ঢাকা, আজ শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০

ঈদ জামাত পরিচালনাকালে সিজদারতবস্থায় প্রাণ গেল ইমামের

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৬ ১০:৩০:৩১ || আপডেট: ২০২০-০৫-২৬ ১০:৩০:৩১

সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার শেলাচাপরী গ্রামের মধ্যপাড়া জামে মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ পরিচালনা কালে ইমাম আইয়ুব আলী (৭০) সিজদারতবস্থায় মৃ’ত্যু হয়েছে। সোমবার সকালে ঐ মসজিদে ঈদের নামাজের প্রথম জামাত পরিচালনা করছিলেন তিনি।null
null
null তিনি গ্রামের মৃ’ত দেরাজ আলী মুন্সির ছেলে। শেলাচাপরী মধ্যপাড়া জামে মসজিদে সভাপতি এ্যাড হাবিবুর রহমান হাবিব জানান, ঈদুল ফিতরের সকাল সাড়ে আটটার নামাজের ঈমাম ছিলেন আইয়ুব আলী। নামাজ শুরুর করার পর প্রথম রাকাতের ২য় সিজদায় গিয়ে হঠাৎ ঢ’লে পড়েন। তখনই তার মৃ’ত্যু হয়। তিনি উপজেলার নন্দলালাপুর আলিমnull
null
null মাদ্রাসার সিনিয়র আরবি প্রভাষক ও এলাকার প্রবীন সমাজ সেবক ছিলেন। তার মৃ’ত্যুতে এলাকায় শো’কের ছায়া নেমে এসেছে।বাঁধ ভে’ঙে পানি থৈ থৈ, সেখানেই ঈদের জামাত!গৌরাঙ্গ নন্দী, খুলনা :কয়েক হাজার মানুষ পানিতে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। ঘটনাটি খুলনার সুন্দরবনের একেবারে কোলঘেঁষা কয়রা null
null
nullউপজেলায়। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে কয়রা উপজেলার ২ নম্বর কয়রাসহ কমপক্ষে বিশ জায়গায় বেড়িবাঁধে ভা’ঙন দেখা দেয়। এতে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে বিশাল এলাকা প্লাবিত হয়। এলাকাবাসী শুরু থেকেই নিজেরা নিজেদের চেষ্টায় বাঁধের ভা’ঙ্গন ঠে’কানোর চেষ্টা করছিলেন। ২ নম্বর কয়রায় বাঁধের চার জায়গায় ভা’ঙনের সৃষ্টি হয়। null
null
nullসেখানে প্রতি জোয়ারেই পানি ওঠে। এলাকাবাসীও এবার পানি আটকানোর যথাসাধ্য চেষ্টা করছিল। এর মাঝেই আজ সোমবার মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। কিন্তু কোথায় ঈদের নামাজ আদায় করবেন, চারিদিকেই পানি থৈ থৈ। ঈদগাহগুলোও পানির তলায়। একদিকে ঈদের নামজ আদায় করা, অন্যদিকে ভা’ঙা বাঁধ null
null
nullআটকানো না গেলে পানিতে তলিয়ে থাকা। ফলে এলাকাবাসী সিদ্ধান্ত নেন, তারা বাঁধ আট’কানোর কাজ করবেন। আবার ঈদের নামাজও আদায় করবেন। তাই পানিতেই দাঁড়িয়েই ঈদের নামাজ আদায় করা হয়। এলাকার যুবক ইমতিয়াজউদ্দিন, যিনি গত তিন দিন ধরে বাঁধ আট’কানোর জন্যে স্বেচ্ছাশ্রমে মাটির কাজ করছিলেন, তিনি বলেন, উপয়ান্তর null
null
nullনা দেখে এলাকাবাসী সিদ্ধান্ত নেয় পানিতে দাঁড়িয়েই ঈদের নামাজ আদায় করবেন। সিদ্ধান্ত মতো, সোমবার সকালে ২ নম্বর কয়রার হাজার পাঁচেক মানুষ পানিতে দাঁড়িয়েই ঈদের নামাজ আদায় করেন। একইসাথে বাঁধnull
null
null আট’কানোর কাজও চলে। শুধুমাত্র নামাজ আদায়ের সময় কাজ বন্ধ ছিল। তাঁরা বাঁধের একটি ভা’ঙন আ’টকাতে সক্ষম হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে আরও দুই জায়গার ভা’ঙন আ’টকানো সম্ভব হবে।-কালের কণ্ঠ 110 0 Google +0 0 0