ঢাকা, আজ মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

লাইনে দাঁড়িয়ে বাজার করলেন শিক্ষামন্ত্রী, ফেসবুকে ছবি ভাইরাল

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২২ ১১:৫৩:৪৪ || আপডেট: ২০২০-০৫-২২ ১১:৫৩:৪৪

ভৈশ্বিক মহামরি করোনা ভাইরাসের কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে বিশ্ব। বাংলাদেশেও বিস্তার করেছে এই ভাইরাস। এ পর্যন্ত মহামারি এ রোগের কোন ওষুধ তৈরি না হওয়ায় ক্রমশ বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। দেশের এমন পরিস্থিতিতে কঠোরভাবে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার কথা বলা হচ্ছে। এ অবস্থায় দারুন একটি দৃশ্যের অবতারণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে লাইনে null
null
nullদাঁড়িয়ে বাজার করেছেন তিনি। এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। মাকসুদুল হাসান রাহুল নামে একজন সেই ছবিটি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। তাতে তিনি লিখেছেন, ‘মীনা বাজারের সামনে জনকাতারে দাঁড়িয়ে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি আপা!’ ঘটনার বিবরণ দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, ‘সুপার শপটির ম্যানেজার উনাকে লাইন ভেঙে সবার আগে শপে প্রবেশের কথা বললেও শ্রদ্ধেয় শিক্ষামন্ত্রী আগে যেতে অস্বীকৃতি জানান এবংnull
null
null লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে সাধারণ নিয়ম অনুসরণ করে শপে ঢোকেন!’ তিনি বলেন, ‘বিদেশী কোনো শিক্ষামন্ত্রী এমন কাজ করলে তো ফেসবুক প্রশংসার জোয়ারে ভেসে যেতো! চলুন নিজের দেশ ও দেশের কর্তাব্যক্তিদের ভালো কাজগুলোরও একটু ব্র‍্যান্ডিং করি।ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর মধ্যে কলকাতায় ১৯ জন এবং বিভিন্ন জেলায় ৬১ জনের প্রাণহানি ঘটেছেnull
null
null। গতকাল বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়ে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতি মেরামতে প্রাথমিকভাবে ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। করোনা পরিস্থিতিতে আর্থিক সঙ্কট চলায় বিপর্যয় মোকাবিলার প্রতিটি টাকা হিসাব করে খরচ করার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে, মৃতদের পরিবারকে আড়াই লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণও দেওয়ার কথা জানান তিনি। পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসন জানিয়েছে, কলকাতায় পানিতে ডুবে চারজন এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। null
null
null রিজেন্ট পার্কে দেওয়াল চাপা পড়ে এক নারী ও তার ছেলে এবং কড়েয়ায় টালির চাল ভেঙে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। ঝড়ে উড়ে আসা টিনের চালার আঘাতে শম্ভুনাথ পণ্ডিত স্ট্রিটে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া ঝড়ে আরও দুজনের মৃত্যুর সংবাদ পেয়েছে পুলিশ। প্রশাসনের প্রাথমিক হিসেবে, পশ্চিমবঙ্গে আম্পান ৪০০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে তাণ্ডব চালিয়েছে। সাত-আটটি জেলা খুবই ক্ষতিগ্রস্ত, আরও চার-পাঁচটি জেলা বিপর্যস্ত। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য জোগাড় করতেnull
null
null প্রতিটি দপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘১৭৩৭ সালে এমন দুর্যোগ হয়েছিল। সতর্কবার্তা পেয়ে পাঁচ লক্ষেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরানো হয়েছিল বলে লক্ষাধিক প্রাণ বাঁচানো গেছে। দুই ২৪ পরগনা ও কলকাতায় বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর তীব্রতা আয়লার থেকেও অনেক বেশি। এ করোনার থেকেও ভয়াবহ দুর্যোগ।’ ইতিমধ্যেই কেন্দ্র সরকারের কাছ থেকে বকেয়া ৫৩ হাজার কোটি টাকা কাছে দাবি করা হয়েছে জানিয়ে মমতা বলেন, ‘অর্থনৈতিক অবস্থাnull
null
null খারাপ। কেন্দ্র সরকারের কাছ থেকে কিছু পাইনি। আয় কিছুই নেই। পুরো খরচ ঘর থেকে করতে হচ্ছে। কীভাবে চলবে জানি না।’ ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, আবাসন, সেচ, বিদ্যুৎ সরবরাহ, পুকুর পরিষ্কার, মাছ ছাড়া এবং ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পকে সংযুক্ত করে পুনর্গঠনের কাজ করবে প্রশাসন। খাবার পানি, ওষুধ, খাবার, মেডিকেল ক্যাম্প, রেশন পরিসেবা অবিলম্বে সচল করতে চাইছে সরকার। ফসলের ক্ষয়ক্ষতির রিপোর্ট তৈরির পাশাপাশি কৃষকদের null
null
nullসাহায্যের রূপরেখা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আম্পান পরবর্তী পুনর্গঠনে মন্ত্রীদের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে দিয়েছেন তিনি। জেলাশাসকদের সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী এবং জনপ্রতিনিধিদের।মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে প্রকৌশল বিভাগের দুই সরকারি কর্মকর্তার জমিতে যাতায়াতের সুবিধার্থে সরকারি অর্থ ব্যয়ে ৪টি কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেয়ার খবর পাওয়া গেছে। শ্রীমঙ্গল উপজেলাজুড়ে জনগুরুত্বপূর্ণ অনেক রাস্তায় প্রয়োজনীয় কালভার্টnull
null
null না থাকলেও প্রায় জনমানবশূন্য পাহাড়ি এলাকায় চারটি কালভার্ট নির্মাণে এই বিপুল পরিমান সরকারি অর্থ অপচয়ের আয়োজন করা হয়েছে। শ্রীমঙ্গল প্রকৌশল বিভাগের সহকারি প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান খান ও সার্ভেয়ার সঞ্জয় কুমার পন্ডিত ছাড়াও ঢাকা সেতু বিভাগের এক প্রকৌশলীর আত্মীয় ও তার বন্ধুরা এই জমি ক্রয়ে শামিল রয়েছেন বলে জানা গেছে। জানা গেছে, উপজেলার বালিশিরা পাহাড় ব্লক-৩ মৌজায়, ৬৩৯ ও ৬৪২ দাগে একটি জনমানবশূন্য পাহাড়ি এলাকায় শ্রীমঙ্গল স্থানীয় null
null
nullসরকার প্রকৌশল বিভাগ থেকে ৪টি বক্স কালভার্ট নির্মাণের প্রকল্প হাতে নিয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, রাধানগর এলাকায় উল্লেখিত মৌজায় ব্যক্তি মালিকানাধিন জমির উপর একটি পায়ে হাঁটা পথে স্থানীয় ১০/১২টি পরিবার যাতায়াত করে। মূলত এই পরিবারগুলোসহ সেখানকার বেশির ভাগ পরিবারের লোকজন পাশ্ববর্তী ইস্পাহানি জেরিন চা বাগানের রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে থাকেন। জেরিন চা বাগানের রাস্তাটির এক প্রান্তের একটি অংশ কয়েক যুগ ধরে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়েnull
null
null আছে। সেখানে ছড়ার পানির তোড়ে রাস্তা ভেঙ্গে গভীর গর্তে পরিণত হওয়ায় সাধারণ মানুষ এ পথে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। স্থানীয়রা দীর্ঘ দিন থেকে সড়কের এই ভাঙ্গা অংশের উপর একটি কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। কিন্তু স্থানীয়দের দাবি করা প্রয়োজনীয় কালভার্ট না দিয়ে ব্যক্তি মালিকানা জায়গার ওপর পায়ে হাঁটা পথে ৪টি কালভার্ট নির্মাণের তোরজোড় শুরু হয়। স্থানীয় প্রকৌশল বিভাগ থেকে ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে অপ্রয়োজনী জায়গায় এই ৪টি কালভার্ট null
null
nullনির্মাণের প্রকল্প নেয়ায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। কুলাউড়া উপজেলার ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স রুবেল মিয়া ওই কালভার্ট নির্মাণের কাজ পেয়েছেন বলে জানা গেছে। এদিকে জমির মালিক পক্ষের বাধা উপেক্ষা করে ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে অপ্রয়োজনীয় এই কালভার্ট নির্মাণের বিষয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে বেড়িয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গেছে, উপজেলা সহকারি প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান খান ও একই বিভাগের সার্ভেয়ার সঞ্জয় কুমার পন্ডিত গত বছরের ১৯ মে বিএস ৩০৩ দাগে null
null
nullএক দলিলে ৬ শতক জায়গা কিনেন। যার দলিল নং ২১৯৪। সেখানে যৌথভাবে রিসোর্ট করার কথা রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া, ২০১৮ সালের ১১ ডিসেম্বর সেতু বিভাগের এক প্রকৌশলীর এক আত্মীয় তাছলিম মোল্লা এবং সাহিদা খান, ফাল্গুনী নূপূর ও আবুল হোসেন দীপু নামে কয়েক ব্যক্তি বিএস ৩০৮ দাগে ৪৮৫৭ নম্বর দলিলে প্রায় ২৮ শতক জায়গা ক্রয় করেন। মূলত উল্লেখিত সরকারি কর্মকর্তা ও তাদের আত্মীয়দের চলাচলের সুবিধার্থে প্রভাব খাটিয়ে অপ্রোজনীয় পায়ে হাঁটা পথটি এলজিইডি আইডিভুক্ত করে ৪টি কালভার্ট নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। এতে করে সরকারি বিপুল পরিমান অর্থ অপচয় হচ্ছে।null
null
null এদিকে জায়গার মালিকপক্ষ এই ৪টি কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেয়ার শুরু থেকে আপত্তি জানিয়ে আসছে। এ্যারোনিয়া এসোসিয়েট প্রাইভেট লিমিটেড নামে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক জুনেদ আহমেদ জানান, ১৯৫৬ সালের এসএ ও ১৯৯০ সালের বিএস রেকর্ডে উল্লেখিত দাগসহ অপরাপর অন্য দাগের ম্যাপে এই রাস্তার কোন উল্লেখ নেই। এই জায়গার উপর একটি ইকো পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সেখানে নিজেদের অর্থায়নে কালভার্ট নির্মাণের কথা রয়েছে। কিন্তু অধিগ্রহন এবং অনাপত্তি ছাড়াই স্থানীয় প্রকৌশল বিভাগ কেন সরকারি টাকা অপচয় করে ব্যক্তি মালিকানায় null
null
nullক্রয়কৃত জায়গার উপর কালভার্ট নির্মাণ করতে যাচ্ছেন তা বোধগম্য নয়। তিনি এই কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প বাতিলে দাবি জানিয়ে এরই মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য, স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিদের লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন। জানতে চাইলে উপজেলা সহকারি প্রকৌশলী মনিরুজ্জমান খান জায়গা কেনার কথা স্বীকার করে বলেন, স্থানীয় রফিক মাস্টারসহ কয়েক ব্যক্তি এই ৪টি কালভার্ট নির্মাণের জন্য প্রস্তাব দিতে বলেন। পরে একটি প্রস্তাবপত্র তৈরি করে প্রকৌশল বিভাগে প্রেরণ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, বেশীরভাগ সময় সব প্রস্তাব অনুমোদন না হলেও এই ৪টি কালভার্ট নির্মাণ প্রস্তাব কীভাবে যে এত দ্রুত পাস হলোnull
null
null তা আমরাও বুঝতে পারিনি। তবে রফিক মাস্টার জানান, সেতু বিভাগের প্রকৌশলী জাকির হোসেনের ভাতিজি জামাই তাছলিম মোল্লা ও আরও কয়েকজন মিলে এখানে তাদের কাছ থেকে জমি কিনেছেন। প্রকৌশলী জাকির হোসেন এই জায়গা কেনার বন্দোবস্ত করে দিয়েছেন। এ ব্যাপারে জাকির হোসেনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তার মোবাইল ফোনে ক্ষুদ্র বার্তা দেয়া হলেও তিনি তার কোন জবাব দেননি। উপজেলা সার্ভেয়ার সঞ্জয় কুমার পন্ডিত একই ভাবে জমি কেনার কথা স্বীকার করে বলেন, হ্যাঁ কিনছি, পাঁচ দশ হাজার টাকা লাভ হলে বিক্রি করে দেব। উপজেলাnull
null
null প্রকৌশলী সঞ্জয় মহন সরকারের কাছে কাদের সুপারিশে উল্লেখিত ৪টি কালভার্ট প্রকল্প নেয়া হয়েছে তা জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোন তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করে বলেন, তথ্য অধিকার আইনে সব তথ্য দেয়া যায় না। তথ্য অধিকার আইনে তথ্য দেয়া অনুরোধ করা হলে তিনি কে সুপারিশ করছে, কার চাহিদায় হচ্ছে এগুলো গোপনীয় বিষয় বলে জানান। প্রকৌশলী সঞ্জয় মহন বলেন, ওই ব্যক্তি পরিচয় দিতে আমরা বাধ্য নই। তবে তিনি এই ৪টি কালভার্ট প্রকল্প প্রস্তাব পাশে জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী ও ঢাকার অতিরিক্ত নির্বাহী প্রকৌশলীর অনুমোদন রয়েছে বলে জানান। শ্রীমঙ্গলের রাধানগরে জন মানবশূন্য এলাকায়null
null
null কালভার্ট নির্মাণের বিষয়ে জানতে চাইলে মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী আজিমুদ্দিন সরদার বলেন, আমি এখানে সদ্য যোগদান করেছি। সেখানে জনস্বার্থবিরোধী কোন কাজ হচ্ছে কিনা এবং প্রকৌশল বিভাগের যে দুই কর্মকর্তা সেখানে জমি কিনেছেন এসব বিষয়ে আমার জানা নেই।