ঢাকা, আজ সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড রাজশাহী, একেবারে তছনছ আম বাগান

প্রকাশ: ২০২০-০৫-২১ ১৭:২৩:৪১ || আপডেট: ২০২০-০৫-২১ ১৭:২৩:৪১

নিউজ ডেস্ক : ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে রাজশাহী অঞ্চলে ডালপালা ভে’ঙে বহু আম ঝরে পড়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে আম বাগান মালিকরা। ফল গবেষণার সাথে জড়িতরা বলছেন, এখনো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা না গেলেও শতকরা ২০ থেকে ২৫ ভাগ আম নষ্ট হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে লণ্ডভণ্ড রাজশাহী অঞ্চল। ঘূর্ণিঝড় আম্পানের ফলে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে আমের। একেবারে তছনছ আম বাগান , ডালপালা ভে’ঙে পড়ে আছে অনেক আম। করোনার কারণে আম বাজারজাতকরণ নিয়ে চিন্তায় ছিলেন বাগান মালিকরা। null
null
nullএবার ম’রার ওপর খাড়ার ঘা। ফল গবেষণার সঙ্গে জড়িত বিশেষজ্ঞরা জানান, এ অঞ্চলের শতকরা ২০ থেকে ২৫ ভাগ আম পড়ে গেছে। এ অবস্থায় এ বছর আমের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল তা পূরণ হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।রাজশাহী: রাজশাহীর বাঘায় দুই গ্রামের দুটি লাউয়ের মাচার দুটি বোঁটায় দোল খাচ্ছে ৪৬টি লাউ।এক গ্রামের একটি মাচায় দেখা গেছে এক বোঁটায় দোল খাচ্ছে ছোট বড় ২৬টি লাউ। অপরদিকে আরেক গ্রামের অপর null
null
nullমাচার এক বোঁটায় ২০টি লাউ দোল খাচ্ছে।এতো লাউ ধ’রার চাঞ্চল্যকর খবর পেয়ে সেই দুইগ্রামে প্রতিদিনই ভি’ড় বাড়ছে উৎসুক জনতার। এক বোঁটায় ছোট বড় ২৬টি লাউ ধ’রেছে উপজেলার বাউসা মাঠপাড়া গ্রামের সাকবর আলীর বসতবাড়ির সাপরা ঘরের পাশে লাগানো একটি লাউ গাছে।আর একই উপজেলার সোনাদহ গ্রামের আমজাদ হোসেনের বাড়ির আঙ্গিনায় লাগানো লাউ গাছের এক বোঁটায় ধ’রেছে ছোট বড় ২০টি লাউ।এরইমধ্যে সেই দুই গ্রামের লাউগাছ পরিদর্শন করেছেন null
null
nullউপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান। বৃহস্পতিবার মাঝপাড়া গ্রামের সাকবর আলীর জানান, গত বছর স্থানীয় বাজার থেকে হাইব্রিড লাউয়ের বীজ এনে রোপণ করেন তিনি। সেই গাছের লাউ থেকে বীজ সংগ্রহ করেন তার স্ত্রী নীলা খাতুন। পরে সেই বীজ চলতি বছরে ফের রোপণ করলে গাছে শতাধিক লাউ ধ’রে। কিন্তু হঠাৎ করেই তার ন’জরে আসে এক বোঁটায় ধ’রা ২৬টি এই অস্বাভাবিক লাউ। সোনাদহ গ্রামের আমজাদ হোসেন বলেন, তিনিও স্থানীয় বাজার থেকে বীজ কিনে null
null
nullরোপণ করেছেন। সঠিক পরিচর্যায়, লাউ গাছে প্রথম থেকে যথেষ্ট পরিমাণে লাউ ধ’রেছে। এর মাঝে লাউ গাছের এক বোঁটায় (ডগায়) ধ’রেছে ২০টি লাউ। একটি বোঁটায় এতগুলো লাউ ধ’রায় নরম কাপড় দিয়ে বোঁটি (বোটা) শ’ক্ত করে বেঁ’ধে দিয়েছি। গত কয়েকদিনে ওই বোঁটা থেকে কয়েকটি লাউ খাওয়া হয়েছে। দর্শনার্থী অধ্যক্ষ সামরুল হোসেন জানান, গাছটির একটি বোঁটা থেকে ছোট-বড় মিলিয়ে একটিতে ২৬টি আরেকটিতে ২০ লাউ ধ’রেছে, যা সত্যিই বিস্ময়কর ঘটনা। null
null
nullউপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান জানান, দুই পাতার দূরত্ব কমে যাওয়ায় হ’রমো’নিক কারণে অল্প জায়গা এমন গুচ্ছ লাউ ধ’রে থাকতে পারে। গাছটিতে নারী ফুলের সংখ্যা বেশি থাকাও কারণ হতে পারে। তারা ওই বীজ থেকে গাছরোপণ করে গবেষণা পরিচালনা করবেন।তানোর (রাজশাহী): পবিত্র মাহে রমজান কোরআন নাজিলের মাস। সে হিসেবে দেশ-বিদেশের অনেক স্থানে সহিহশুদ্ধভাবে কোরআন শিক্ষার আসর কিংবা কোরআন পড়ার null
null
nullব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু পৌরসভায় কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনআন শিক্ষার ব্যবস্থার আয়োজন খুব কমই দেখা যায়। কিন্তু এটাও সম্ভব। পবিত্র কোরআন শিক্ষার এমন আয়োজনের মহান খেদমত চালু করেছেন তানোর পৌর মেয়র মিজানুর রহমান মিজান। তানোর পৌরসভার হলরুমে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তানোর পৌর কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, করোনার কারণে পৌরসভায় সকল প্রকার কাজকর্ম null
null
nullবন্ধ থাকলেও করোনার প্রভাবে এই দুর্যোগ মুহূর্তে জনগণের মাঝে সরকারের ত্রাণ বিতরণের জন্য পৌর কার্যালয়ে অবস্থান করতে হচ্ছে। রোজার কারণে যোহরের নামাজের পর বসে বসে খোশ গল্প আর আড্ডা দেয়া ছাড়া তেমন কোন কাজকর্ম থাকে না। এসময় সবাই মেয়রকে কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা চালুর কথা জানান। এর প্রেক্ষিতে গত ৯ মে থেকে পৌরসভার হলরুমে কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা চালু করা হয়। তানোর পৌর মেয়র মিজানুর রহমান মিজান বলেন, পৌরসভার null
null
nullকাউন্সিলরসহ কর্মকর্তা/কর্মচারীরা অনেকেই কোরআন পড়তে জানেন না। করোনার প্রভাবে পৌরসভায় ছুটি রয়েছে কিন্তু সরকারের নির্দেশে ত্রাণ বিতরণের জন্য সকলকেই পৌর কার্যালয়ে থাকতে হচ্ছে। বেকার বসে না থেকে এই সুযোগে যেন সবাই কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন সেজন্য একজন হাফেজ ডেকে কোরআন শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। 10 0 Google +0 0 0