ঢাকা, আজ শনিবার, ৩০ মে ২০২০

বিপা’কে খেটে খাওয়া ৭০ লাখ পরিবহন শ্রমিক, পাশে দাঁড়ায়নি কেউ

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২২ ২০:১৭:৩৮ || আপডেট: ২০২০-০৫-২২ ২০:১৭:৩৮

নিউজ ডেস্ক : প্রাণঘা’তী করোনা ভাইরাস প’রিস্থিতির কারণে প্রায় দুই মাসের সাধারণ ছুটিতে মানবেতর জীবন যাপন করছে দেশের প্রায় ৭০ লাখ পরিবহন শ্রমিক। দীর্ঘদিন ধরে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে বিপা’কে পড়েছেন এসব খেটে খাওয়া মানুষ। পরিবহন শ্রমিকদের দাবি, অভাব অনটনে দিন কাটলেও এখনও কোনো সহায়তা মেলেনি মালিক, শ্রমিক সংগঠন কিংবা সরকারের তরফ থেকে। অন্যদিকে শ্রমিক সংগঠনগুলো বলছে, সংগঠনের পক্ষে দীর্ঘ সময় ধরে সহায়তা সম্ভব নয়। দায়িত্ব নিতে হবে সরকারকে। ছোট একটি রুমে ৩ সদস্যের পরিবার নিয়ে বেশ যাচ্ছিল বাস চালক বেলাল হোসেনের যাপিত জীবন। কিন্তু মহামা’রী করোনা পাল্টে দিয়েছে সবকিছু। মোহাম্মদপুর null
null
null থেকে মতিঝিল দাপিয়ে বেড়ানো এই চালকের এখন পরিবারের মুখে ৩ বেলা খাবার তুলে দেয়াই দায়। বাস চালক বেলাল হোসেন বলেন, ‘কোটি কোটি কাটা চান্দা কাটছে। এখন কই সকলে। আমাদের পাশে কেউ দাঁড়ায়নি।’ ঈদকে সামনে রেখে ৫ বছরের ছোট শিশুর আবদার শুনলে ঘোর অমানিশায় পড়ে যান বেলাল। বেলাল বলেন, ‘বাচ্চা বলে বাবা বাবা মার্কেটে যাবো, পয়সা নেইতো কিভাবে যাব?’ ঠিক এভাবেই দিন কাটছে দেশের প্রায় ৭০ লাখ পরিবহন শ্রমিকের। নিয়মিত চাঁদা দিয়ে আসলেও এই মহাদুর্যোগে মিলছে না সহায়তা। পরিবহন শ্রমিকদের একজন বলেন, ‘আগেতো দিন আনতাম দিন খাইতাম। এখনতো সে অবস্থা নেই।’ আরেক শ্রমিক বলেন, ‘কোনো রোডে ৪’শ-৫শ কোনো রোডে হাজার বারোশো পর্যন্ত চাঁদা কালেকশন করা হয়।’ তবে পরিবহন null
null
null শ্রমিক ও মালিকদের সংগঠনগুলোর নেতাদের দাবি, সাধ্যমতো চেষ্টা করছেন সবাই। সরকারি সহায়তা ছাড়া কিছু করতে না পারার গতানুগতিক অজুহাত তাদের। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী বলেন, ‘৭০ লাখ পরিবহন শ্রমিকদের শ্রমিক ইউনিয়নগুলো একা সহযোগিতা করতে পারবে নাতো। সরকারি প্রণোদনা দরকার, সরকারি সাহায্য দরকার।’ জেলা পর্যায়ে পরিবহন শ্রমিকদের সরকারের আর্থিক সহায়তা পাইয়ে দিতে জেলা প্রশাসক বরাবর তালিকা প্রেরণ করছে বলেও দাবি তাদের।করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যেই বাংলাদেশের জয়পুরহাটের মেয়ে মুরসালিন null
null
null সাবরিনা ও পাকিস্তানের ছেলে মুহাম্মদ উম বিয়ে করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার অনলাইনে বিয়ে সম্পন্ন হয় তাদের। এদিন বিকাল ৫টায় জয়পুরহাট পৌর শহরের কাশিয়াবাড়ি এলাকার ব্যাংক কর্মকর্তা মোজাফ্ফর হোসেনের বাড়িতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অনলাইন মোবাইল ফোনে বিয়ে হয়। কনের পরিবার সূত্রে জানা যায়, মোজাফ্ফর হোসেনের মেয়ে সাবরিনা ২০১৮ সাল থেকে আমেরিকান অনলাইন ইউনিভার্সিটি অব দ্য পিপলস-এ কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং null
null
null বিভাগে পড়াশোনা করছেন। একই ইউনিভার্সিটিতে মুহাম্মদ উমেরও পড়াশোনা করছেন। ওই ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের নিজস্ব ওয়েবসাইট ‘ইয়েমার’ এর মাধ্যমে দুজনের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারা দুজন বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। ২০১৯ সালে উভয়ের পরিবার কথাটি জানতে পারে। প্রথমে মুরসালিন সাবরিনার পরিবার সম্মতি দেয়নি। পরে ছেলের পারিবারিক অবস্থা খোঁজ খবর নিয়ে মোজাফফর হোসেন মেয়েকে মুহাম্মদ উমের সঙ্গে বিয়ে দিতে রাজি হন। মুহাম্মদ উমেরের পরিবারও তাতে রাজি হয়। গত মার্চ মাসে তাদের বিয়ের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছিল। উম ও তার null
null
null পরিবারের কয়েক জন সদস্য বাংলাদেশে কনে বাড়িতে এসে বিয়ে পড়ানোর কথা ছিল। কিন্তু বাধ সাধে করোনাভাইরাস। তবে করোনার এই দুর্যোগ মুহূর্তে পাকিস্তানি তরুণ ও তার পরিবারের সদস্যরা বাংলাদেশে আসতে না পারলেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে অবশ্য আটকে থাকেনি। দুই পরিবারের সম্মতিতে অনলাইনের মাধ্যমে এই প্রেমিকযুগল বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বর মোহাম্মদ উমের বাবা বিল্লাল হোসেন পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের বাসিন্দা। তিনি সবজি ও ফলমূল ব্যবসায়ী। সাবরিনার বাবা মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, পাকিস্তানি ছেলের সঙ্গে আমার মেয়ের বিয়ে দিয়েছি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জামাই এসে মেয়ে নিয়ে যাবেন।