ঢাকা, আজ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

ইসলামের কারণেই নাগরিকত্ব দেব না মুসলিমদের: অমিত শাহ

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৭ ১৬:৪৪:২৪ || আপডেট: ২০২০-০৫-২৯ ০৯:২৪:১২

নাগরিকত্ব বিল প্রসঙ্গে লোকসভায় যা ঊহ্য রেখেছিলেন, রাজ্যসভায় তা স্পষ্ট করে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার কথায়, গোটা পৃথিবী থেকে যদি মুসলমানেরা এসে এ দেশের নাগরিকত্ব চান, তা হলে তা দেয়া সম্ভব নয়। এ ভাবে চলতে পারে না।

null

null

null

বিরোধীদের মতে, এই বিল হল সরকারের আগ্রাসী হিন্দুত্ব নীতির পরিচায়ক। যদিও বিজেপির পাল্টা যুক্তি, দলের ইস্তাহারেই বিলটি আনার কথা ছিল। সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়েছে। শাহের আশ্বাস, ‘‘কোনও ভাবেই মুসলিম মুক্ত হবে না ভারত।’’
null

null

null
বিরোধী শিবিরের তীব্র প্রতিবাদ, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই সত্ত্বেও আজ রাজ্যসভায় পাশ হয়ে গেল নাগরিকত্ব স‌ংশোধনী বিল (সিএবি)। রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করলেই বিলটি আইনে পরিণত হবে। এর ফলে আরও মসৃণ হবে পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা অমুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ।
null

null

null
২০১৪-র ৩১ ডিসেম্বর বা তার আগে থেকে তারা ভারতে শরণার্থী হিসেবে বাস করলে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন জানাতে পারবেন। অবৈধ ভাবে বসবাস করার জন্য আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত হবে না বলে ভরসা দিয়েছেন শাহ।
null

null

null
এ দিন বিল পাশ হতেই প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য, ‘সমবেদনা ও সৌভ্রাতৃত্বের যে-সংস্কৃতি আমাদের রয়েছে, এই বিলটি তার মাইলফলক।’ তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এ দিন জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) নিয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি শাহ। অসমে হওয়া এনআরসির ব্যর্থতা ঢাকতে ও বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু ভোটব্যাঙ্ককে বার্তা দিতে তড়িঘড়ি সিএবি আনার সিদ্ধান্ত নেয় মোদী সরকার।
null

null

null
ওই বিলে কেন কেবল অ-মুসলিমদের (হিন্দু, শিখ, পার্সি, খ্রিস্টান, জৈন ও বৌদ্ধ) কেন সুবিধে দেওয়া হল, তা নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলে আসছেন বিরোধীরা। তাদের অভিযোগ, মুসলিমদের সঙ্গে বিভাজনের রাজনীতি করার উদ্দেশ্যেই বিলটি আনা হয়েছে। লোকসভায় এই অভিযোগের স্পষ্ট জবাব না দিলেও, আজ শাহ পাল্টা প্রশ্নে বলেন, গোটা দুনিয়া থেকেই যদি মুসলিমরা এসে এ দেশে নাগরিকত্ব চান, তাদের সবাইকে কি নাগরিকত্ব দিয়ে দেব? কী করে দেব।
null

null

null
দেশ কী ভাবে চলবে, এ ভাবে চলতে পারে না।’ এর পরেই তার যুক্তি, ‘প্রতিবেশী তিন দেশের রাষ্ট্রধর্ম হল ইসলাম। সেই কারণে শরণার্থী হিসেবে আসা তিন দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। না হলে উৎপীড়নের শিকার ওই মানুষেরা কোথায় যাবেন।
null

null

null