ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০

ডিএসসিসির আরেক কর্মকর্তাকে অপসারণ করলেন মেয়র তাপস

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২১ ১৭:৫৯:৪৬ || আপডেট: ২০২০-০৫-২১ ১৭:৫৯:৪৬

দায়িত্ব নেয়ার তিন দিনের মাথায় দুই কর্মকর্তাকে অপসারণ করার তিন দিন যেতে না যেতেই আরেক কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস । অপসারণ হওয়া এ কর্মকর্তা হলেন- ডিএসসিসির রাজস্ব বিভাগের বাজার সার্কেল-৩ এর কর্মকর্তা বর্তমানে নগর পরিকল্পনা বিভাগে সংযুক্ত আতাহার আলী খান। বুধবার মেয়র ব্যারিস্টার তাপস এবং ডিএসসিসির নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব আকরামুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ডিএসসিসির রাজস্ব বিভাগের বাজার null
null
nullসার্কেল-৩ এর কর্মকর্তা বর্তমানে নগর পরিকল্পনা বিভাগে সংযুক্ত আতাহার আলী খানকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) কর্মচারী চাকরি বিধিমালা-২০১৯ এর বিধি ৬৪(২) মোতাবেক জনস্বার্থে এবং ডিএসসিসির স্বার্থে চাকরি থেকে অপসারণ করা হল। তিনি বিধি মোতাবেক ৯০ দিনের বেতন নগদ প্রাপ্য হবেন। এর আগে গত রোববার ডিএসসিসির প্রভাবশালী দুই শীর্ষ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। চাকরিচ্যুত দুই কর্মকর্তা হলেন- ডিএসসিসির অতিরিক্ত প্রধানnull
null
null প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান ও প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ইউসুফ আলী সরদার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দুই ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে লকডাউনের মধ্যেই রাস্তায় বেরিয়েছিলেন এক দম্পতি। পথিমধ্যে একটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন তারা। কিন্তু সেটি তারা অতিক্রম করে যান। এরপর একই ধরনের আরেকটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে গাড়ি থামান। সেই ব্যাগের মধ্যে ময়লা আছে ভেবে রাস্তা থেকে সরিয়ে ফেলার জন্য তা গাড়িতে তুলে নেন। জানা গেছে, দুই ব্যাগে ছিল যে পরিমাণ ডলার null
null
nullবাংলাদেশি মুদ্রায় তা দাঁড়ায় আট কোটি ৫১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় ডেভিড ও এমিলি দম্পতি বিপুল পরিমাণ ওই অর্থ রাস্তায় কুড়িয়ে পেয়েছেন। জানা গেছে, ব্যাগ দুটি পড়ে থাকা দেখতে পান এমিলি। প্রথমে তারা ময়লার ব্যাগ ভেবে পার হয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সেটি অন্যত্র ফেলে দেওয়ার জন্য তুলে নিয়ে বাড়ি গিয়ে দেখেন, তাতে কাড়ি কাড়ি ডলার। এরপর তারা ক্যারোলিন কাউন্টি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পুলিশও গিয়ে দেখে, ঘটনা সত্যি‍। এই বিপুল null
null
nullপরিমাণ ডলার এভাবে পড়ে থাকার বিষয়টি এখন তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, পোস্টাল সার্ভিস কিংবা কোনো ব্যাংকের অর্থ এগুলো। ক্যারোলিন পুলিশের মেজর স্কট মোসার বলেন, এখনো অনেকে অনেক সৎ রয়েছে। যে কারণে এক মিলিয়ন ডলার পেয়েও কেউ পুলিশে জানায়। তাদের দু’জন সন্তান রয়েছে। তাদের কথা ভেবে ভালো লাগছে। সবার জন্য গর্ব হচ্ছে। তারা এটা প্রমাণ করেছে যে, এই দেশ সৎ মানুষের। তারা ভালো একটি উদাহরণ তৈরি করলnull
null
null। সূত্র : ডেইলি মেইল
মা গো, কেমন আছিস, গুড্ডু বাবা আমার? ওপারের বিষয়টা তো বাবা ভালোভাবে জানি না রে মা। তবে, জানতে চেষ্টা করছি। তুই কি দেখতে পারছিস যে তোকে ছাড়াই আমরা দু’টো দিন স্বাভাবিকভাবেই কাটিয়ে দিলাম? তুই কি শুনতে পারছিস তোকে নিয়ে আমরা কিসব বলছি? তুই কি বুঝতে পারছিস তোকে সবাই কতো ভালবাসে? তুই কি দেখছিস সবাই কি সীমাহীন মমতায় তোর জন্য দোয়া করছে? তুই কি জানিস তোর বয়সের একটা মেয়ে, যাকে null
null
nullআমি চিনি না, আমাকে মেসেজ পাঠিয়েছে আমার মেয়ে হতে চেয়ে? শুধু তাই নয়, মমতাময়ী মেয়েটা আমাকে বাবা ডেকেছে। তুই কি দেখছিস তোর চাপা ভাইটা একদম নিশ্চুপ হয়ে গেছে? তুই কি দেখছিস তোর পাগলী মা টা কেমন করছে? তুই কি দেখছিস তোর বুড়া বুবুটা কেমন করছে? তুই কি দেখছিস তোর নানা, নানু, ফুপি, চাচ্চু, খালা, মামা ও তোর ভাই বোনেরা কি রকম করছে? তুই কি দেখছিস, আম্মা, তোর বাবা, যাকে তুই সারা পৃথবীর সবচেয়ে ভালো বাবা বলতি, সেnull
null
null কেমন স্বাভাবিক আচরণ করছে? হ্যা রে, আমার কাওলা বাবা, আমি স্বাভাবিকই আছি এবং থাকবো। আমাকে যে থাকতেই হবে তোর জন্য দোয়া করার জন্য এবং তোর হয়ে এই সুন্দর দেশটার জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু করার জন্য। তুই চলে গেলি আগে আগে এজন্য আমার তোর উপর কোনও রাগ নেই কারণ এতে তোর কোনও দোষ নেই। সব দোষ বাবার। বাবা তোকে ঠিক মতো বড় করতে পারিনি। যদি পারতাম তাহলে তো তুই এই পথ বেছে নিতি না। অক্ষম বাবাটাকে ক্ষমা করেnull
null
null দিস, মা। তোর মতো মেয়ে পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। যতদিন বেঁচে থাকবো প্রতিদিন মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করবো উনি যেনো তোর আ’ত্মহন’নের ও অন্যান্য অপরাধ ক্ষমা করে দিয়ে তোকে বেহেশতে স্থান দেন এবং তোর কবরের আজাব মাফ করেন। জানি না রে মা, ওপারে তোর সাথে দেখা হবে কি-না। যদি দেখা হয় তোকে কিছুই না বলে খুব শক্তভাবে অনেকক্ষণ জড়িয়ে ধরে রাখবো যেটা তুই আমাকে ছোটবেলায় একটু পরপর করতি বিগ হাগ বলে। এদিকে যে আরেকটাnull
null
null ঝামেলায় পরে গেলাম রে, মা। তুই পরশু চলে গেলি। আর, আজ তোর ২৩তম জন্মদিন। কি করবো বল তো, মা? এমনিতেই করোনার জন্য এবার তেমনভাবে কিছু করা যেতো না। তাই ঠিক করেছি করোনা চলে গেলে এমন ব্যবস্থা করবো যেন অনেকগুলো মেয়ে তোর জন্মদিন পালন করে। শুভ জন্মদিন, মা। তোকে তোর জন্মদিনে উইশ করছি: যে শান্তির জন্য তুই এতো তাড়াতাড়ি পৃথিবী ছেড়ে গেলি সে শান্তি যেন পরম করুণাময় তোকে দান করেন। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ট null
null
nullক্ষমাশীল ও দয়ালু। তোর এই প্রস্থানের ব্যাপারে আমার অবস্থান খুবই স্পষ্ট গো, আম্মা: তোর থাকার জায়গার পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু, আমার হৃদয়ে তুই ছিলি, আছিস এবং থাকবি যতদিন না এর স্পন্দন থেমে যাবে। আজ আর লিখছি না রে, মা। ভালো থাকিস। তোর গুড্ডু বাবা। (লেখকের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)