ঢাকা, আজ বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০

করোনার ওষুধ ‘রেমডিসিভির’ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২২ ১১:৫৭:২১ || আপডেট: ২০২০-০৫-২২ ১১:৫৭:২১

করোনা রোগীদের জন্য তৈরি ওষুধ ‘রেমডিসিভির’ স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের কাছে হস্তান্তর করেছে বেক্সিমকো।বৃহস্পতিবার (২১ মে) ওষুধটি হস্তান্তর করা হয়েছে।ওষুধটি হস্তান্তরের সময় জানানো হয় করোনায় আক্রান্ত জটিল ও মুমূর্ষু রোগীদের আরোগ্যের ক্ষেত্রেই বেক্সিমকোর তৈরি রেমডিসিভির ওষুধ অধিক কার্যকর হবে। এটি কেবল সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে দেয়া হবে।ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর মধ্যে কলকাতায় ১৯ জন এবং null
null
nullবিভিন্ন জেলায় ৬১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়ে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতি মেরামতে প্রাথমিকভাবে ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। করোনা পরিস্থিতিতে আর্থিক সঙ্কট চলায় বিপর্যয় মোকাবিলার প্রতিটি টাকা হিসাব করে খরচ করার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে, মৃতদের পরিবারকে আড়াই লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণও দেওয়ার কথা জানান তিনি। পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসন জানিয়েছে, কলকাতায় পানিতে ডুবে চারজন null
null
nullএবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। রিজেন্ট পার্কে দেওয়াল চাপা পড়ে এক নারী ও তার ছেলে এবং কড়েয়ায় টালির চাল ভেঙে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। ঝড়ে উড়ে আসা টিনের চালার আঘাতে শম্ভুনাথ পণ্ডিত স্ট্রিটে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া ঝড়ে আরও দুজনের মৃত্যুর সংবাদ পেয়েছে পুলিশ। প্রশাসনের প্রাথমিক হিসেবে, পশ্চিমবঙ্গে আম্পান ৪০০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে তাণ্ডব চালিয়েছে। সাত-আটটি জেলা খুবই ক্ষতিগ্রস্ত, আরও চার-পাঁচটি জেলা বিপর্যস্ত। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য জোগাড় করতে প্রতিটি দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘১৭৩৭ সালে এমন দুর্যোগ হয়েছিল।null
null
null সতর্কবার্তা পেয়ে পাঁচ লক্ষেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরানো হয়েছিল বলে লক্ষাধিক প্রাণ বাঁচানো গেছে। দুই ২৪ পরগনা ও কলকাতায় বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর তীব্রতা আয়লার থেকেও অনেক বেশি। এ করোনার থেকেও ভয়াবহ দুর্যোগ।’ ইতিমধ্যেই কেন্দ্র সরকারের কাছ থেকে বকেয়া ৫৩ হাজার কোটি টাকা কাছে দাবি করা হয়েছে জানিয়ে মমতা বলেন, ‘অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ। কেন্দ্র সরকারের কাছ থেকে কিছু পাইনি। আয় কিছুই নেই। পুরো খরচ ঘর থেকে করতে হচ্ছে। কীভাবে চলবে জানি না।’ ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, আবাসন, সেচ, বিদ্যুৎ সরবরাহ, পুকুর পরিষ্কার, মাছ ছাড়াnull
null
null এবং ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পকে সংযুক্ত করে পুনর্গঠনের কাজ করবে প্রশাসন। খাবার পানি, ওষুধ, খাবার, মেডিকেল ক্যাম্প, রেশন পরিসেবা অবিলম্বে সচল করতে চাইছে সরকার। ফসলের ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট তৈরির পাশাপাশি কৃষকদের সাহায্যের রূপরেখা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আম্পান পরবর্তী পুনর্গঠনে মন্ত্রীদের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে দিয়েছেন তিনি। জেলাশাসকদের সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী এবং জনপ্রতিনিধিদের।নোদন ডেস্ক : এবার দরিদ্র ও অসহায় পরিবারগুলোর হাতে ঈদের উপহার তুলে দিলেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। আজ বৃহস্পতিবার দুর্যোগপূর্ণ null
null
nullআবহাওয়ায় নিজ এলাকা এরুলিয়া ইউনিয়নের তিন গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তিনি ঈদের খাদ্যসামগ্রীর প্যাকেট পৌঁছে দিয়ে আসেন। হিরো আলম বলেন, ‘আমি এরুলিয়া ইউনিয়ন থেকে নির্বাচন করেছিলাম মেম্বার পদে। হেরে গিয়েছিলাম। কিন্তু জয় পরাজয় কোনো বিষয় নয়, আমি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। তাই এরুলিয়া, বানদীঘি, পাগলাপূর গ্রামের অসহায় মানুষদের তালিকা করে ১০০ পরিবারের হাতে ঈদের খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি। আমি কোনো কিছুর বিনিময়ে এসব করি না। আল্লাহ আমাকে যতটুকু সামর্থ দিয়েছে ততটুকু দিয়ে আমি মানুষের পাশে থাকতে চাই।’ বগুড়া সদরের এরুলিয়াnull
null
null ইউনিয়নে আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের কেবল ব্যবসা রয়েছে। যেখান থেকে তার মাসিক আয় ৭০-৮০ হাজার টাকা। নিজের পরিবার,বাবা-মাকে দেখাশোনার পাশপাশি মানুষদের সহযোগিতা করে থাকেন। স্থানীয় ভাবে হিরো আলম ডিশ আলম নামে পরিচিত। এর আগে করোনাভাইরাসের সং’কটকালে বগুড়ার জেলার হ’তদরিদ্রদের মাঝে নিজের সামর্থ্যের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করন হিরো আলম। তিনদিন ধরে বগুড়ার নন্দীগ্রাম, কাহালু ও শেরপুর এলাকার প্রায় ৫০০ পরিবারের মাঝে চাল, ডাল ও আটাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করছেন তিনি। 1 0 Google +0 0