ঢাকা, আজ শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০

আম্পানের তাণ্ডবে চারঘাটে আমের ব্যাপক ক্ষতি, কেজি ৫০ পয়সা

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২১ ১৭:৫৭:৪০ || আপডেট: ২০২০-০৫-২১ ১৭:৫৭:৪০

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কবলে রাজশাহীর চারঘাট-বাঘায় আমসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়েপড়া সেই আম বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫০ পয়সা কেজি দরে। বুধবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়ায় ঘূর্ণিঝড় আম্পান বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত চারঘাট-বাঘায় তাণ্ডব চালায় বিরতিহীনভাবে। এতে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন আম সংশ্লিষ্টরা। আম ব্যবসায়ী ও চাষিদের দাবি, আমের এ ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা অসম্ভব। এ ছাড়া অনেকে আমের চালান ঘরে তোলা দুষ্কর হবে বলে মনে করছেন তারা। এমনই মহামারী করোনায় আম নিয়ে চাষি ও ব্যবসায়ীদের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। null
null
nullকারণ ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তাণ্ডব সব কিছু লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে। আর কযেক দিন পরেই সব ধরনের আম পাড়া শুরু হবে। এরই মাঝে সব কিছু শেষ করে দিল আম্পান। কীভাবে আমে লাগানো পুঁজি ঘরে তুলবেন তা আল্লাহই জানেন। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার রায়পুর এলাকায় সরেজমিন গেলে সেখানকার আমচাষি ও ব্যবসায়ীরা এভাবেই তাদের কথাগুলো বলছিলেন। কালুহাটি গ্রামের আমচাষি বীর বাহাদুর জানান, ঝড়ে আমসহ ভুট্টা ও তিলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। যে আম বিক্রি হতো null
null
null৪০ টাকা থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে, সেই আম ঝড়ে পড়ে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫০ পয়সা কেজি দরে। আম কেনার লোকও পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি মহামারী করোনায় আম নিয়ে রয়েছে সংশয়। তার ওপর এমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ সবার জীবনে বয়ে এনেছে কষ্টের হাঁড়ি। আমবাগানে যেতেই মন ভেঙে পড়ছে। এভাবে কখনও ঝড়ে এমন ক্ষতি হয়নি। বিষয়টি সম্পর্কে উপপরিচালক রাজশাহী কৃষি কর্মকর্তা শামসুল হক বলেন, আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, যা পুষিয়ে ওঠা কঠিন হবে। তবে দুটিnull
null
null উপজেলায় গড়ে ১২ শতাংশ আমের ক্ষতি হয়েছে। এতে প্রায় ২৫-৩০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ফসলের তেমন একটা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এদিকে ঝড়ে আমসহ ফসলের ক্ষতি ছাড়াও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। বুধবার সন্ধ্যা থেকে চারঘাট-বাঘা উপজেলা ছিল বিদ্যুৎবিহীন। কোথাও ছিল না বিদ্যুৎ। তবে দুপুরের দিকে দুটি উপজেলার কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করতে পারলেও অনেক এলাকা এখনও রয়েছে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায়।null
null
null বিষয়টি সম্পর্কে নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ২-এর চারঘাট জোনাল অফিসের ব্যবস্থাপক মুক্তার হোসেন বলেন, বিদ্যুতের মেইন লাইনের ওপর গাছপালা ভেঙে পড়ায় অনেক এলাকায় এখনও বিদ্যুৎ চালু করা সম্ভব হয়নি। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যেই চেষ্টা করছি সব এলাকায় বিদ্যুৎ সচল করতে। সার্বিক বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা সামিরা বলেন, ঝড়ে আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে ঘরবাড়িসহ ফসলের তেমন ক্ষতি হয়নি।আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দুই ছেলেকেnull
null
null সঙ্গে নিয়ে লকডাউনের মধ্যেই রাস্তায় বেরিয়েছিলেন এক দম্পতি। পথিমধ্যে একটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন তারা। কিন্তু সেটি তারা অতিক্রম করে যান। এরপর একই ধরনের আরেকটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে গাড়ি থামান। সেই ব্যাগের মধ্যে ময়লা আছে ভেবে রাস্তা থেকে সরিয়ে ফেলার জন্য তা গাড়িতে তুলে নেন। জানা গেছে, দুই ব্যাগে ছিল যে পরিমাণ ডলার বাংলাদেশি মুদ্রায় তা দাঁড়ায় আট কোটি ৫১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় ডেভিড ও এমিলি দম্পতি বিপুলnull
null
null পরিমাণ ওই অর্থ রাস্তায় কুড়িয়ে পেয়েছেন। জানা গেছে, ব্যাগ দুটি পড়ে থাকা দেখতে পান এমিলি। প্রথমে তারা ময়লার ব্যাগ ভেবে পার হয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সেটি অন্যত্র ফেলে দেওয়ার জন্য তুলে নিয়ে বাড়ি গিয়ে দেখেন, তাতে কাড়ি কাড়ি ডলার। এরপর তারা ক্যারোলিন কাউন্টি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পুলিশও গিয়ে দেখে, ঘটনা সত্যি‍। এই বিপুল পরিমাণ ডলার এভাবে পড়ে থাকার বিষয়টি এখন তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, পোস্টাল সার্ভিস কিংবা কোনো null
null
nullব্যাংকের অর্থ এগুলো। ক্যারোলিন পুলিশের মেজর স্কট মোসার বলেন, এখনো অনেকে অনেক সৎ রয়েছে। যে কারণে এক মিলিয়ন ডলার পেয়েও কেউ পুলিশে জানায়। তাদের দু’জন সন্তান রয়েছে। তাদের কথা ভেবে ভালো লাগছে। সবার জন্য গর্ব হচ্ছে। তারা এটা প্রমাণ করেছে যে, এই দেশ সৎ মানুষের। তারা ভালো একটি উদাহরণ তৈরি করল। সূত্র : ডেইলি মেইল