ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০

ইসলাম ধর্ম বি’রোধী পোস্ট দেয়ায় ভারতীয় অধ্যাপককে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহি’ষ্কার করল সৌদি আরব

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২১ ১৭:৪৭:১১ || আপডেট: ২০২০-০৫-২১ ১৭:৪৭:১১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে ইসলাম বি’রোধী পোস্ট করে পদ খোয়ালেন সৌদি আরবের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ভারতীয় অধ্যাপক নীরজ বেদি। তাকে বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ। খবর : ট্রেন্ডস ম্যাপ। অধ্যাপক নীরজ বেদি সৌদি আরবের জাজান বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিটি মেডিসিনের অধ্যাপক ছিলেন। তার বেতন ছিল ৩৫,০০০ রিয়াল অর্থাৎ প্রতি মাসে ভারতীয় সাত লাখ রুপি। খবর : ওবিএন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে জাজান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার তাদের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে টুইট করে null
null
nullজানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু সদস্যর অ’ভিযোগ রয়েছে, নীরজ বেদি আপত্তিজনক পোস্ট এবং ইসলামফোবিক টুইট করছেন। বিষয়টা আমাদেরও নজরে এসেছে। তাই তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহি’ষ্কার করা হয়েছে। ইসলাম ধর্মকে আঘা’ত ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে বি’ষোদগার অর্থাৎ সাম্প্রদায়িক আচরণের জন্য তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।আন্তর্জাতিক ডেস্ক : দুই ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে লকডাউনের মধ্যেই রাস্তায় বেরিয়েছিলেন এক দম্পতি। পথিমধ্যে null
null
nullএকটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন তারা। কিন্তু সেটি তারা অতিক্রম করে যান। এরপর একই ধরনের আরেকটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখে গাড়ি থামান। সেই ব্যাগের মধ্যে ময়লা আছে ভেবে রাস্তা থেকে সরিয়ে ফেলার জন্য তা গাড়িতে তুলে নেন। জানা গেছে, দুই ব্যাগে ছিল যে পরিমাণ ডলার বাংলাদেশি মুদ্রায় তা দাঁড়ায় আট কোটি ৫১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় ডেভিড ও এমিলি দম্পতি বিপুল পরিমাণ ওই অর্থ রাস্তায় কুড়িয়ে পেয়েছেন। জানা গেছে, ব্যাগ দুটি null
null
nullপড়ে থাকা দেখতে পান এমিলি। প্রথমে তারা ময়লার ব্যাগ ভেবে পার হয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সেটি অন্যত্র ফেলে দেওয়ার জন্য তুলে নিয়ে বাড়ি গিয়ে দেখেন, তাতে কাড়ি কাড়ি ডলার। এরপর তারা ক্যারোলিন কাউন্টি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পুলিশও গিয়ে দেখে, ঘটনা সত্যি‍। এই বিপুল পরিমাণ ডলার এভাবে পড়ে থাকার বিষয়টি এখন তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, পোস্টাল সার্ভিস কিংবা কোনো ব্যাংকের অর্থ এগুলো। ক্যারোলিন পুলিশের মেজর স্কট মোসারnull
null
null বলেন, এখনো অনেকে অনেক সৎ রয়েছে। যে কারণে এক মিলিয়ন ডলার পেয়েও কেউ পুলিশে জানায়। তাদের দু’জন সন্তান রয়েছে। তাদের কথা ভেবে ভালো লাগছে। সবার জন্য গর্ব হচ্ছে। তারা এটা প্রমাণ করেছে যে, এই দেশ সৎ মানুষের। তারা ভালো একটি উদাহরণ তৈরি করল। সূত্র : ডেইলি মেইলক্সক্লুসিভ ডেস্ক : বাড়িতে ইন্টারনেটের সমস্যা। এদিকে লকডাউনে অনলাইন ক্লাস না করতে পারলে পিছিয়ে পড়তে হবে। ভাল নেটওয়ার্ক বা হাইস্পিড ইন্টারনেট null
null
nullপেতে তাই বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার পথ হেঁটে, পাহাড়ের উপর একটা উঁচু গাছের মগডালে চড়ে বসেন যুবক। উঁচু গাছের মগডালে ঝুলে ৩ ঘণ্টা করে নিয়মিত অনলাইন ক্লাস করছেন তিনি। একহাতে শক্ত করে গাছের ডাল আঁকড়ে ধরে অন্য হাতে স্মার্টফোনে অনলাইন ক্লাস করছেন ওই যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মেঙ্গালুরুর বক্কালা গ্রামের শিরিষ তালুক অঞ্চলে। জানা গেছে, শিরিষ তালুকের বাসিন্দা স্নাতকোত্তরের (পোস্ট গ্রাজুয়েট) এক ছাত্র শ্রীরাম হেজ এভাবেই ঝুঁ’কি নিয়ে null
null
nullপ্রতিদিন অনলাইন ক্লাস করছেন। শ্রীরাম জানিয়েছেন, ইন্টারনেটের ভাল সিগন্যাল পাওয়ার জন্য তাকে ওই গাছের উপর উঠতে হয়। প্রতিদিন তিনটি করে ক্লাস করতে হয়। ক্লাস শুরু হয় সকাল থেকে বেলা ১০টা পর্যন্ত। ফের বেলা ৩টা থেকে আর একটা ক্লাস শুরু হয়। দুপুরে রোদে গাছে উঠে ক্লাস করা খুবই কষ্টকর। তবুও কোনও উপায় নেই। তথ্যসূত্র : জি নিউজ বাংলা 27 0 Google +0 0 0 28 2 Google +0 0