ঢাকা, আজ শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০

অনন্য নজির স্থাপন, ১০০ কর্মহীনকে খাদ্য সামগ্রী দিলেন ভ্যানচালক শফিকুল

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২১ ১৭:৪৩:৪৬ || আপডেট: ২০২০-০৫-২১ ১৭:৪৩:৪৬

নীলফামারী : করোনায় কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রি বিতরণ করে অনন্য নজির স্থাপন করেছে ভ্যানচালক শফিকুল ইসলাম বল্টু। বুধবার নিজের সঞ্চিত অর্থ থেকে এলাকার কর্মহীন মানুষের হাতে তুলে দিয়েছেন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রি। নীলফামারী সদর উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের কিছামত দোগছি এলাকার ভ্যানচালক শফিকুল ইসলাম বল্টু। ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে তিনি। সরকারী সাধারণ ছুটি থাকার কারনে এখন প্রতিদিন ৪ থেকে ৫শত টাকা করে আয় হয়। সেই টাকায় সংসার চালিয়ে কিছু টাকা ঈদের খরচের জন্য সঞ্চয়null
null
null করেন তিনি। সেই টাকা থেকে এলাকার কর্মহীন ১০০ মানুষের হাতে নিজে গিয়ে তুলে দেন আটা, চাউল ও আলু। শফিকুল ইসলাম বল্টু জানান, করোনায় আয় কমে গেছে। ভ্যান চালিয়ে পরিবারের ভরণ পোষণ শেষে কিছু টাকা ঈদের জন্য জমা করি। কিন্তু আমার চেয়েও এলাকায় অনেক কর্মহীন মানুষ না খেয়ে আছে। তাই ওই টাকা দিয়ে তাদের মাঝে খাদ্য সামগ্রি বিতরণ করি। ডিএসসিসির রাজস্ব বিভাগের বাজার সার্কেল-৩ এর কর্মকর্তা বর্তমানে নগরnull
null
null পরিকল্পনা বিভাগে সংযুক্ত আতাহার আলী খান। ডিএসসিসির রাজস্ব বিভাগের বাজার সার্কেল-৩ এর কর্মকর্তা বর্তমানে নগর পরিকল্পনা বিভাগে সংযুক্ত আতাহার আলী খান। দায়িত্ব নেয়ার তিন দিনের মাথায় দুই কর্মকর্তাকে অপসারণ করার তিন দিন যেতে না যেতেই আরেক কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস । অপসারণ হওয়া এ কর্মকর্তা হলেন- ডিএসসিসির রাজস্ব বিভাগের বাজার সার্কেল-৩ এর কর্মকর্তা null
null
nullবর্তমানে নগর পরিকল্পনা বিভাগে সংযুক্ত আতাহার আলী খান। বুধবার মেয়র ব্যারিস্টার তাপস এবং ডিএসসিসির নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব আকরামুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ডিএসসিসির রাজস্ব বিভাগের বাজার সার্কেল-৩ এর কর্মকর্তা বর্তমানে নগর পরিকল্পনা বিভাগে সংযুক্ত আতাহার আলী খানকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) কর্মচারী চাকরি বিধিমালা-২০১৯ এর বিধি ৬৪(২) মোতাবেক জনস্বার্থে এবং ডিএসসিসির স্বার্থে চাকরি থেকে null
null
nullঅপসারণ করা হল। তিনি বিধি মোতাবেক ৯০ দিনের বেতন নগদ প্রাপ্য হবেন। এর আগে গত রোববার ডিএসসিসির প্রভাবশালী দুই শীর্ষ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। চাকরিচ্যুত দুই কর্মকর্তা হলেন- ডিএসসিসির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আসাদুজ্জামান ও প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ইউসুফ আলী সরদার।হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া মা গো, কেমন আছিস, গুড্ডু বাবা আমার? ওপারের বিষয়টা তো বাবা ভালোভাবে জানি না রে মা। তবে, জানতে চেষ্টা করছি। তুই কি দেখতেnull
null
null পারছিস যে তোকে ছাড়াই আমরা দু’টো দিন স্বাভাবিকভাবেই কাটিয়ে দিলাম? তুই কি শুনতে পারছিস তোকে নিয়ে আমরা কিসব বলছি? তুই কি বুঝতে পারছিস তোকে সবাই কতো ভালবাসে? তুই কি দেখছিস সবাই কি সীমাহীন মমতায় তোর জন্য দোয়া করছে? তুই কি জানিস তোর বয়সের একটা মেয়ে, যাকে আমি চিনি না, আমাকে মেসেজ পাঠিয়েছে আমার মেয়ে হতে চেয়ে? শুধু তাই নয়, মমতাময়ী মেয়েটা আমাকে বাবা ডেকেছে। তুই কি দেখছিস তোর চাপা ভাইটা একদম null
null
nullনিশ্চুপ হয়ে গেছে? তুই কি দেখছিস তোর পাগলী মা টা কেমন করছে? তুই কি দেখছিস তোর বুড়া বুবুটা কেমন করছে? তুই কি দেখছিস তোর নানা, নানু, ফুপি, চাচ্চু, খালা, মামা ও তোর ভাই বোনেরা কি রকম করছে? তুই কি দেখছিস, আম্মা, তোর বাবা, যাকে তুই সারা পৃথবীর সবচেয়ে ভালো বাবা বলতি, সে কেমন স্বাভাবিক আচরণ করছে? হ্যা null
null
nullরে, আমার কাওলা বাবা, আমি স্বাভাবিকই আছি এবং থাকবো। আমাকে যে থাকতেই হবে তোর জন্য দোয়া করার জন্য এবং তোর হয়ে এই সুন্দর দেশটার জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু করার জন্য। তুই চলে গেলি আগে আগে এজন্য আমার তোর উপর কোনও রাগ নেই কারণ এতে তোর কোনও দোষ নেই। সব দোষ বাবার। বাবা তোকে ঠিক মতো বড় করতে পারিনি। যদি পারতাম তাহলে তো তুই এই পথ বেছে নিতি না। অক্ষম বাবাটাকে ক্ষমা করে দিস, মা। তোর মতো মেয়ে পাওয়া ভাগ্যেরnull
null
null ব্যাপার। যতদিন বেঁচে থাকবো প্রতিদিন মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করবো উনি যেনো তোর আ’ত্মহন’নের ও অন্যান্য অপরাধ ক্ষমা করে দিয়ে তোকে বেহেশতে স্থান দেন এবং তোর কবরের আজাব মাফ করেন। জানি না রে মা, ওপারে তোর সাথে দেখা হবে কি-না। যদি দেখা হয় তোকে কিছুই না বলে খুব শক্তভাবে অনেকক্ষণ জড়িয়ে ধরে রাখবো যেটা তুই আমাকে ছোটবেলায় একটু পরপর করতি বিগ হাগ বলে। এদিকে যে আরেকটা ঝামেলায় পরে গেলাম রে, মা। তুই পরশুnull
null
null চলে গেলি। আর, আজ তোর ২৩তম জন্মদিন। কি করবো বল তো, মা? এমনিতেই করোনার জন্য এবার তেমনভাবে কিছু করা যেতো না। তাই ঠিক করেছি করোনা চলে গেলে এমন ব্যবস্থা করবো যেন অনেকগুলো মেয়ে তোর জন্মদিন পালন করে। শুভ জন্মদিন, মা। তোকে তোর জন্মদিনে উইশ করছি: যে শান্তির জন্য তুই এতো তাড়াতাড়ি পৃথিবী ছেড়ে গেলি সে শান্তি যেন পরম করুণাময় তোকে দান করেন। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ট ক্ষমাশীল ও দয়ালু। তোর এই প্রস্থানেরnull
null
null ব্যাপারে আমার অবস্থান খুবই স্পষ্ট গো, আম্মা: তোর থাকার জায়গার পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু, আমার হৃদয়ে তুই ছিলি, আছিস এবং থাকবি যতদিন না এর স্পন্দন থেমে যাবে। আজ আর লিখছি না রে, মা। ভালো থাকিস। তোর গুড্ডু বাবা। (লেখকের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)