ঢাকা, আজ শনিবার, ৩০ মে ২০২০

মর্মা’ন্তিক দৃশ্য, করোনায় মারা যাওয়া বাবাকে শেষ দেখা, শেষ স্পর্শ

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২২ ২০:১৭:২২ || আপডেট: ২০২০-০৫-২২ ২০:১৭:২২

নিউজ ডেস্ক : করোনা সারাবিশ্বকে বদলে দিয়েছে। আমাদের চোখের সামনে এনে দিয়েছে অনেক মর্মান্তিক দৃশ্য, মর্মা’ন্তিক গল্প, বেদনাময় অধ্যায়। চট্টগ্রামে করোনার উপসর্গ নিয়ে মা’রা গেছেন এক ব্যক্তি। তার ৭ বছরের সন্তান এসে বাবাকে শেষবারের মতো স্পর্শ করলো। নীরব অথচ বুকে জমে যাওয়া গভীর কা’ন্না যেন উছলে বের হয়ে আসে- এমন দৃশ্য দেখে। চিকিৎসব বিদ্যুৎ বড়ুয়া এমনই একটি ভি’ডিও পোস্ট করেছেন। যার নিচে লিখেছেন, চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতালে বেদনাবিধুর বাস্তবতা। গত ২০ মে ৪০ বছরের রোগী জীবনের শেষ মুহূর্তে চিকিৎসাnull
null
null নিতে এসেছিল আমাদের চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতালে। রোগীকে প্রথম দেখায় বুঝতে পেরেছিলাম জীবনের সময় বেশি নেই। তবু চেষ্টা করেছিলাম আমাদের সামর্থ নিয়ে রোগীকে বাঁ’চাতে। রোগীর অভিভাবকও বুঝতে পেরেছিল রোগীর পরিণতি। করোনা টেস্ট হয়নি কিন্তু সকল লক্ষণ করোনা ভাইরাস জনিত। অবশেষে মা’রাও গেলেন ১৩.৩০ ঘণ্টা পর। রোগীর অভিভাবক হিসেবে সাথে ছিলেন তার স্ত্রী। স্ত্রী কে জিজ্ঞেস করতেই বললো তাদের ৭ বছরের সন্তান আছে। সাধারণত করোনা জনিত লক্ষণে মা’রা গেলে সিভিল সার্জন অফিসে জানাতে হয়। পরে সিভিল সার্জন নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় দ্রুত দা’ফন করা হয়। কিন্তু আত্মীয় স্বজন null
null
null কেউ মৃ’ত ব্যক্তিকে দেখার সুযোগ হয় না। আমি মৃ’ত রোগীর অভিভাবক স্ত্রীকে বললাম আপনাদের সন্তানকে তার বাবাকে দেখবে না? উত্তরে বললো বাসায় কেউ নাই আর কিভাবে আসবে। পরে সিভিল সার্জন কতৃপক্ষ নিয়ে গেলে সন্তান বাবাকে দেখতে পারবে না। আমি বললাম আপনি বাসায় গিয়ে আপনাদের সন্তানকে নিয়ে আসেন আমাদের হাসপাতালের গাড়ি নিয়ে। তাই হলো মা সন্তানকে আমাদের গাড়িতে করে নিয়ে আসলো। সন্তান বাবা কে তার শেষ স্পর্শ আদর দেওয়ার মুহূর্ত – ( তাদের সন্তান এর সাথে আলাপে তার বাবা সন্তানের অনেক কিছু জানা হলো – কষ্ট হলো অনেক ৭ বছরের null
null
null সন্তান তার বাবা কে হারালো )
করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যেই বাংলাদেশের জয়পুরহাটের মেয়ে মুরসালিন সাবরিনা ও পাকিস্তানের ছেলে মুহাম্মদ উম বিয়ে করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার অনলাইনে বিয়ে সম্পন্ন হয় তাদের। এদিন বিকাল ৫টায় জয়পুরহাট পৌর শহরের কাশিয়াবাড়ি এলাকার ব্যাংক কর্মকর্তা মোজাফ্ফর হোসেনের বাড়িতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অনলাইন মোবাইল ফোনে বিয়ে হয়। কনের পরিবার সূত্রে জানা যায়, মোজাফ্ফর হোসেনের মেয়ে সাবরিনা ২০১৮null
null
null সাল থেকে আমেরিকান অনলাইন ইউনিভার্সিটি অব দ্য পিপলস-এ কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পড়াশোনা করছেন। একই ইউনিভার্সিটিতে মুহাম্মদ উমেরও পড়াশোনা করছেন। ওই ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের নিজস্ব ওয়েবসাইট ‘ইয়েমার’ এর মাধ্যমে দুজনের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারা দুজন বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। ২০১৯ সালে উভয়ের পরিবার কথাটি জানতে পারে। প্রথমে মুরসালিন সাবরিনার পরিবার সম্মতি দেয়নি।null
null
null পরে ছেলের পারিবারিক অবস্থা খোঁজ খবর নিয়ে মোজাফফর হোসেন মেয়েকে মুহাম্মদ উমের সঙ্গে বিয়ে দিতে রাজি হন। মুহাম্মদ উমেরের পরিবারও তাতে রাজি হয়। গত মার্চ মাসে তাদের বিয়ের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছিল। উম ও তার পরিবারের কয়েক জন সদস্য বাংলাদেশে কনে বাড়িতে এসে বিয়ে পড়ানোর কথা ছিল। কিন্তু বাধ সাধে করোনাভাইরাস। তবে করোনার এই দুর্যোগ মুহূর্তে পাকিস্তানি তরুণ ও তার পরিবারের সদস্যরা বাংলাদেশে আসতে না পারলেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে অবশ্য আটকে থাকেনি। দুই পরিবারের সম্মতিতে অনলাইনের মাধ্যমে এই প্রেমিকযুগল বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বর মোহাম্মদ উমের null
null
null বাবা বিল্লাল হোসেন পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের বাসিন্দা। তিনি সবজি ও ফলমূল ব্যবসায়ী। সাবরিনার বাবা মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, পাকিস্তানি ছেলের সঙ্গে আমার মেয়ের বিয়ে দিয়েছি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জামাই এসে মেয়ে নিয়ে যাবেন।