imgur.com/ybgSoR8.png?w=1170&ssl=1
পবিত্র কোরআনে একাধিকবার আল্লাহ তাকে উল্লেখ করে কেয়ামত পর্যন্ত জীব’ন্ত রাখলেন। ধৈর্য কেমন ধ’রতে হয়, ধৈর্যের রূ’প কেমন হয় তার সবটাই দেখালেন হযরত আইয়ুব (আ.)।তাঁর সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, আমি তাকে পেলাম ধৈর্যশীল। কত উত্তম বান্দা সে! সে ছিল আমার অভিমুখী। (সুরা সোয়াদ, আয়াত নং ৪৪)

সুবহানাল্লাহ! ধৈর্যের জন্য কি বিষ্ময়কর স্বীকৃতি!