ঢাকা, আজ রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

‘এইবারই প্রথম কেউ আমাগের মুরগি দিলো

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৪ ১১:০৮:২৭ || আপডেট: ২০২০-০৫-২৪ ১১:০৮:২৭

‘ যশোর: ‘করোনা শুরুর পর থেকে কয়েক জায়গাততে কিছু সহযোগিতা পাইছি। এর আগে অন্যবারের ঈদেও সেমোই, চিনি, পাইছি কিন্তু মুরগি কেউ দিইনি। এইবারই প্রথম কেউ আমাগের মুরগি দিলো। লোকের বাড়ি কাজ করতাম। করোনার কারনে এখন কাজ বন্ধ। স্বামী রাজমিস্ত্রীর যোগালের কাজ করে। তারও কাজ বন্ধ। মুরগি পাইয়ে খুব ভালো হইয়েছে। ঈদির দিন ছেলে-পিলের মুখি গোসত দিতি পারবানে।’ করোনার কারণে কর্মহীন দুই সন্তানের জননী বুলবুলি আজ শনিবার দুপুরে ঈদ উপহার হিসেবে পোলাওয়ের চাল, সেমাই, চিনি, দুধ, মসলার null
null
nullসাথে মুরগী পেয়ে খুশিতে ঝলমল চোখে কথাগুলো বললেন। ঈদে খাদ্যসামগ্রীর সাথে এমন মুরগী পেয়ে খুশি তিন সন্তানের জনক আলতাফ হোসেন। প্লাস্টিক ফেরি করে বাড়ি বাড়ি বিক্রি করেন তিনি। করোনায় তার সেই ক্ষুদ্র ব্যবসা বন্ধ। তার সাথে তার মা বাবাও থাকেন। তিনি বললেন, সবাই শুধু সেমোই, চিনি, চাইল, তেল, দেয়। কিন্তু ঈদির দিন ইট্টু গোসত হলি বাড়ির ছেলে পিলে কিযে খুশি হয়। ইনারা সেই গোশতর ব্যবস্থাও কইরে দিল। আল্লাহ ইনাগের ভালো করুক। শুধু বুলবুলি null
null
nullবা আলতাফ নয়। এমন ঈদ উপহার পেয়ে তাদের মতো খুশি যশোর শহরের পুরাতন কসবা এলাকার আরও ৫০০ কর্মহীন মানুষ। আর অসহায় কর্মহীনদের জন্য এসব খাদ্যসামগ্রীর আয়োজন করেন যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগাঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জুয়েল। করোনা শুরুর পর থেকে তিনি এ পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার কর্মহীন মানুষের null
null
nullমাঝে খাদ্যসামগ্রী তুলে দিয়েছেন। এ সময় এলাকার সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর নাসিমা আক্তার উপস্থিত ছিলেন। এ ব্যাপারে জুয়েল বলেন, মহামা’রী করোনা শুরুর পর মানবিক দু’র্দশা লা’ঘবে নিজ উদ্যোগে এলাকার খেটে খাওয়া মানুষের জন্য খাদ্যসামগ্রী সাবান, স্যানিটাইজার সহায়তার চেষ্টা করেছি। ব্যাক্তি উদ্যোগে সীমাবন্ধতার কারনে বেশি দূর এগোতে পারছিলাম না। এ সময় বন্ধু বান্ধব, সহৃদ, রাজনৈতিক নেতা, ধণ্যাঢ্য ব্যবসায়ী সবাই কমবেশি এগিয়ে আসেন, সে কারণে null
null
nullগত দুইমাসে প্রায় ৫ হাজার মানুষের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছৈ দিতে সক্ষম হয়েছি।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পাকিস্তানের করাচিতে শুক্রবার (২২ মে) বিধ্ব’স্ত হওযা বিমানের ৯৯ আরোহীর মধ্যে ৯৭ জনই মা’রা গেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিআইএ কর্তৃপক্ষ। ওই বিমান থেকে বেঁ’চে ফেরা এক যাত্রীর বর্ণনা নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিবিসি। বিবিসির খবরটি এমটিনিউজ ২৪.কমের পাঠকের উদ্দেশে তু’লে ধ’রা হলো; বিমানের ফ্লাইট রেকর্ডার উ’দ্ধার করা হয়েছে,null
null
null ঘ’টনার কারণ তদ’ন্তের প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। তবে পাকিস্তানের পাইলটদের সমিতি বলছে, সরকারি তদ’ন্তের ওপর তাদের কোন আস্থা নেই।পাকিস্তানের জাতীয় এয়ারলাইনসের বিমানটিতে ছিলেন ৯১ জন যাত্রী আর ৮ জন ক্রু। তাদের মধ্যে দু’জন ভাগ্যক্রমে বেঁ’চে গেছেন, বাকি ৯৭ জনের সবাই নিহ’ত হয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।এখন মৃ’তদে’হগুলো আত্মীয়স্বজনদের হাতে তু’লে দেওয়ার আগে ডিএ’নএ টেস্ট করে সেগুলো শনা’ক্ত করার কাজ চলছে। বিমান বিধ্ব’স্ত হওয়ার null
null
nullকারণ এখনো জানা যায়নি, তবে সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, লাহোর থেকে আসা ফ্লাইটটির পাইলট একবার অবতরণ করার চেষ্টা করেও ব্য’র্থ হয়েছিলেন এবং কারিগরি ত্রু’টির কথা কন্ট্রো’ল টাওয়ারকে জানিয়েছিলেন।সংবাদমাধ্যমে প্রচার হওয়া এক রেকর্ডিংএ পাইলট বিমানটির ইঞ্জিন বিক’ল হওয়ার কথা বলছিলেন বলে শোনা গেছে। যেভাবে বেঁ’চে গেলেন মুহাম্মদ জুবায়ের: বেঁ’চে যাওয়া যাত্রীদের একজন মুহাম্মদ জুবায়ের বলেন, বিমানটি স্বাভাবিকভাবেই উড়ছিল এবং ভেতর থেnull
null
nullকে যাত্রীরা বুঝতেই পারেন নি যে বিমানটি মাটিতে পড়ে যাচ্ছে।এ সময় তিনি সং’জ্ঞা হা’রিয়ে ফে’লেছিলেন, কিন্তু একটু পর জ্ঞা’ন ফিরে এলে তিনি দেখতে পান চারদিকে আগুন জ্ব’লছে। মানুষের আ’র্তচিৎ’কার শুনছিলাম সব দিক থেকে – প্রাপ্তবয়স্ক, শিশু সবার আ’র্তচিৎ’কার। যেদিকে তা’কাচ্ছি শুধু আগুন আর আগুন। কোনো মানুষ দেখতে পাইনি -শুধু চিৎ’কার শুনেছি।আমি সিটবেল্ট খু’লে ফেলি। তারপর আলো দেখতে পাই। আলোর দিকে ছু’টে যাই আমি তারপর লাফ দেই ১০ ফুট null
null
nullনিচে। ধ্বং’সাবশেষ থেকে লা’ফিয়ে পড়ে প্রাণে বেঁ’চে যাই। জুবায়ের সামান্য আহ’ত হয়েছেন। তিনি বলছেন, পাইলট প্রথমবার অবতরণ করার চেষ্টা করে ব্য’থ হন। এর ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই বিমানটি ভে’ঙে পড়ে। ইতোমধ্যে ফ্লাইট ডাটা এবং ব্ল্যা’কবক্সটি উদ্ধা’র করা হয়েছে, তদ’ন্ত শুরু হয়েছে।তবে পাকিস্তানের পাইলটদের সমিতি বলছে, সরকারি তদ’ন্তের ওপর তাদের আস্থা নেই এবং তারা আন্তর্জাতিক তদ’ন্তকারীদের সম্পৃ’ক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। গতকাল বিমানটিnull
null
null ভে’ঙে পড়ার পর টিভি ফুটেজ থেকে দেখা যায়, এলাকার বহু বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একজন প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ উজায়ের জানান বিকট আওয়াজ শুনে তিনি বাইরে বেরিয়ে যান।প্রায় চারটি বাড়ি পুরো বিধ্ব’স্ত হয়ে গেছে। প্রচুর ধোঁয়া আর আগুন জ্ব’লছে। ওরা আমার প্রতিবেশী। ভ’য়ংকর দৃ’শ্য। আরেকজন প্রত্যক্ষদর্শী ড. কানওয়াল নাজিম বলেন, তিনি মানুষের চিৎ’কার শোনেন ও দেখেন মসজিদ লাগোয়া তিনটি বাড়ি থেকে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলি উঠছে। অনেক গাড়িতে আগুন ধ’রেnull
null
null যায়। নিহ’তদের মধ্যে কতজন বিমানের যাত্রী এবং কতজন ওই এলাকার বাসিন্দা তা কর্তৃপক্ষ এখনও নিশ্চিত করতে পারেননি। ১৯ জনের পরিচয় শনা’ক্ত করা হয়েছে।যাত্রীদের মধ্যে অনেকেই রমজানের শেষে ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতিতে তাদের বাড়িতে যাছিল।