ঢাকা, আজ মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ও একটি ঘোড়ার কা’ন্না

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২১ ১৭:৩৪:১৩ || আপডেট: ২০২০-০৫-২১ ১৭:৩৪:১৩

নিউজ ডেস্ক : বুধবার রাত সাড়ে ১২টা। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে বঙ্গোপসাগর তী’ব্র উত্তাল। চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে আছড়ে পড়ছে অন্তত ১২ ফুট উঁচু ঢেউ। তী’ব্রগতির বাতাসের সঙ্গে প্রবল বৃষ্টি। চারদিকেই ভ’য়ংকর চিত্র। সমুদ্রের ত’র্জ্জন-গ’র্জ্জনের সঙ্গে বৃষ্টি পাল্লা দিচ্ছে। এরই মধ্যে সৈকতের একস্থানে দেখা গেল একটি ঘোড়া দাঁড়িয়ে। ঘোড়ার কাছে যেতেই দেখা গেল চোখ দিয়ে পানি ঝড়ছে। ঘোড়াটি কাঁ’দছে! ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের এই দুর্যোগ মুহূর্তে ঘোড়াটিকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যায়নি মনিব। সাধারণ সময়ে সৈকতে আসা পর্যটকদের null
null
nullঘোড়ার পিঠে সোয়ার করে টাকা আয় করে মনিব। কিন্তু দুর্যোগ সময়ে ঘোড়াটিকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেনি মনিব। এমন এক অমানবিক মনিব জুটেছে ঘোড়ার! সমুদ্র সৈকতে আগের রাতে গিয়ে দেখা গিয়েছিল অন্তত আট ফুট উঁচু হয়ে ঢেউ আছড়ে পড়তে। আর আজ রাতে আম্ফানের প্রভাবে উ’ত্তাল সাগরে আছড়ে পড়ছে ১২ ফুট উঁচু ঢেউ। প্রবল বৃষ্টি আর তী’ব্র বাতাসে যেখানে কোনো মানুষের দাঁড়িয়ে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে, সেখানে সৈকতে শুধুমাত্র একটি null
null
nullএকা ঘোড়াই ছিল কা’ন্নারত। ঘোড়াটি দেখতে হাড্ডিসার। বোঝা যায়, দীর্ঘদিন সৈকত বন্ধ থাকায় ঘোড়ার মালিক এই ঘোড়াকে দিয়ে আয় করতে পারছিলেন না। তাই খাবারও দিচ্ছিলেন না। ক্ষুধা’র্ত ঘোড়ার সামনে কোনো খাবার দেখা যায়নি। এমন দুর্যোগ সময়ে আকাশের কা’ন্নার সঙ্গে পাল্লা দিয়েই যেন পানি পড়ছিল ঘোড়ার চোখ থেকে। যুক্তরাজ্যের সাসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল মনোবিজ্ঞানীর গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, পোষ মানানো হলে ঘোড়া মানব আচরণ বুঝে। মানুষের সঙ্গে খাপ null
null
nullখাওয়ানোর কৌশলও আয়ত্ব করতে পারে। গবেষণাকরা দাবি করেছিলেন, কোনো প্রাণী যখন মানুষের অনুভূতিসহ অন্যান্য সংকেত শনাক্ত করতে পারে, এর বৈজ্ঞানিক ও প্রায়োগিক তাৎপর্য থাকে, বিশেষ করে গৃহপালিত প্রাণীর ক্ষেত্রে। এই ঘোড়াও তার মনিবের সঙ্গে খাপ খাইয়ে বছরের পর বছর ধরে পতেঙ্গা সৈকতে আসা পর্যটকদের সাময়িক বিনোদন দিয়েছে নিজের পিঠে তুলে পর্যটকসহ সওয়ার হয়ে। ঘোড়াটি মনিবের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে শিখলেও মনিবের কাছে মানবিক null
null
nullআচরণ পায়নি। আবার করোনাভাইরাসের সং’ক্রমণ প্রাদুর্ভাবে নগরীর অনেক বেওয়ারিশ অভুক্ত কুকুরকে নগরীর মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনকে খাবার দিয়েছেন। সঙ্গে অন্য একাধিক ব্যক্তি ও সংগঠনও বেওয়ারিশ কুকুরকে খাবার দিয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের আগেই অনেক মানুষ ও গবাদী পশু নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধান পেয়েছে। প্রশাসন ও গবাদী পশুর মালিকেরা নিজেদের পশুগুলোকে নিরাপদে নিয়েছে। কিন্তু পতেঙ্গার নির্জন সৈকতে একা দাঁড়িয়ে থাকা ঘোড়াটি পায়নি আশ্রয় ও খাবার। তাইতো করোনাকালের নির্মমতা ও ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তা’ণ্ডবের শিকার ঘোড়ার চোখে এখন ঝড়ছে অঝোর কা’ন্না। null
null
nullসূত্র : কালেরকণ্ঠ
রাজশাহী: রাজশাহীর বাঘায় দুই গ্রামের দুটি লাউয়ের মাচার দুটি বোঁটায় দোল খাচ্ছে ৪৬টি লাউ।এক গ্রামের একটি মাচায় দেখা গেছে এক বোঁটায় দোল খাচ্ছে ছোট বড় ২৬টি লাউ। অপরদিকে আরেক গ্রামের অপর মাচার এক বোঁটায় ২০টি লাউ দোল খাচ্ছে।এতো লাউ ধ’রার চাঞ্চল্যকর খবর পেয়ে সেই দুইগ্রামে প্রতিদিনই ভি’ড় বাড়ছে উৎসুক জনতার। এক বোঁটায় ছোট বড় ২৬টি লাউ ধ’রেছে উপজেলার বাউসা মাঠপাড়া গ্রামের সাকবর আলীর বসতবাড়ির null
null
nullসাপরা ঘরের পাশে লাগানো একটি লাউ গাছে।আর একই উপজেলার সোনাদহ গ্রামের আমজাদ হোসেনের বাড়ির আঙ্গিনায় লাগানো লাউ গাছের এক বোঁটায় ধ’রেছে ছোট বড় ২০টি লাউ।এরইমধ্যে সেই দুই গ্রামের লাউগাছ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান। বৃহস্পতিবার মাঝপাড়া গ্রামের সাকবর আলীর জানান, গত বছর স্থানীয় বাজার থেকে হাইব্রিড লাউয়ের বীজ এনে রোপণ করেন তিনি। সেই গাছের লাউ থেকে বীজ সংগ্রহ করেন তার স্ত্রী নীলা খাতুনnull
null
null। পরে সেই বীজ চলতি বছরে ফের রোপণ করলে গাছে শতাধিক লাউ ধ’রে। কিন্তু হঠাৎ করেই তার ন’জরে আসে এক বোঁটায় ধ’রা ২৬টি এই অস্বাভাবিক লাউ। সোনাদহ গ্রামের আমজাদ হোসেন বলেন, তিনিও স্থানীয় বাজার থেকে বীজ কিনে রোপণ করেছেন। সঠিক পরিচর্যায়, লাউ গাছে প্রথম থেকে যথেষ্ট পরিমাণে লাউ ধ’রেছে। এর মাঝে লাউ গাছের এক বোঁটায় (ডগায়) ধ’রেছে ২০টি লাউ। একটি বোঁটায় এতগুলো লাউ ধ’রায় নরম কাপড় দিয়ে বোঁটি (বোটা) শ’ক্ত করে বেঁ’ধে null
null
nullদিয়েছি। গত কয়েকদিনে ওই বোঁটা থেকে কয়েকটি লাউ খাওয়া হয়েছে। দর্শনার্থী অধ্যক্ষ সামরুল হোসেন জানান, গাছটির একটি বোঁটা থেকে ছোট-বড় মিলিয়ে একটিতে ২৬টি আরেকটিতে ২০ লাউ ধ’রেছে, যা সত্যিই বিস্ময়কর ঘটনা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান জানান, দুই পাতার দূরত্ব কমে যাওয়ায় হ’রমো’নিক কারণে অল্প জায়গা এমন গুচ্ছ লাউ ধ’রে থাকতে পারে। গাছটিতে নারী ফুলের সংখ্যা বেশি থাকাও কারণ হতে পারে। তারা ওই বীজ থেকে গাছরোপণ করে গবেষণা পরিচালনা করবেন।