ঢাকা, আজ সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

মেয়ে হুমাইরাকে কোরআনে হাফেজি পড়াচ্ছেন মাশরাফি

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৬ ১০:২৫:২৮ || আপডেট: ২০২০-০৫-২৬ ১০:২৫:২৮

স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক বলা হয় মাশরাফি বিন মুর্তজাকে। কিছুদিন আগেই অধিনায়কের দায়িত্ব ছেড়েছেন তিনি। মাশরাফি বিন মর্তুজার একটি ছেলে এবং একটি মেয়ে। আর বড় মেয়েকে কোরআনের হাফেজ করছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। গতকাল তামিম ইকবালের ফেসবুক লাইভ শোতে হঠাৎ করেই আসেন মাশরাফি বিন মুর্তজা বড় মেয়ের হুমাইয়ারা বিন মুর্তজা। null
null
nullএসময় মাশরাফি জানান মেয়েকে কুরআনের হাফেজ পড়তে চান তিনি। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করে দিয়েছেন মাশরাফি বিন মোর্তজার মেয়ে। উল্লেখ্য, এর আগে একটি কুরআন তেলওয়াত প্রতিযোগিতায় সুমিষ্ট তেলওয়াতের জন্য প্রথম হবার গৌরব অর্জন করেন মাশরাফি কন্যা হুমাইরা।গৌরাঙ্গ নন্দী, খুলনা :কয়েক null
null
nullহাজার মানুষ পানিতে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। ঘটনাটি খুলনার সুন্দরবনের একেবারে কোলঘেঁষা কয়রা উপজেলায়। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের কারণে কয়রা উপজেলার ২ নম্বর কয়রাসহ কমপক্ষে বিশ জায়গায় বেড়িবাঁধে ভা’ঙন দেখা দেয়। এতে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে বিশাল এলাকা প্লাবিত হয়। এলাকাবাসী শুরু থেকেই নিজেরা নিজেদের চেষ্টায় বাঁধের ভা’ঙ্গন ঠে’কানোর চেষ্টা করছিলেন। ২ নম্বর কয়রায় বাঁধের চার জায়গায় ভা’ঙনের সৃষ্টি হয়। সেখানে প্রতি জোয়ারেই পানি null
null
nullওঠে। এলাকাবাসীও এবার পানি আটকানোর যথাসাধ্য চেষ্টা করছিল। এর মাঝেই আজ সোমবার মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। কিন্তু কোথায় ঈদের নামাজ আদায় করবেন, চারিদিকেই পানি থৈ থৈ। ঈদগাহগুলোও পানির তলায়। একদিকে ঈদের নামজ আদায় করা, অন্যদিকে ভা’ঙা বাঁধ আটকানো না গেলে পানিতে তলিয়ে থাকা। ফলে এলাকাবাসী সিদ্ধান্ত নেন, তারা বাঁধ আট’কানোর কাজ করবেন। আবার ঈদের নামাজও আদায় করবেন। তাই পানিতেই দাঁড়িয়েই null
null
nullঈদের নামাজ আদায় করা হয়। এলাকার যুবক ইমতিয়াজউদ্দিন, যিনি গত তিন দিন ধরে বাঁধ আট’কানোর জন্যে স্বেচ্ছাশ্রমে মাটির কাজ করছিলেন, তিনি বলেন, উপয়ান্তর না দেখে এলাকাবাসী সিদ্ধান্ত নেয় পানিতে দাঁড়িয়েই ঈদের নামাজ আদায় করবেন। সিদ্ধান্ত মতো, সোমবার সকালে ২ নম্বর কয়রার হাজার পাঁচেক মানুষ পানিতে দাঁড়িয়েই ঈদের নামাজ আদায় করেন। একইসাথে বাঁধ আট’কানোর কাজও চলে। শুধুমাত্র নামাজ আদায়ের সময় কাজ বন্ধ ছিল। তাঁরা বাঁধের একটি null
null
nullভা’ঙন আ’টকাতে সক্ষম হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে আরও দুই জায়গার ভা’ঙন আ’টকানো সম্ভব হবে।-কালের কণ্ঠ