ঢাকা, আজ রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

ডোমারে ঘুর্ণিঝড়ে বৃদ্ধার ভেঙে পড়া ঘর নির্মাণ করে দিলো সেনাবাহিনী

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৪ ১২:২৫:২৮ || আপডেট: ২০২০-০৫-২৪ ১২:২৫:২৮

নীলফামারী সংবাদদাতা : ঘুর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় অসহায় বৃদ্ধার ভেঙে পড়া ঘর বৃষ্টিতে ভিজে নতুন করে নির্মাণ করে দিলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। শুক্রবার দুপুর হতে বিকাল সাড়ে চার টা পর্যন্ত উপজেলার কেতকীবাড়ি ইউনিয়নের ভারতীয় সীমান্ত ঘেষা এলাকায় বৃদ্ধা মরিয়ম বেগমের একটি ঘর নির্মাণ করে দেয় খোলাহাটি ক্যান্টনমেন্টের সেনাবাহিনী সদস্যরা। নতুন ঘর পেয়ে বেজায় খুশিnull
null
null ওই বৃদ্ধা। মরিয়ম বেগম (৭০) আঞ্চলিক ভাষায় বলেন, ঝড়োত মোর (আমার) ঘর ভাঙ্গি মাটিত পড়ি যায়। মোরতো স্বামি-সন্তান কাহো (কেউ) নাই। ঘর ঠিক করার জন্যে চেয়ারম্যানের কাছোত (কাছে) অনেক কাঁন্দাকাটি করিছু। আর্মির ছাওয়ালা (ছেলেরা) মোর ঘর নয়া (নতুন) বানায় দিছে। ওমার (ওদের) আল্লাহ ভালো করিবে। কেতকীবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জহুরুল হক দিপু জানান, ঘুর্ণিঝড়ে বৃদ্ধা মরিয়ম বেগমের ঘর ভেঙে যাওয়ার খবর আমি null
null
nullসেনাবাহিনীকে জানাই সকালে। তারা দুপুরে এসে নতুন টিন, বাঁশ কিনে একটি ঘর তৈরী করে দেয়। তিনি জানান, মরিয়ম বেগমের ১০ বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর হতে একটি ঘরে একা বসবাস করে আসছে। তার কোন ছেলে মেয়ে নাই। খোলাহাটি ক্যান্টমেন্টের ক্যাপ্টেন তানজিম রহমান জানান, দেশের সকল দূর্যোগ মোকাবেলায় null
null
nullবাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাজ করে। করোনা মোকাবেলায় আমরা সামাজিক দুরত্ব, সচেতনতাসহ অসহায় দুস্থদের মাঝে খাদ্য ও চিকিৎসা দিয়ে আসছি। তিনি জানান, কোথায় কি সমস্যা হচ্ছে তা জানতে, জনপ্রতিনিধিদের সাথে সবসময় যোগাযোগ রাখছি। আজ সকালে কেতকীবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল হক দিপু আমাকে ফোন করে জানায়, ঘুর্ণিঝড়ে তার এলাকার এক বৃদ্ধার ঘরে ভেঙে গেছে। সকাল থেকে উপজেলার আড়াই শত অসহায় গরিব মানুষের মাঝেnull
null
null আমরা খাদ্য সহায়তা দেই। আর দুপুরে গিয়ে সেনাবাহিনীর পক্ষে নতুন টিন, বাঁশ কিনে একটি নতুন ঘর তৈরী করে দেই। তিনি বলেন, যেকোন সংকটে আমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে প্রস্তুত লোয়াড়ি জীবনের মাঝেই ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। যাকে ডাকা হয় নড়াইলের ‘প্রিন্স অব হার্টস’ বা হৃদয়ের রাজপুত্র’ নামে, তার জন্য নির্বাচনে জয় পাওয়া তেমন বড় ঘটনা ছিল না। সহজেই null
null
nullনড়াইল-২ এর সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের কারণে শুরুতে তেমন সময় দিতে পারেননি নিজের নির্বাচনী এলাকায়। তবে বিশ্বকাপের পর থেকে বলা চলে নড়াইলের মানুষের জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন মাশরাফি। বিশেষ করে চলতি করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সারাদেশের জন্যই এক রোলমডেল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন মাশরাফি। নড়াইলে নিজ উদ্যোগে ‘ডোর টু ডোর’ চিকিৎসা সেবা অর্থাৎ রোগীর ডাক্তারের কাছেnull
null
null যেতে হবে না, ডাক্তারই যাবেন রোগীর কাছে- এমন সেবা শুরু করেছেন। পুরো নড়াইলে জীবাণুনাশক কক্ষ স্থাপন করেছেন কয়েক জায়গায়। সহজে ধান কাটার জন্য উপহার দিয়েছেন দুইটি অত্যাধুনিক ধান কাটার মেশিন। মাশরাফির এমন সব উদ্যোগের পর আশাবাদী মানুষের মনে ইচ্ছে জাগে, তাকে দেশের আরও বড় কোন দায়িত্বে দেখার। কিন্তু মাশরাফি নিজে এ বিষয়ে কী ভাবেন? শুধু একজন সংসদ সদস্যই থাকবেন নাকি মন্ত্রী পরিষদের সদস্য হওয়ার ব্যাপারে কিছু null
null
nullভেবেছেন তিনি? এমন আলোচনা এলেই সবাই চিন্তা করেন মাশরাফি হয়তো ভবিষ্যতে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সদস্য হবেন। তাই তার ব্রেসলেটের নিলামের লাইভে খানিক ভিন্ন আঙ্গিকে প্রশ্ন করা হয়েছে, ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বাদে অন্য কোন মন্ত্রীত্বের প্রস্তাব পেলে কী করবেন? প্রশ্নটি শুনে মাশরাফি দারুণ জবাব দেন নিজের গভীর null
null
nullজীবনদর্শন সহকারে। জানান তিনি কখনওই বেশি দূরের কথা ভাবেন না। বর্তমানে যা আছে সেটিই ঠিকঠাক করার চেষ্টা করেন। আর এ কারণেই এখন তিনি নড়াইল-২ আসনের কাজের ব্যাপারেই চিন্তার করছেন শুধু। মাশরাফি বলেন, ‘আসলে আমার এরকম কোন… আমি কষ্ট করতে পছন্দ করি, তবে কোন আশা নিয়ে নয়। বাংলাদেশ দলে যখন খেলেছি, তখন আমাদের সব কষ্টের সামনে ছিল দলের জয়। কিন্তু যদি ব্যক্তিগত লক্ষ্যের কথা বলেন, তাহলে আমি কখনও অমনভাবে লক্ষ্য ঠিক করিnull
null
null না।’ নিজ আসনের মানুষদের ভালো রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন তিনি, ‘যে জিনিসটা চিন্তার প্রয়োজন নেই, আমার আয়ত্বে নেই, সে জিনিসটা আমি চিন্তা করি না। তাই অমন কোন চিন্তা আমার নেই। আমাকে যে দায়িত্বটুকু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন, নড়াইল-২ এর… আমি নিজের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করছি মানুষদের ভাল রাখার।’ তিনি ইতি টানেন এভাবে, ‘এত কিছু বলার কারণ হলো, আপনি যে প্রশ্নটা করলেন… আমি আসলে এত বড় কিছু, এত দূরে তাকাই না। আমার যেটা আছে, সেটার মধ্য থেকেই কিছু করার চেষ্টা করছি। আর এত বড় কিছু ভাবার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।’