ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

দুই সন্তানকে পানিতে চুবিয়ে মা’রল বাবা ও সৎ মা!

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৪ ১১:৫২:০৪ || আপডেট: ২০২০-০৫-২৪ ১১:৫২:০৪

কুমিল্লার মুরাদনগরে বাবা এবং সৎ মায়ের বি’রুদ্ধে দুই কন্যা সন্তানকে পানিতে চুবিয়ে হ’ত্যার অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার রাতে মুরাদনগর উপজেলার নবীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নি’হত স্বর্না (১১)ও ফারিয়া (৫) নবীপুর গ্রামের সুমন মিয়ার মেয়ে। এ ঘটনায় নি’হত দুই কন্যার মা সোনিয়া আক্তার বাদী হয়ে শনিবার দুপুরে শিশুদের বাবা সুমন এবং সৎ মা রুনা আক্তারের বি’রুদ্ধে মুরাদনগর থানায় হ’ত্যা মা’মলা দায়ের করেছে। পুলিশ অ’ভিযুক্ত সৎ মা রুনা আক্তার (৩০) কে গ্রেফতার করেছে। মামলার বিবরণে জানা যায়, নবীপুর গ্রামেরnull
null
null সুমন মিয়ার প্রথম স্ত্রী সোনিয়া আক্তারের দুই কন্যা স্বর্না এবং ফারিয়া। এ পরিবারকে রেখেই সুমন গত ২ বছর পূর্বে রুনা আক্তার নামের ওই নারীকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এ নিয়ে উভয় স্ত্রীর মাঝে কলহ বিবেদ চলে আসছিল। এরই সুত্র ধরে শুক্রবার রাতে পরিকল্পিতভাবে প্রথম স্ত্রীর সন্তান স্বর্না এবং ফারিয়াকে বাবা সুমন এবং সৎ মা রুনা অপহ’রণ করেnull
null
null পানিতে চুবিয়ে হ’ত্যা করে বলে অ’ভিযোগ করা হয়। এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ওসি একেএম মনজুর আলম বলেন, নি’হতদের মা বাদী হয়ে মাম’লা দায়ের করেছে আর এরই প্রেক্ষিতে সৎ মা রুনা আক্তারকে আ’টক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়া হবে।সুমনকে আ’টকের প্রচেষ্টা চলছে।জার্মানির বার্লিনে মুসলিমরদের ঈদের নামাজ আদায় করার জন্য একটি গির্জা খুলে দিয়েছে। স্থানীয় null
null
nullমসজিদে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কারণে মানুষের যথেষ্ট জায়গা হচ্ছে না। জার্মানিতে প্রার্থনা স্থলগুলো ৪ঠা মে থেকে খুলে দেয়া হয়েছে, কিন্তু বলা হয়েছে যারা প্রার্থনা করবেন তাদের দেড় মিটার (৫ ফুট) দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। ফলে নিউকোলন এলাকার দার আস-সালাম মসজিদ শুক্রবার মাত্র হাতে গোণা কয়েকজন নামাজীকে জায়গা দিতে পারে। সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসে ক্রুজবার্গ-এর মার্থা লুথেরান চার্চ। তারা বলে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ তাদের গির্জায় জুমার নামাজ null
null
nullআদায় করতে পারবেন। এবছর পৃথিবীর আর সব দেশের মত বার্লিনেও করোনা সংকটের কারণে সবরকম ধর্মীয় অনুষ্ঠান নিয়ম অনুযায়ী ও প্রথা মেনে পালন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। “এট দারুণ একটা ব্যবস্থা এবং এই সঙ্কটের মাঝে রোজার সময় আমাদের খুবই খুশি করেছে,” রয়টার্স বার্তা সংস্থাকে বলেন স্থানীয় ওই মসজিদের ইমাম। “এই মহামারি আমাদের সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য তৈরি করেছে, সঙ্কটই মানুষকে কাছে নিয়ে আসে।” “কিন্তু এখানে নামাজ আদায় করতে অদ্ভুত লাগছিল, ভেতরে null
null
nullবাজনা আছে, ছবি আছে,” বলেন নামাজী সামির হামদুন, “ইসলামের প্রার্থনাস্থলে তো এসব থাকার কথা নয়।” “কিন্তু এসব অগ্রাহ্য করতে হবে, ভাবতে হবে আমরা ঈশ্বরেরই একটা আলয়ে বসে আছি।” এমনকী ওই গির্জার যাজকও নামাজে অংশ নিয়েছেন। “আমি জার্মান ভাষায় বক্তৃতা করেছি,” জানান মনিকা ম্যাথিয়াস। “আর নামাজের সময় আমি শুধু একটা কথাই বলেছি- হ্যাঁ, হ্যাঁ, হ্যাঁ। কারণ আমরাও তো একইভাবে উদ্বিগ্ন এবং আমরা আপনাদের কাছ থেকেও শিখতে চাই।” “একে অপরের প্রতি এই শ্রদ্ধাবোধটা খুবই সুন্দর,” বলেন গির্জার যাজক মনিকা ম্যাথিয়াস।