ঢাকা, আজ বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০

সত্যিই বিস্ময়কর, রাজশাহীতে দুই বোঁটায় ঝুলছে ৪৬ লাউ!

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২১ ১৭:২৬:৪৮ || আপডেট: ২০২০-০৫-২১ ১৭:২৬:৪৮

রাজশাহী: রাজশাহীর বাঘায় দুই গ্রামের দুটি লাউয়ের মাচার দুটি বোঁটায় দোল খাচ্ছে ৪৬টি লাউ।এক গ্রামের একটি মাচায় দেখা গেছে এক বোঁটায় দোল খাচ্ছে ছোট বড় ২৬টি লাউ। অপরদিকে আরেক গ্রামের অপর মাচার এক বোঁটায় ২০টি লাউ দোল খাচ্ছে।এতো লাউ ধ’রার চাঞ্চল্যকর খবর পেয়ে সেই দুইগ্রামে প্রতিদিনই ভি’ড় বাড়ছে উৎসুক জনতার। এক বোঁটায় ছোট বড় ২৬টি লাউ ধ’রেছে উপজেলার বাউসা মাঠপাড়া গ্রামের সাকবর আলীর বসতবাড়ির সাপরা ঘরের পাশে লাগানো একটি লাউ গাছে।আর একই উপজেলার সোনাদহ গ্রামের আমজাদnull
null
null হোসেনের বাড়ির আঙ্গিনায় লাগানো লাউ গাছের এক বোঁটায় ধ’রেছে ছোট বড় ২০টি লাউ।এরইমধ্যে সেই দুই গ্রামের লাউগাছ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান। বৃহস্পতিবার মাঝপাড়া গ্রামের সাকবর আলীর জানান, গত বছর স্থানীয় বাজার থেকে হাইব্রিড লাউয়ের বীজ এনে রোপণ করেন তিনি। সেই গাছের লাউ থেকে বীজ সংগ্রহ করেন তার স্ত্রী নীলা খাতুন। পরে সেই বীজ চলতি বছরে ফের রোপণ করলে গাছে শতাধিক লাউ ধ’রে। কিন্তু হঠাৎ করেইnull
null
null তার ন’জরে আসে এক বোঁটায় ধ’রা ২৬টি এই অস্বাভাবিক লাউ। সোনাদহ গ্রামের আমজাদ হোসেন বলেন, তিনিও স্থানীয় বাজার থেকে বীজ কিনে রোপণ করেছেন। সঠিক পরিচর্যায়, লাউ গাছে প্রথম থেকে যথেষ্ট পরিমাণে লাউ ধ’রেছে। এর মাঝে লাউ গাছের এক বোঁটায় (ডগায়) ধ’রেছে ২০টি লাউ। একটি বোঁটায় এতগুলো লাউ ধ’রায় নরম কাপড় দিয়ে বোঁটি (বোটা) শ’ক্ত করে বেঁ’ধে দিয়েছি। গত কয়েকদিনে ওই বোঁটা থেকে কয়েকটি লাউ খাওয়া হয়েছে। দর্শনার্থী অধ্যক্ষ সামরুল হোসেন জানান, গাছটির একটি বোঁটা থেকে ছোট-বড় মিলিয়ে একটিতে ২৬টি আরেকটিতে ২০ লাউ ধ’রেছে, যা সত্যিই বিস্ময়করnull
null
null ঘটনা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান জানান, দুই পাতার দূরত্ব কমে যাওয়ায় হ’রমো’নিক কারণে অল্প জায়গা এমন গুচ্ছ লাউ ধ’রে থাকতে পারে। গাছটিতে নারী ফুলের সংখ্যা বেশি থাকাও কারণ হতে পারে। তারা ওই বীজ থেকে গাছরোপণ করে গবেষণা পরিচালনা করবেন।তানোর (রাজশাহী): পবিত্র মাহে রমজান কোরআন নাজিলের মাস। সে হিসেবে দেশ-বিদেশের অনেক স্থানে সহিহশুদ্ধভাবে কোরআন শিক্ষার আসর কিংবা কোরআন পড়ার ব্যবস্থা করা null
null
nullহয়। কিন্তু পৌরসভায় কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনআন শিক্ষার ব্যবস্থার আয়োজন খুব কমই দেখা যায়। কিন্তু এটাও সম্ভব। পবিত্র কোরআন শিক্ষার এমন আয়োজনের মহান খেদমত চালু করেছেন তানোর পৌর মেয়র মিজানুর রহমান মিজান। তানোর পৌরসভার হলরুমে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তানোর পৌর কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, করোনার কারণে পৌরসভায় সকল প্রকার কাজকর্ম বন্ধ null
null
nullথাকলেও করোনার প্রভাবে এই দুর্যোগ মুহূর্তে জনগণের মাঝে সরকারের ত্রাণ বিতরণের জন্য পৌর কার্যালয়ে অবস্থান করতে হচ্ছে। রোজার কারণে যোহরের নামাজের পর বসে বসে খোশ গল্প আর আড্ডা দেয়া ছাড়া তেমন কোন কাজকর্ম থাকে না। এসময় সবাই মেয়রকে কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা চালুর কথা জানান। এর প্রেক্ষিতে গত ৯ মে থেকে পৌরসভার হলরুমে কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা চালু করা হয়। তানোর পৌর মেয়র মিজানুর রহমান মিজান বলেন, পৌরসভার কাউন্সিলরসহnull
null
null কর্মকর্তা/কর্মচারীরা অনেকেই কোরআন পড়তে জানেন না। করোনার প্রভাবে পৌরসভায় ছুটি রয়েছে কিন্তু সরকারের নির্দেশে ত্রাণ বিতরণের জন্য সকলকেই পৌর কার্যালয়ে থাকতে হচ্ছে। বেকার বসে না থেকে এই সুযোগে যেন সবাই কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন সেজন্য একজন হাফেজ ডেকে কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।নীলফামারী : করোনায় কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রি বিতরণ করে অনন্য নজির স্থাপন করেছে ভ্যানচালক শফিকুল ইসলাম বল্টু। বুধবার নিজের সঞ্চিত অর্থ থেকে এলাকার কর্মহীন মানুষের হাতে তুলে দিয়েছেন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রি। নীলফামারী সদর null
null
nullউপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের কিছামত দোগছি এলাকার ভ্যানচালক শফিকুল ইসলাম বল্টু। ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে তিনি। সরকারী সাধারণ ছুটি থাকার কারনে এখন প্রতিদিন ৪ থেকে ৫শত টাকা করে আয় হয়। সেই টাকায় সংসার চালিয়ে কিছু টাকা ঈদের খরচের জন্য সঞ্চয় করেন তিনি। সেই টাকা থেকে এলাকার কর্মহীন ১০০ মানুষের হাতে নিজে গিয়ে তুলে দেন আটা, চাউল ও আলু। শফিকুল ইসলাম বল্টু জানান, করোনায় আয় কমে গেছে। ভ্যান চালিয়ে পরিবারের ভরণ পোষণ শেষে কিছু টাকা ঈদের জন্য জমা করি। কিন্তু আমার চেয়েও এলাকায় অনেক কর্মহীন মানুষ না খেয়ে আছে। তাই ওই টাকা দিয়ে তাদের মাঝে খাদ্য সামগ্রি বিতরণ করি।