ঢাকা, আজ সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

দু’বেলা খাওয়াচ্ছেন দু’মাস ধরে, এবার ঈদের জামা দিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৪ ১১:১৮:২৬ || আপডেট: ২০২০-০৫-২৪ ১১:১৮:২৬

নিউজ ডেস্ক : করোনাভাইরাসের কারণে প্রাণপ’ণে ল’ড়ছে মানুষ। ডাক্তাররা ল’ড়ছেন মানুষের জীবন বাঁ’চাতে। মহামা’রি করোনার সঙ্গে নিজেরা ল’ড়ে মানুষকে সুস্থ করে তুলছেন। আর মানুষ ল’ড়ছে টিকে থাকতে। অন্ন জোগাতে। বেঁ’চে থাকতে। কর্মহীন হওয়া মানুষগুলো খুঁজছে আয়ের পথ। বেঁ’চে থাকতে নামছে খাবারের সন্ধানে। খাদ্য সহায়তায় কেউ ব্যক্তি উদ্যোগে আবার কেউবা পাচ্ছেন সরকারি সহায়তা। যদিও মানুষের চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত নয়, কিন্তু খাবারহীন মানুষের ঘরে আসছে দু-মুঠো খাবার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড null
null
nullপারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী তানভীর হাসান সৈকত মানুষের কাছ থেকে অর্থ সহায়তা নিয়ে রাজধানীর ছিন্নমূল মানুষগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে ল’ড়াই করছেন। দুই বেলায় প্রায় এক হাজার মানুষকে খাবার খাওয়াচ্ছেন সৈকত। সৈকত জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র বড় ভাই, পুলিশ কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও সরকারি উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সহায়তা এনে টানা দুই মাস ধ’রে দরিদ্র মানুষের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছি। ৬০ দিন দুই বেলা করে খাবার দেওয়া পর ঈদে সবাইকে নতুন জামা null
null
nullউপহারও দিচ্ছি। কিছুটা নিজের অর্থ থেকে আবার কিছুটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক শিক্ষার্থী শতাধিক শিশুর ঈদের জামা উপহার দিয়েছেন। তিনি জানান, প্রতিদিন এক কাপড়ে খাবার নিতে আসা ছিন্নমূল মানুষগুলোকে দেখে ঈদে নতুন কাপড় উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাঁচশ’র বেশি মানুষকে নতুন পোশাক দেয়া একার পক্ষে সম্ভব হয়নি। কয়েকজনের সহায়তা নিয়ে নতুন কাপড় কেনা হয়েছে। শিশুদের পোশাক ও ছিন্নমূল নারীকে একটি করে শাড়ি উপহার দেওয়া হয়েছে।null
null
null এখন পুরুষদের লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি দেওয়া বাকি, সেটাও কেনা হয়েছে। আজ শনিবার সবাইকে দেওয়া হবে। রজমান মাসে ইফতার ও সেহরীও খাওয়াচ্ছেন তিনি। ঈদের দিন বিশেষ খাবার খাওয়ানো পরিকল্পনা রয়েছে তার। দুই দফায় প্রতিদিন এক হাজারের বেশি মানুষের মুখে খাবার দিচ্ছেন। গত ২৩ মার্চ থেকে তিনি একাই শুরু করেছিলেন এ কাজ। পঞ্চাশজন মানুষকে চাল, ডাল ও আলু দেওয়ার মাধ্যমে তার কার্যক্রম শুরু। তানভীর হাসান সৈকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য। ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সোহাগ-জাকির কমিটির সদস্য। বিত্তবান মানুষগুলোকে ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর null
null
nullআহবান জানান তিনি। নিজের মুঠোফোন নম্বর দিয়ে বলেন, আমার এই ০১৬৮৪০২৩৪১১ নম্বরটিতে বিকাশ হিসাব খোলা আছে। চাইলে আপনারাও সহযোগিতা করতে পারেন। আমি একা করছি না, সবাই সহযোগিতা নিয়ে কাজ করছি।আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পাকিস্তানের করাচিতে শুক্রবার (২২ মে) বিধ্ব’স্ত হওযা বিমানের ৯৯ আরোহীর মধ্যে ৯৭ জনই মা’রা গেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিআইএ কর্তৃপক্ষ। ওই বিমান থেকে বেঁ’চে ফেরা এক যাত্রীর বর্ণনা নিয়ে বিশেষ null
null
nullপ্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিবিসি। বিবিসির খবরটি এমটিনিউজ ২৪.কমের পাঠকের উদ্দেশে তু’লে ধ’রা হলো; বিমানের ফ্লাইট রেকর্ডার উ’দ্ধার করা হয়েছে, ঘ’টনার কারণ তদ’ন্তের প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। তবে পাকিস্তানের পাইলটদের সমিতি বলছে, সরকারি তদ’ন্তের ওপর তাদের কোন আস্থা নেই।পাকিস্তানের জাতীয় এয়ারলাইনসের বিমানটিতে ছিলেন ৯১ জন যাত্রী আর ৮ জন ক্রু। তাদের মধ্যে দু’জন ভাগ্যক্রমে বেঁ’চে গেছেন, বাকি ৯৭ জনের সবাই নিহ’ত হয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষnull
null
null জানিয়েছে।এখন মৃ’তদে’হগুলো আত্মীয়স্বজনদের হাতে তু’লে দেওয়ার আগে ডিএ’নএ টেস্ট করে সেগুলো শনা’ক্ত করার কাজ চলছে। বিমান বিধ্ব’স্ত হওয়ার কারণ এখনো জানা যায়নি, তবে সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, লাহোর থেকে আসা ফ্লাইটটির পাইলট একবার অবতরণ করার চেষ্টা করেও ব্য’র্থ হয়েছিলেন এবং কারিগরি ত্রু’টির কথা কন্ট্রো’ল টাওয়ারকে জানিয়েছিলেন।সংবাদমাধ্যমে প্রচার হওয়া এক রেকর্ডিংএ পাইলট বিমানটির ইঞ্জিন বিক’ল হওয়ার কথা বলছিলেন বলেnull
null
null শোনা গেছে। যেভাবে বেঁ’চে গেলেন মুহাম্মদ জুবায়ের: বেঁ’চে যাওয়া যাত্রীদের একজন মুহাম্মদ জুবায়ের বলেন, বিমানটি স্বাভাবিকভাবেই উড়ছিল এবং ভেতর থেকে যাত্রীরা বুঝতেই পারেন নি যে বিমানটি মাটিতে পড়ে যাচ্ছে।এ সময় তিনি সং’জ্ঞা হা’রিয়ে ফে’লেছিলেন, কিন্তু একটু পর জ্ঞা’ন ফিরে এলে তিনি দেখতে পান চারদিকে আগুন জ্ব’লছে। মানুষের আ’র্তচিৎ’কার শুনছিলাম সব দিক থেকে – প্রাপ্তবয়স্ক, শিশু সবার আ’র্তচিৎ’কার। যেদিকে তা’কাচ্ছি শুধু আগুন আর আগুন। null
null
nullকোনো মানুষ দেখতে পাইনি -শুধু চিৎ’কার শুনেছি।আমি সিটবেল্ট খু’লে ফেলি। তারপর আলো দেখতে পাই। আলোর দিকে ছু’টে যাই আমি তারপর লাফ দেই ১০ ফুট নিচে। ধ্বং’সাবশেষ থেকে লা’ফিয়ে পড়ে প্রাণে বেঁ’চে যাই। জুবায়ের সামান্য আহ’ত হয়েছেন। তিনি বলছেন, পাইলট প্রথমবার অবতরণ করার চেষ্টা করে ব্য’থ হন। এর ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই বিমানটি ভে’ঙে পড়ে। ইতোমধ্যে ফ্লাইট ডাটা এবং ব্ল্যা’কবক্সটি উদ্ধা’র করা হয়েছে, তদ’ন্ত শুরু হয়েছে।তবে পাকিস্তানের পাইলটদের null
null
nullসমিতি বলছে, সরকারি তদ’ন্তের ওপর তাদের আস্থা নেই এবং তারা আন্তর্জাতিক তদ’ন্তকারীদের সম্পৃ’ক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। গতকাল বিমানটি ভে’ঙে পড়ার পর টিভি ফুটেজ থেকে দেখা যায়, এলাকার বহু বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একজন প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ উজায়ের জানান বিকট আওয়াজ শুনে তিনি বাইরে বেরিয়ে যান।প্রায় চারটি বাড়ি পুরো বিধ্ব’স্ত হয়ে গেছে। প্রচুর ধোঁয়া আর আগুন জ্ব’লছে। ওরা আমার প্রতিবেশী। ভ’য়ংকর দৃ’শ্য। আরেকজন প্রত্যক্ষদর্শী ড. কানওয়াল নাজিম বলেন, তিনি মানুষের চিৎ’কার শোনেন ও দেখেন মসজিদ লাগোয়া তিনটি বাড়ি থেকে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলি উঠছে। অনেক null
null
nullগাড়িতে আগুন ধ’রে যায়। নিহ’তদের মধ্যে কতজন বিমানের যাত্রী এবং কতজন ওই এলাকার বাসিন্দা তা কর্তৃপক্ষ এখনও নিশ্চিত করতে পারেননি। ১৯ জনের পরিচয় শনা’ক্ত করা হয়েছে।যাত্রীদের মধ্যে অনেকেই রমজানের শেষে ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতিতে তাদের বাড়িতে যাছিল। 0 0 Google +0 0 0