ঢাকা, আজ শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০

মুহুর্তেই শেষ ২০০ কোটি টাকার লিচু!

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২২ ১২:২৯:২৫ || আপডেট: ২০২০-০৫-২২ ১২:২৯:২৫

পাবনা: ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডবে পাবনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এক অপুরণীয় ক্ষতি, মুহুর্তেই শেষ ২০০ কোটি টাকার লিচু! পাশাপাশি বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ল’ন্ডভ’ন্ড হয়ে গেছে। অসংখ্য কাঁচা ঘরবাড়ি এবং গাছপালা ভে’ঙে ও উপড়ে গেছে। আম্ফানে বেশি ক্ষতি হয়েছে ফসলের। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে আম্ফানে পাবনায় কৃষিক্ষেত্রে হাজার কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি ছাড়িয়ে যাবে। জেলা কৃষি বিভাগ বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল থেকে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে কাজ করছে। কৃষি সম্প্রসারণ বিভগের উপপরিচালক আজাহার আলী এসব তথ্য null
null
nullজানিয়েছেন। পাবনায় বুধবার বিকেল থেকেই বৃষ্টি এবং ঝড় শুরু হয়। সন্ধ্যার পর থেকে তা বেড়ে যায়। রাত ৮টার পর থেকে বাতাসের গতিবেগ এবং বৃষ্টি বাড়তে থাকে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় ঘূর্ণিঝড়ের তা’ণ্ডব। জেলা শহরসহ সব উপজেলার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ল’ন্ডভ’ন্ড হয়ে যায়। অনেক স্থানে বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে যায়। সারারাত পুরো পাবনা অন্ধকারে ছিল। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত জেলার সাত উপজেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। জেলার গ্রামাঞ্চলে বিশেষ করে নদী তীরবর্তী ওnull
null
null চরাঞ্চলে অসংখ্য ঘরবাড়ি ভে’ঙে গেছে। হাজার হাজার গাছ ভে’ঙে ও উপড়ে গেছে। শত শত বিঘা জমির ফসল তলিয়ে গেছে। উঠতি বোরো ধান, আম লিচু এবং সব ধরনের শাকসবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ বিভগের উপপরিচালক আজাহার আলী বলেন, আম্ফানের তা’ণ্ডবে আম লিচু ও শাকসবজির ক্ষতি হয়েছে; যা অপূরণীয়। এ বছর ৪ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে লিচু আবাদ হয়েছে জেলায়। লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪৬ হাজার মেট্রিক টন। ঈশ্বরদীসহ সব স্থানে লিচু null
null
nullবিক্রি শুরু হয়েছিল। কিন্ত আম্ফানে ২০ থেকে ২২ ভাগ লিচু নষ্ট হয়ে গেছে। জেলায় ২ হাজার ৬৭০ হেক্টর জমিতে আম আবাদ হয়েছিল। ৩০ ভাগ আম নষ্ট হয়েছে। বেড়া উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের শামসুর রহমান জানান, তার বাগানের কমপক্ষে ৫০ হাজার টাকার আম নষ্ট হয়েছে। এলাকার সব কৃষকের এবং বাড়ির আঙিনার কোনো গাছে আম নেই। এই ক্ষতি অপূরণীয়। ঈশ্বরদীর লিচু চাষি কেতাব মন্ডল ওরফে লিচু কেতাব বলেন, ঈশ্বরদীতে এ বছর অন্তত ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকার লিচু হয়েছিল। কিন্তু আম্ফানের তা’ণ্ডবে পাকা লিচু সব বিনষ্ট হয়েছে। অসংখ্য লিচু গাছ ভে’ঙে গেছে। এতে ২০০ কোটি টাকার লিচুরnull
null
null ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ জানায়, জেলায় আম্ফানে শাকসবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এবার ১১ হাজার ৬৭৪ হেক্টর জমিতে শাকসবজির আবাদ হয়। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধ’রা হয়েছিল ২ লাখ ৭ হাজার মেট্রিক টন। কিন্তু আম্ফানে কমপক্ষে দেড় হাজার হেক্টরের ফসল ক্ষতি হয়েছে। ঈশ্বরদীর জগন্নাথপুরের বঙ্গবন্ধু কৃষি পদকপ্রাপ্ত সিদ্দিকুর রহমান ময়েজ বলেন, এমনিতেই করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত। তার ওপর আম্ফানের তা’ণ্ডব। এবার কৃষকের কোমড় ভে’ঙে গেল। ৭০null
null
null বিঘা জমির পেয়ারা, কলা, পেঁপেসহ সব ধরনের সবজি নষ্ট হয়েছে আমার। আমার মতো অনেক কৃষক আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না।উজ ডেস্ক : নিয়ম সবার জন্যই সমান। তবে এত অনিয়মের দেশে নিয়ম মানা লোকদের খুব সহজেই চোখে পড়ে। করোনার দুঃসময়ে চারপাশে নানা অনিয়মের মাঝেও নিয়ম মেনে উদাহরণ হলেন একজন ভিভিআইপি। তিনি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বৃহস্পতিবার রাজধানীর মীনা বাজার সুপার শপের একটি আউটলেটের সামনে সাধারণের সঙ্গে লাইনে দাঁড়ান শিক্ষামন্ত্রী। জনসাধারণের পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব মেনে লাইনে দাঁড়িয়ে একজন মন্ত্রীকে কেনাকাটাnull
null
null করতে দেখায় অনেকেই অবাক হয়েছেন। মুহূর্তেই সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। সাজেদুর রহমান সুমন নামে একজন ফেসবুকে স্ট্যাটাসে লিখেন, ‘উনি আমাদের দীপু মনি। উনি মিনা বাজারে ঢোকার জন্য সর্বসাধারণের সাথে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। ম্যানেজার উনাকে লাইন ভেঙে সামনে যাওয়ার কথা বললেও উনি অস্বীকৃতি জানান।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাই’রাল হওয়া সেই ছবিতে দেখা যায় শিক্ষামন্ত্রী মুখে মাস্ক আর কাঁধে কালো ব্যাগ নিয়ে কেনাকাটার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন। নিয়ম মানার এমন উদাহরণ সৃষ্টি করায় খুশি হয়েছেন অনেকেই