ঢাকা, আজ রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

পাহাড়ের উপর উঁচু গাছের মগডালে ঝুলে ৩ ঘণ্টা ধরে ক্লাস করছেন যুবক!

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২১ ১৭:৫৪:৫৫ || আপডেট: ২০২০-০৫-২১ ১৭:৫৪:৫৫

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : বাড়িতে ইন্টারনেটের সমস্যা। এদিকে লকডাউনে অনলাইন ক্লাস না করতে পারলে পিছিয়ে পড়তে হবে। ভাল নেটওয়ার্ক বা হাইস্পিড ইন্টারনেট পেতে তাই বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার পথ হেঁটে, পাহাড়ের উপর একটা উঁচু গাছের মগডালে চড়ে বসেন যুবক। উঁচু গাছের মগডালে ঝুলে ৩ ঘণ্টা করে নিয়মিত অনলাইন ক্লাস করছেন তিনি। একহাতে শক্ত করে গাছের ডাল আঁকড়ে ধরে অন্য হাতে স্মার্টফোনে অনলাইন ক্লাস করছেন ওই যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মেঙ্গালুরুর বক্কালা গ্রামের শিরিষ তালুক অঞ্চলে। জানা গেছেnull
null
null, শিরিষ তালুকের বাসিন্দা স্নাতকোত্তরের (পোস্ট গ্রাজুয়েট) এক ছাত্র শ্রীরাম হেজ এভাবেই ঝুঁ’কি নিয়ে প্রতিদিন অনলাইন ক্লাস করছেন। শ্রীরাম জানিয়েছেন, ইন্টারনেটের ভাল সিগন্যাল পাওয়ার জন্য তাকে ওই গাছের উপর উঠতে হয়। প্রতিদিন তিনটি করে ক্লাস করতে হয়। ক্লাস শুরু হয় সকাল থেকে বেলা ১০টা পর্যন্ত। ফের বেলা ৩টা থেকে আর একটা ক্লাস শুরু হয়। দুপুরে রোদে গাছে উঠে ক্লাস করা খুবই কষ্টকর। তবুও কোনও উপায় নেই। তথ্যসূত্র : জি নিউজ null
null
nullবাংলা
মা গো, কেমন আছিস, গুড্ডু বাবা আমার? ওপারের বিষয়টা তো বাবা ভালোভাবে জানি না রে মা। তবে, জানতে চেষ্টা করছি। তুই কি দেখতে পারছিস যে তোকে ছাড়াই আমরা দু’টো দিন স্বাভাবিকভাবেই কাটিয়ে দিলাম? তুই কি শুনতে পারছিস তোকে নিয়ে আমরা কিসব বলছি? তুই কি বুঝতে পারছিস তোকে সবাই কতো ভালবাসে? তুই কি দেখছিস সবাই কি সীমাহীন মমতায় তোর জন্য দোয়া করছে? তুই কি জানিস তোর বয়সের একটা মেয়ে, যাকে আমি চিনি না, আমাকে মেসেজ পাঠিয়েছে আমার মেয়ে হতে চেয়ে? শুধু তাই নয়, মমতাময়ী মেয়েটা আমাকে বাবা ডেকেছে। তুই কি দেখছিস তোর null
null
nullচাপা ভাইটা একদম নিশ্চুপ হয়ে গেছে? তুই কি দেখছিস তোর পাগলী মা টা কেমন করছে? তুই কি দেখছিস তোর বুড়া বুবুটা কেমন করছে? তুই কি দেখছিস তোর নানা, নানু, ফুপি, চাচ্চু, খালা, মামা ও তোর ভাই বোনেরা কি রকম করছে? তুই কি দেখছিস, আম্মা, তোর বাবা, যাকে তুই সারা পৃথবীর সবচেয়ে ভালো বাবা বলতি, সে কেমন স্বাভাবিক আচরণ করছে? হ্যা রে, আমার কাওলা বাবা, আমি স্বাভাবিকই আছি এবং থাকবো। আমাকে যে থাকতেই হবে তোর জন্য দোয়া করার জন্য null
null
nullএবং তোর হয়ে এই সুন্দর দেশটার জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু করার জন্য। তুই চলে গেলি আগে আগে এজন্য আমার তোর উপর কোনও রাগ নেই কারণ এতে তোর কোনও দোষ নেই। সব দোষ বাবার। বাবা তোকে ঠিক মতো বড় করতে পারিনি। যদি পারতাম তাহলে তো তুই এই পথ বেছে নিতি না। অক্ষম বাবাটাকে ক্ষমা করে দিস, মা। তোর মতো মেয়ে পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। যতদিন বেঁচে থাকবো প্রতিদিন মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করবো উনি যেনো তোর আ’ত্মহন’নের ও null
null
nullঅন্যান্য অপরাধ ক্ষমা করে দিয়ে তোকে বেহেশতে স্থান দেন এবং তোর কবরের আজাব মাফ করেন। জানি না রে মা, ওপারে তোর সাথে দেখা হবে কি-না। যদি দেখা হয় তোকে কিছুই না বলে খুব শক্তভাবে অনেকক্ষণ জড়িয়ে ধরে রাখবো যেটা তুই আমাকে ছোটবেলায় একটু পরপর করতি বিগ হাগ বলে। এদিকে যে আরেকটা ঝামেলায় পরে গেলাম রে, মা। তুই পরশু চলে গেলি। আর, আজ তোর ২৩তম জন্মদিন। কি করবো বল তো, মা? এমনিতেই করোনার জন্য এবার null
null
nullতেমনভাবে কিছু করা যেতো না। তাই ঠিক করেছি করোনা চলে গেলে এমন ব্যবস্থা করবো যেন অনেকগুলো মেয়ে তোর জন্মদিন পালন করে। শুভ জন্মদিন, মা। তোকে তোর জন্মদিনে উইশ করছি: যে শান্তির জন্য তুই এতো তাড়াতাড়ি পৃথিবী ছেড়ে গেলি সে শান্তি যেন পরম করুণাময় তোকে দান করেন। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ট ক্ষমাশীল ও দয়ালু। তোর এই প্রস্থানের ব্যাপারে আমার অবস্থান খুবই স্পষ্ট গো, আম্মা: তোর থাকার জায়গার পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু, আমার হৃদয়ে তুই null
null
nullছিলি, আছিস এবং থাকবি যতদিন না এর স্পন্দন থেমে যাবে। আজ আর লিখছি না রে, মা। ভালো থাকিস। তোর গুড্ডু বাবা। (লেখকের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)দায়িত্ব নেয়ার তিন দিনের মাথায় দুই কর্মকর্তাকে অপসারণ করার তিন দিন যেতে না যেতেই আরেক কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস । অপসারণ হওয়া এ কর্মকর্তা হলেন- ডিএসসিসির রাজস্ব বিভাগের বাজার সার্কেল-৩ এর কর্মকর্তা বর্তমানে নগর পরিকল্পনা বিভাগে সংযুক্ত আতাহার আলী খান। বুধবার মেয়র ব্যারিস্টার তাপস এবং ডিএসসিসির নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত null
null
nullসচিব আকরামুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ডিএসসিসির রাজস্ব বিভাগের বাজার সার্কেল-৩ এর কর্মকর্তা বর্তমানে নগর পরিকল্পনা বিভাগে সংযুক্ত আতাহার আলী খানকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) কর্মচারী চাকরি বিধিমালা-২০১৯ এর বিধি ৬৪(২) মোতাবেক জনস্বার্থে এবং ডিএসসিসির স্বার্থে চাকরি থেকে অপসারণ করা হল। তিনি বিধি মোতাবেক ৯০ দিনের বেতন নগদ প্রাপ্য হবেন। এর আগে গত রোববার ডিএসসিসির প্রভাবশালী দুই শীর্ষ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। চাকরিচ্যুত দুই কর্মকর্তা হলেন- ডিএসসিসির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান ও প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ইউসুফ আলী সরদার।