ঢাকা, আজ মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

বিয়ে করতে ৮০ কিমি হেঁটে বরের বাড়িতে তরুণী!

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৪ ১১:৫৬:২৩ || আপডেট: ২০২০-০৫-২৪ ১১:৫৬:২৩

বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক হয়েছিল। কিন্তু লকডাউনের কারণে তা স্থগিত হয়ে যায়। অবশেষে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই ৮০ কিমি হেঁটে বরের বাড়িতে পৌঁছলেন কনে। এক হলো চার হাত। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশে। এনডিটিভি জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের ২০ বছরের এক তরুণী লকডাউনের মধ্যে ৮০ কিমি হেঁটে কানপুর থেকে কনৌজ গিয়ে বিয়ে করেছেন। ৪ মে তাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু লকডাউনের কারণে বিয়ে স্থগিত হয়ে যায়। তবে বিয়ে আটকে গেলেও পাত্র ২৩ বছরের বীরেন্দ্র কুমারের সঙ্গে ফোনে নিয়মিত যোগাযোগ ছিলnull null null ২০ বছরের গোল্ডির। লকডাউন ঘোষণার পর তাদের বিয়ে দুবার ভেস্তে যাওয়ায় দুজনেই বেশ বিষণ্ণ হয়ে পড়েন। অবশেষে গত বুধবার বিকালে কানপুরের লক্ষণপুর তিলক গ্রামের গোল্ডি সিদ্ধান্ত নেন তিনি কনৌজের বৈশ্যপুরে বীরেন্দ্রদের বাড়ি হেঁটেই যাবেন। গোল্ডির আসার খবর পেয়েই বীরেন্দ্রর বাড়িতে সাজো সাজো রব পড়ে যায়। তবে সামাজিক দূরত্বের নিয়ম মেনে স্থানীয় এক মন্দিরেই সম্পন্ন হয় বিয়ে তাদেরসুপার সাইক্লোন আম্পানের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত null null nullপশ্চিমবঙ্গ। এর মধ্যেই বিদ্যুৎ নিয়ে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ-অবরোধ। সেই প্রসঙ্গেই প্রতিক্রিয়া জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার তার সরকারি বাসভবন নবান্নে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মমতা বলেন, ‘আমরা সাধ্যমতো কাজ করছি। আমি ও আমার টিম কেউ ৩ দিন ঘুমাইনি। দিন-রাত এক করে কাজ করছি।’ ‘সব দলকে বলব, কিছুদিনের জন্য ক্ষান্ত হন। কাজ করতে দিন। পছন্দ না হলে আমাকে গুলি করুন। নইলে আমার মাথা কেটে নিন।’ বিদ্যুৎ বিপর্যয় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, বুধবার ঝড়ের পর থেকে আলোহীন যে বিরাট সংখ্যক মানুষ শনিবার রাত পর্যন্তও কোনো সুরাহা পাননি, তার দায়ও মুখ্যমন্ত্রী null null nullঅনেকটা চাপিয়ে দেন কলকাতা বিদ্যুৎ সরবরাহ করপোরেশনের (সিইএসসি) ওপর। তার কথা, ‘বৃহস্পতিবার থেকে আমি নিজে কথাবার্তা চালাচ্ছি। সঞ্জীব গোয়েন্কার সঙ্গে নিজে কথা বলেছি। কাজের লোক কম হয়ে গিয়েছে। করোনার কারণে অনেকে ছুটিতে। আর ২০-৩০ % লোক নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। তবে বলেছি, কোনো কথা শুনতে চাই না। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, বিদ্যুৎ সংযোগ ফেরাতে হবে।’ মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বিরোধীদের একাংশ ‘মানুষকে উত্যক্ত করছে’ আর null null null‘সংবাদমাধ্য়মের একাংশ সেটা বড় করে’ দেখাচ্ছে। বিরোধীদের উদ্দেশে তার বার্তা,‘শান্ত থাকুন। ক্ষান্ত দিন।’ সূত্র: এই সময়, আনন্দবাজার।জার্মানির বার্লিনে মুসলিমরদের ঈদের নামাজ আদায় করার জন্য একটি গির্জা খুলে দিয়েছে। স্থানীয় মসজিদে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কারণে মানুষের যথেষ্ট জায়গা হচ্ছে না। জার্মানিতে প্রার্থনা স্থলগুলো ৪ঠা মে থেকে খুলে দেয়া হয়েছে, কিন্তু বলা হয়েছে যারা প্রার্থনা করবেন তাদের দেড় মিটার (৫ ফুট) দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। null
null
null ফলে নিউকোলন এলাকার দার আস-সালাম মসজিদ শুক্রবার মাত্র হাতে গোণা কয়েকজন নামাজীকে জায়গা দিতে পারে। সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসে ক্রুজবার্গ-এর মার্থা লুথেরান চার্চ। তারা বলে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ তাদের গির্জায় জুমার নামাজ আদায় করতে পারবেন। এবছর পৃথিবীর আর সব দেশের মত বার্লিনেও করোনা সংকটের কারণে সবরকম ধর্মীয় অনুষ্ঠান নিয়ম অনুযায়ী ও প্রথা মেনে পালন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। “এট দারুণ একটা ব্যবস্থা এবং এই সঙ্কটের মাঝে রোজার সময় আমাদের খুবই খুশি করেছে,” রয়টার্স বার্তা সংস্থাকে বলেন স্থানীয় ওই মসজিদের ইমাম। “এই মহামারি আমাদের সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্যnull
null
null তৈরি করেছে, সঙ্কটই মানুষকে কাছে নিয়ে আসে।” “কিন্তু এখানে নামাজ আদায় করতে অদ্ভুত লাগছিল, ভেতরে বাজনা আছে, ছবি আছে,” বলেন নামাজী সামির হামদুন, “ইসলামের প্রার্থনাস্থলে তো এসব থাকার কথা নয়।” “কিন্তু এসব অগ্রাহ্য করতে হবে, ভাবতে হবে আমরা ঈশ্বরেরই একটা আলয়ে বসে আছি।” এমনকী ওই গির্জার যাজকও নামাজে অংশ নিয়েছেন। “আমি জার্মান ভাষায় বক্তৃতা করেছি,” জানান মনিকা ম্যাথিয়াস। “আর নামাজের সময় আমি শুধু একটা কথাইnull
null
null বলেছি- হ্যাঁ, হ্যাঁ, হ্যাঁ। কারণ আমরাও তো একইভাবে উদ্বিগ্ন এবং আমরা আপনাদের কাছ থেকেও শিখতে চাই।” “একে অপরের প্রতি এই শ্রদ্ধাবোধটা খুবই সুন্দর,” বলেন গির্জার যাজক মনিকা ম্যাথিয়াস।