ঢাকা, আজ মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০

মঙ্গলবার থেকে করোনা পরীক্ষা করবে গণস্বাস্থ্য, সবার জন্য উন্মুক্ত: ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৪ ১১:৪৭:২২ || আপডেট: ২০২০-০৫-২৪ ১১:৪৭:২২

করোনাভাইরাস শনাক্ত পরীক্ষা শুরু করতে যাচ্ছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। আগামী মঙ্গলবার (২৬ মে) থেকে এই পরীক্ষা শুরু করবে তারা। এ দিন থেকে রাজধানীর ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল এবং সাভারের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে করোনার পরীক্ষা শুরু হবে। সবাই সেখানে গিয়ে পরীক্ষা করাতে পারবেন। আজ শনিবার (২৩ মে) দুপুরে এসব তথ্য জানান গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অনুমোদন তো আমাদের আছেই। তারা তো আমাদের ক্লিনিক্যাল null
null
nullট্রায়ালের অনুমোদন দিয়েছে। আমাদের হাসপাতালকেও অনুমোদন দিয়েছে। সেটার বলেই আমরা করছি।’ ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী আরও বলেন, ‘বিএসএমএমইউতে আমাদের উদ্ভাবিত কিটের সক্ষমতা যাচাইয়ের যে পরীক্ষা চলছে, আমার মনে হয় না তারা ঈদের আগে সেটার ফলাফল দিতে পারবে। সেজন্য ঈদের পরে শুরু করছি আমাদেরটা। আমরা আর অপেক্ষা করব না। মঙ্গলবার (২৬ মে) থেকে আমরা শুরু করছি। ওই দিন থেকে ঢাকা ও সাভার দুই জায়গাতেইnull
null
null শুরু করব। দুটো টেস্টই হবে এন্টিজেন্ট ও এন্টিবডি। লালা ও রক্ত দুটোই লাগবে পরীক্ষার জন্য। যেকোনো ব্যক্তি এসে পরীক্ষা করে নিতে পারবে।’ এখনও কিটের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘হাসপাতালের প্যাথলজির পরীক্ষা কী সরকার বাধা দিতে পারবে? অনুমোদন হয়নি, সেটা তারা কোর্টে গিয়ে করবে। আমাদের হাসপাতাল তো ড্রাগের (ওধুষ প্রশাসন অধিদফতরের) অধীনে না। তারা নথি দিলে সরকারকে উত্তর দেব। বিএসএমএমইউর অনুমোদন তো আমাদের আছেই।জার্মানির বার্লিনে মুসলিমরদের ঈদের নামাজ আদায় করার জন্য একটি null
null
nullগির্জা খুলে দিয়েছে। স্থানীয় মসজিদে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কারণে মানুষের যথেষ্ট জায়গা হচ্ছে না। জার্মানিতে প্রার্থনা স্থলগুলো ৪ঠা মে থেকে খুলে দেয়া হয়েছে, কিন্তু বলা হয়েছে যারা প্রার্থনা করবেন তাদের দেড় মিটার (৫ ফুট) দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। ফলে নিউকোলন এলাকার দার আস-সালাম মসজিদ শুক্রবার মাত্র হাতে গোণা কয়েকজন নামাজীকে জায়গা দিতে পারে। সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসে ক্রুজবার্গ-এর মার্থা লুথেরান চার্চ। তারা বলে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ তাদের গির্জায় জুমার নামাজ আদায় করতে পারবেন। এবছর পৃথিবীর আর সব দেশের মত বার্লিনেও করোনা সংকটের কারণে সবরকম ধর্মীয় অনুষ্ঠান null
null
nullনিয়ম অনুযায়ী ও প্রথা মেনে পালন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। “এট দারুণ একটা ব্যবস্থা এবং এই সঙ্কটের মাঝে রোজার সময় আমাদের খুবই খুশি করেছে,” রয়টার্স বার্তা সংস্থাকে বলেন স্থানীয় ওই মসজিদের ইমাম। “এই মহামারি আমাদের সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য তৈরি করেছে, সঙ্কটই মানুষকে কাছে নিয়ে আসে।” “কিন্তু এখানে নামাজ আদায় করতে অদ্ভুত লাগছিল, ভেতরে বাজনা আছে, ছবি আছে,” বলেন নামাজী সামির হামদুন, “ইসলামের প্রার্থনাস্থলে তো এসব থাকার কথা নয়।” “কিন্তু এসবnull
null
null অগ্রাহ্য করতে হবে, ভাবতে হবে আমরা ঈশ্বরেরই একটা আলয়ে বসে আছি।” এমনকী ওই গির্জার যাজকও নামাজে অংশ নিয়েছেন। “আমি জার্মান ভাষায় বক্তৃতা করেছি,” জানান মনিকা ম্যাথিয়াস। “আর নামাজের সময় আমি শুধু একটা কথাই বলেছি- হ্যাঁ, হ্যাঁ, হ্যাঁ। কারণ আমরাও তো একইভাবে উদ্বিগ্ন এবং আমরা আপনাদের কাছ থেকেও শিখতে চাই।” “একে অপরের প্রতি এই শ্রদ্ধাবোধটা খুবই সুন্দর,” বলেন গির্জার যাজক মনিকা ম্যাথিয়াস।